Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

আমেরিকার নাকের ডগায় থেকে যেভাবে আমেরিকার বিরোধিতায় কিউবা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫: ৫২
আমেরিকার নাকের ডগায় থেকে যেভাবে আমেরিকার বিরোধিতায় কিউবা

জুলাই অভ্যুথানের সময় থেকে আমরা ‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ বারবার শুনেছি। ইউটিউব-ফেসবুকের পোস্ট বা ভিডিওতে কথায় কথায় বলতে শুনেছি। একটু পরিমার্জিত করে ‘জন্মভূমি অথবা মৃত্যু’ লিখে টিএসসিতে টাঙিয়ে রাখা হয়েছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা এক উপদেষ্টা বইও লিখেছেন এই শিরোনামে। এই কিংবদন্তি বাক্যটি যিনি উচ্চারণ করেছিলেন, তিনি কিউবার ফিদেল কাস্ত্রো।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৯৫৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ আজকের দিনে ডানপন্থী স্বৈরশাসক ফুলহেনসিও বাতিস্তাকে নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা এক গেরিলা অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়ার পর ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। ১ জানুয়ারি বাতিস্তার পতনের পর কিউবার সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ হওয়া কাস্ত্রো, দেশের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।

ফিদেল কাস্ত্রো পূর্ব কিউবার ওরিয়েন্ত প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বাবা ছিলেন একজন স্পেনীয় অভিবাসী। ছাত্রাবস্থাতেই কাস্ত্রো বিপ্লবী রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন এবং ১৯৪৭ সালে ডমিনিকান স্বৈরশাসক রাফায়েল ট্রুজিলোকে উৎখাত করার জন্য ডমিনিকান নির্বাসিত এবং কিউবানদের একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টায় অংশ নেন। পরের বছর, তিনি কলম্বিয়ার বোগোতায় দাঙ্গায় অংশ নেন। এই সময়ে তার রাজনীতির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল তার আমেরিকা-বিরোধী বিশ্বাস, যদিও তিনি তখনো স্পষ্ট মার্কসবাদী ছিলেন না।

১৯৫১ সালে, তিনি সংস্কারবাদী অর্টোডক্সো পার্টির সদস্য হিসেবে কিউবার হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে একটি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই জেনারেল বাতিস্তা একটি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে ফেলেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বাতিস্তার একনায়কতন্ত্রের বিরোধিতার জন্য বিভিন্ন গোষ্ঠী গঠিত হয় এবং ১৯৫৩ সালের ২৬ জুলাই, কাস্ত্রো প্রায় ১৬০ জন বিদ্রোহীকে নিয়ে কিউবার দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি সান্তিয়াগো ডি কিউবার মনকাদা ব্যারাকে আক্রমণ পরিচালনা করেছিলেন। কাস্ত্রো অস্ত্রাগার দখল করে ঘাঁটির রেডিও স্টেশন থেকে তার বিপ্লবের ঘোষণা দেওয়ার আশা করেছিলেন। কিন্তু ব্যারাকটি সুরক্ষিত থাকায় সেটি সম্ভব হয়নি।

কাস্ত্রো নিজে গ্রেপ্তার হন এবং কিউবার সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের জন্য বিচারের মুখোমুখি হন। তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

দুই বছর পর, বাতিস্তা তার ক্ষমতার ওপর যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী হয়ে কাস্ত্রোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দীর জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। এরপর কাস্ত্রো তার ভাই রাউলকে নিয়ে মেক্সিকোতে যান এবং সেখানে তারা বিপ্লবী ‘২৬শে জুলাই আন্দোলন’ সংগঠিত করেন। তারা নতুন কর্মী নিয়োগ করেছিলেন এবং আর্জেন্টিনার বিপ্লবী চে গুয়েভারার সাথে যুক্ত হন।

