নির্বাচন–পরবর্তী নারী ও শিশুনির্যাতনে জেএনএনপিএফের উদ্বেগ

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
নির্বাচন–পরবর্তী নারী ও শিশুনির্যাতনে জেএনএনপিএফের উদ্বেগ
জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম। ছবি: ফেসবুক

নির্বাচন ও গণভোট–পরবর্তী বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় দেশজুড়ে নারী ও শিশুদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতীয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম (জেএনএনপিএফ)।

সংস্থাটি আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, রাজনৈতিক প্রতিশোধ বা মতবিরোধের কারণে কোনো নারী বা শিশুর ওপর সহিংসতা সভ্য সমাজের মূল্যবোধের পরিপন্থি।

জেএনএনপিএফ জানায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী রাজশাহী–৩ আসনে স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী হাবিবা বেগম নির্বাচনের পর হামলার শিকার হয়ে আহত হয়েছেন এবং শ্রবণশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে চিকিৎসাধীন আছেন।

একইসাথে নোয়াখালীর হাতিয়ায় এক নারীকে সংঘবদ্ধভাবে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, ময়মনসিংহে সহিংসতার মধ্যে একটি শিশুর মৃত্যু–সব মিলিয়ে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এছাড়া কুমিল্লা, গাজীপুর, নাটোর, পাবনা, বগুড়া সহ নানা জেলায় বসতবাড়িতে হামলা, লুটপাট ও আতঙ্কের কারণে নারী ও শিশুরা ভয় ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।

সংগঠনটির মতে, রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ যাই হোক–নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘৃণিত উদাহরণ এবং এ ধরনের ঘটনা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য হুমকি।

জেএনএনপিএফ প্রতিটি অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও জেন্ডার-সংবেদনশীল তদন্ত দাবি করেছে এবং অপরাধীদের আইনি বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী নারী ও শিশুদের শারীরিক চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছে।

সংগঠনটি বলেছে–একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবিলম্বে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

সম্পর্কিত