চরচা ডেস্ক

সরকার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী বাজেটেও কর্মসংস্থান প্রাধান্য পাবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সরকারি হাসপাতালের জন্য জমি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিনিয়োগ ছাড়া কোনো দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সম্ভব নয়, তাই দেশি–বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে পরিবর্তন আসছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের ব্যাপারে বিএনপি জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে।
পতেঙ্গা অঞ্চলে আধুনিক জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে নার্সিং ইনস্টিটিউট ও টেকনোলজিস্ট প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটও স্থাপন করা হবে। এজন্য নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত জমিসহ মোট ১৪ দশমিক ২ একর জমি পরিদর্শন করেন অর্থমন্ত্রী।
নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের ব্রিফিংয়ে প্রকল্প এলাকার ভৌগোলিক সুবিধা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সম্ভাবনার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। স্থানীয়দের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান মন্ত্রী।
এরপর অর্থমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

সরকার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী বাজেটেও কর্মসংস্থান প্রাধান্য পাবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সরকারি হাসপাতালের জন্য জমি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিনিয়োগ ছাড়া কোনো দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সম্ভব নয়, তাই দেশি–বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে পরিবর্তন আসছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের ব্যাপারে বিএনপি জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে।
পতেঙ্গা অঞ্চলে আধুনিক জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে নার্সিং ইনস্টিটিউট ও টেকনোলজিস্ট প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটও স্থাপন করা হবে। এজন্য নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত জমিসহ মোট ১৪ দশমিক ২ একর জমি পরিদর্শন করেন অর্থমন্ত্রী।
নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের ব্রিফিংয়ে প্রকল্প এলাকার ভৌগোলিক সুবিধা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সম্ভাবনার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। স্থানীয়দের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও জানান মন্ত্রী।
এরপর অর্থমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।