১৯৫৮ সালের মাঝামাঝি নাগাদ, কিউবার আরও বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী বাতিস্তার বিরোধিতা করছিল এবং যুক্তরাষ্ট্র তার শাসনামলে সামরিক সহায়তা বন্ধ করে দেয়। ডিসেম্বরে, চে গুয়েভারার নেতৃত্বে ‘২৬শে জুলাই’ বাহিনীর সদস্যরা সান্তা ক্লারা শহরে আক্রমণ চালালে বাতিস্তার বাহিনী ভেঙে পড়ে। ১৯৫৯ সালের ১ জানুয়ারি বাতিস্তা ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে পালিয়ে গিয়েছিলেন। ওই সময়ে কাস্ত্রোর সাথে ১,০০০-এর কম লোক থাকলেও, তিনি কিউবা সরকারের ৩০,০০০ সদস্যের সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নেন। অন্যান্য বিদ্রোহী নেতার তেমন জনপ্রিয়তা ছিল না, যা তরুণ ও ক্যারিশম্যাটিক কাস্ত্রোর ছিল, এবং ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

কাস্ত্রোর শাসনামলেই কিউবা পশ্চিম গোলার্ধের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত হয়। একুশ শতক পর্যন্ত তিনি দেশটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিলেন এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবরোধের মুখেও টিকিয়ে রেখেছিলেন কিউবা’কে।

তবে কিউবা হোক বা ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশ হোক–এমন স্লোগান এসেছে। জনপ্রিয় এসব স্লোগানে ‘ফাদারল্যান্ড’ শব্দটিই বহুল উচ্চারিত। যদিও এই ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় থেকে স্বদেশভূমিকে বরাবরই মায়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এর স্বাক্ষর পাওয়া যায় ‘বন্দেমাতরম’ থেকে শুরু করে জনপ্রিয় সব গান ও কথায়। ভগৎ সিং, চন্দশেখর আজাদ বা সূর্যসেনের মতো অগ্নিযুগের বিপ্লবীদের ইতিহাসের দিকে তাকালে এর স্বাক্ষ্য পাওয়া যায়। সে সময়কার দেশাত্মবোধক গান ও কবিতাতেও বারবার দেশ বলতে মায়ের কথাই উঠে এসেছে।

ইউরোপসহ পশ্চিমা দেশগুলোতে জন্মভূমি বলতে পিতৃভূমি উচ্চারণ করা হলেও, এই ভারতীয় উপমহাদেশে, এবং এই বঙ্গভূমিতে জন্মভূমি বরাবরই মাতৃভূমি বলেই অনূদিত হয়েছে। তাই ফিদেল কাস্ত্রোর ‘পিতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ আমাদের বিক্ষোভে এসে ‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’–তে অনূদিত হয়েছে স্বভাবগুণেই।

বিষয়: আমেরিকাসমাজতান্ত্রিকবিপ্লবীবিপ্লবকিউবা
সর্বশেষ
  • ১

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ২

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৩

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

  • ৪

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক: তিন দিনে ২৬ হাজার গ্রাহক তুললেন কত টাকা

  • ৫

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

সম্পর্কিত
  • রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ২৭ নম্বরের একটি ভবনে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ করছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা খালেদা ইয়াসমিন চরচাকে বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে প্র

  • হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

    হংকংয়ের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে তৈরি পোশাকের বাইরে উচ্চপ্রযুক্তি, গ্রিন প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, হালকা প্রকৌশল, জুতা ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে হংকংয়ের বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে

  • মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) এখনো লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও ন্যাশনাল পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সদস্য মেঘমল্লার বসু। চিকিৎসক জানিয়েছেন, মেঘের শারীরিক অবস্থা কিছুক্ষণ পরপরই পরিবর্তিত হচ্ছে। আজ বৃহস্প

  • ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

    ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুনে নিহত ৫, নিখোঁজ ৮০ জনের বেশি

    পশ্চিম ফিলিপাইনের পালাওয়ান দ্বীপের কাছে যাত্রীবাহী ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ৮০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কোস্টগার্ড। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে পালাওয়ানের কোরন এলাকার জলসীমায় এমভি জুন অ্যাস্টার ফেরিতে আগুন লাগে। খবর রয়টার্স।