চরচা প্রতিবেদক

শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে এক জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
শেরপুরের ওই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত নিন্দনীয়’ উল্লেখ করে সচিব বলেন, “গতকাল শেরপুরে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তার ধারাবাহিকতায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে এই মুহূর্তে ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি যা পসিবল আসপেক্ট সেগুলো নিশ্চিত করা হবে এজ সুন এস পসিবল।”
সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সচিব বলেন, “রিটার্নিং অফিসার এবং এডজুডিকেশন কমিটির যদি সুপারিশ থাকে, তাহলে কমিশন সেটা বিবেচনা করবে। আর স্থানীয়ভাবে যদি এটা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে সেটা স্থানীয়ভাবে। আমি রিপোর্টটা না পাওয়া পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে যে ব্যবস্থাটা, সেটার কথা বলেছি।”
আদালতের রায়ে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে সচিব গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় সীমার কথা জানান। আখতার আহমেদ বলেন, “কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাননীয় আদালত যদি কারোর প্রার্থিতা বহাল পুনর্বহাল করেন বা বাদ দেন, তাহলে সেই পর্যন্ত আমরা এটা আপনার পোস্টাল ব্যালটে তাদেরকে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টা বিবেচনায় নেব বা করা যেতে পারে। কিন্তু ৮ তারিখের পরে, যদি কারো প্রার্থী বহাল পুনর্বহাল হয়, সেক্ষেত্রে পোস্টাল ব্যালট তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার সুযোগ নেই।”
অফলাইনে কার্ড পাবেন সাংবাদিকরা
সাংবাদিক সংগঠনগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের খবর সংগ্রহের কার্ড অফলাইনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের দাবির প্রতি সমর্থন রেখে আমরা কার্ড ব্যবস্থা প্রত্যাবর্তন করব। যাতে অনলাইনে যেটা আছে সেটা তো যেগুলোন হয়ে গেছে সেটা তো আছে, কিন্তু আপনার যেন আপনারা অতীতে যেভাবে পেতেন সেভাবে যেন পারবেন-সে ব্যবস্থাটা করা হবে। তবে একটু সময় দিবেন, যদি বলেন যে আগামীকালকেই দিতে হবে সেটা হবে না। তো একটু সময় দিয়েন, যাতে পদ্ধতিটাকে একটু আবার রিস্টাবলিশ করতে একটু সময় লাগে।”

শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে এক জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
শেরপুরের ওই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত নিন্দনীয়’ উল্লেখ করে সচিব বলেন, “গতকাল শেরপুরে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তার ধারাবাহিকতায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে এই মুহূর্তে ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি যা পসিবল আসপেক্ট সেগুলো নিশ্চিত করা হবে এজ সুন এস পসিবল।”
সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সচিব বলেন, “রিটার্নিং অফিসার এবং এডজুডিকেশন কমিটির যদি সুপারিশ থাকে, তাহলে কমিশন সেটা বিবেচনা করবে। আর স্থানীয়ভাবে যদি এটা নিষ্পত্তি হয়, তাহলে সেটা স্থানীয়ভাবে। আমি রিপোর্টটা না পাওয়া পর্যন্ত তাৎক্ষণিকভাবে যে ব্যবস্থাটা, সেটার কথা বলেছি।”
আদালতের রায়ে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়ে সচিব গুরুত্বপূর্ণ একটি সময় সীমার কথা জানান। আখতার আহমেদ বলেন, “কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাননীয় আদালত যদি কারোর প্রার্থিতা বহাল পুনর্বহাল করেন বা বাদ দেন, তাহলে সেই পর্যন্ত আমরা এটা আপনার পোস্টাল ব্যালটে তাদেরকে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টা বিবেচনায় নেব বা করা যেতে পারে। কিন্তু ৮ তারিখের পরে, যদি কারো প্রার্থী বহাল পুনর্বহাল হয়, সেক্ষেত্রে পোস্টাল ব্যালট তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার সুযোগ নেই।”
অফলাইনে কার্ড পাবেন সাংবাদিকরা
সাংবাদিক সংগঠনগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের খবর সংগ্রহের কার্ড অফলাইনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের দাবির প্রতি সমর্থন রেখে আমরা কার্ড ব্যবস্থা প্রত্যাবর্তন করব। যাতে অনলাইনে যেটা আছে সেটা তো যেগুলোন হয়ে গেছে সেটা তো আছে, কিন্তু আপনার যেন আপনারা অতীতে যেভাবে পেতেন সেভাবে যেন পারবেন-সে ব্যবস্থাটা করা হবে। তবে একটু সময় দিবেন, যদি বলেন যে আগামীকালকেই দিতে হবে সেটা হবে না। তো একটু সময় দিয়েন, যাতে পদ্ধতিটাকে একটু আবার রিস্টাবলিশ করতে একটু সময় লাগে।”