চরচা প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোসহ ৭ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারক প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এই মামলার আসামি মোট ১৬ জন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন আটজন আসামি। তারা হলেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তরের সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন, কামরুল হাসান ও শেখ আবজালুল হক এবং সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার।
এর আগে রাষ্ট্র ও আসামি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ২০ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়। তারও আগে ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম ও চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন আশুলিয়া থানা এলাকায় ছয়জনকে গুলি করে তাদের লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত ছিলেন, তাঁকেও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেদিন যারা নিহত হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাজ্জাদ হোসেন, আস–সাবুর, তানজিল মাহমুদ, বায়েজিদ বোস্তামী ও আবুল হোসেন প্রমুখ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোসহ ৭ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল।
আজ বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারক প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এই মামলার আসামি মোট ১৬ জন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন আটজন আসামি। তারা হলেন ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উত্তরের সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন, কামরুল হাসান ও শেখ আবজালুল হক এবং সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার।
এর আগে রাষ্ট্র ও আসামি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ২০ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়। তারও আগে ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম ও চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন আশুলিয়া থানা এলাকায় ছয়জনকে গুলি করে তাদের লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত ছিলেন, তাঁকেও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেদিন যারা নিহত হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাজ্জাদ হোসেন, আস–সাবুর, তানজিল মাহমুদ, বায়েজিদ বোস্তামী ও আবুল হোসেন প্রমুখ।