চরচা ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আসা কিশোর ও তরুণদের প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবস করিয়ে শারীরিক শাস্তি প্রদানের ঘটনায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ সোমবার এমএসএফের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
সংস্থাটি এই ঘটনাকে সংবিধানের লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার নগ্ন অপব্যবহার হিসেবে অভিহিত করেছে।
গণমাধ্যম ও ভিডিওতে প্রকাশিত তথ্যের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) একজন সদস্য লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে একাধিক কিশোর ও তরুণকে সারিবদ্ধভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে অপমানজনক এই শাস্তি দিতে বাধ্য করেন। এমএসএফ মনে করে, কোনো ব্যক্তি বা ছাত্রনেতার এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবস করানো একটি মধ্যযুগীয় শাস্তি, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের পরিপন্থী।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে দণ্ড প্রদান বা অমানবিক ও অবমাননাকর আচরণের শিকার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। 'শৃঙ্খলা রক্ষার' নামে এই ধরনের শারীরিক শাস্তি সমাজে বিচারবহির্ভূত শাস্তির সংস্কৃতি ও ভয় সৃষ্টি করে, যা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক।
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপঠে এ ধরনের স্বেচ্ছাচারী আচরণের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা ও তদারকির অভাবকে দায়ী করেছে এমএসএফ। সংস্থাটি জানায়, অপরাধ সংঘটিত হলে তদন্ত ও বিচারের দায়িত্ব একমাত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন এই ঘটনার দ্রুত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় বিধি ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আসা কিশোর ও তরুণদের প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবস করিয়ে শারীরিক শাস্তি প্রদানের ঘটনায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)। আজ সোমবার এমএসএফের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
সংস্থাটি এই ঘটনাকে সংবিধানের লঙ্ঘন এবং ক্ষমতার নগ্ন অপব্যবহার হিসেবে অভিহিত করেছে।
গণমাধ্যম ও ভিডিওতে প্রকাশিত তথ্যের বরাতে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) একজন সদস্য লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে একাধিক কিশোর ও তরুণকে সারিবদ্ধভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে অপমানজনক এই শাস্তি দিতে বাধ্য করেন। এমএসএফ মনে করে, কোনো ব্যক্তি বা ছাত্রনেতার এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। প্রকাশ্যে কান ধরে ওঠবস করানো একটি মধ্যযুগীয় শাস্তি, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের পরিপন্থী।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে দণ্ড প্রদান বা অমানবিক ও অবমাননাকর আচরণের শিকার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। 'শৃঙ্খলা রক্ষার' নামে এই ধরনের শারীরিক শাস্তি সমাজে বিচারবহির্ভূত শাস্তির সংস্কৃতি ও ভয় সৃষ্টি করে, যা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিপজ্জনক।
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপঠে এ ধরনের স্বেচ্ছাচারী আচরণের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বহীনতা ও তদারকির অভাবকে দায়ী করেছে এমএসএফ। সংস্থাটি জানায়, অপরাধ সংঘটিত হলে তদন্ত ও বিচারের দায়িত্ব একমাত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন এই ঘটনার দ্রুত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় বিধি ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।