চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাদক কারবারি আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুল (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি আক্তারসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব। এই ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও সহযোগীদের ধরতে এখনো চলছে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ঢাকার নবাবগঞ্জ ও মোহাম্মদপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামি আক্তার, মুন্না, আরিফ, খোকন, মো. আসাদুল ইসলাম ও মো. শাওন। এর মধ্যে আসাদুল ও শাওনকে মোহাম্মদপুরের মেট্রোহাউজিং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। অন্যদের ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আসাদুল হত্যায় জড়িত প্রধান আসামিসহ চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া র্যাব দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। আমরা তাদের নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছি। পাশাপাশি এই ঘটনায় সহযোগী যারা রয়েছেন তাদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলমান আছে। আমরা দ্রুতই এই বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানাব।
এদিকে র্যাব-২ এর উপ-পরিচালক (মিডিয়া) মেজর এম মুবীন রহমান তাপস জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থের ভিডিও ফুটেজে দেখে মামলার পাঁচ নম্বর আসামি আসাদুল এবং ছয় নম্বর আসামি শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বেড়িবাঁধ এলাকার সাদেক খানের ইটখোলা সংলগ্ন রাস্তায় আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুলকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। তিনি বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার কালনা এলাকার জলিল সর্দারের ছেলে। পরিবার নিয়ে মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিংয়ের বি-ব্লকের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসাদুল মোহাম্মদপুর এলাকায় মাঠ পর্যায়ে মাদক কারবারী ছিলেন। মাদক বিক্রি ও টাকার লেনদেনের বিরোধে তাকে হত্যা করেছেন নিজ দলেরই লোকজন। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মাদক কারবারি আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুল (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি আক্তারসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব। এই ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও সহযোগীদের ধরতে এখনো চলছে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ঢাকার নবাবগঞ্জ ও মোহাম্মদপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামি আক্তার, মুন্না, আরিফ, খোকন, মো. আসাদুল ইসলাম ও মো. শাওন। এর মধ্যে আসাদুল ও শাওনকে মোহাম্মদপুরের মেট্রোহাউজিং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২। অন্যদের ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আসাদুল হত্যায় জড়িত প্রধান আসামিসহ চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া র্যাব দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। আমরা তাদের নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছি। পাশাপাশি এই ঘটনায় সহযোগী যারা রয়েছেন তাদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলমান আছে। আমরা দ্রুতই এই বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানাব।
এদিকে র্যাব-২ এর উপ-পরিচালক (মিডিয়া) মেজর এম মুবীন রহমান তাপস জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থের ভিডিও ফুটেজে দেখে মামলার পাঁচ নম্বর আসামি আসাদুল এবং ছয় নম্বর আসামি শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বেড়িবাঁধ এলাকার সাদেক খানের ইটখোলা সংলগ্ন রাস্তায় আসাদুল হক ওরফে লম্বু আসাদুলকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। তিনি বরিশাল জেলার গৌরনদী থানার কালনা এলাকার জলিল সর্দারের ছেলে। পরিবার নিয়ে মোহাম্মদপুরের মেট্রো হাউজিংয়ের বি-ব্লকের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আসাদুল মোহাম্মদপুর এলাকায় মাঠ পর্যায়ে মাদক কারবারী ছিলেন। মাদক বিক্রি ও টাকার লেনদেনের বিরোধে তাকে হত্যা করেছেন নিজ দলেরই লোকজন। তার বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মাদক, ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

বরিশালে একটি মসজিদকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে পারিবারিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা, জাল কাগজপত্র তৈরি, সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করেছেন আফসানা আহাম্মেদ এক নারী। এ ক্ষেত্রে মসজিদটির ইমাম স্থানীয় কয়েকজন জামায়াত নেতার পরিচয় ব্যবহার করছেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। আজ রোববার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত

ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান যখন আজ রোববার সকালে নিউ মার্কেটে নিজের কাপড়ের দোকানের শাটার তুলছিলেন, তখনো ভাবেননি সামনের কয়েকটা ঘণ্টা তাকে ক্রেতার বদলে পানির সাথে যুদ্ধ করতে হবে। শাটার খুলতেই দেখলেন, রাতের বৃষ্টিতে ততক্ষণে তার দোকানের মেঝেসহ নিচের তাকগুলো পানির নিচে। শুধু মাহবুবুর রহমানই নন, গতকাল শনিবার র