চরচা ডেস্ক

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভায় একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আজ শুক্রবার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই হামলার পেছনের মূল উদ্দেশ্য কী এবং এর সাথে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়ে গেছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, নিহত নারীর ছেলে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রায়পুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এদিকে হামলাকারী হিসেবে অভিযুক্ত অন্তর মজুমদার (২৮)-কে পরবর্তীতে ক্ষুব্ধ জনতা গণপিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। অন্তরের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি, তবে পুলিশ জানিয়েছে এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
গত বৃহস্পতিবার পৌরসভার একটি ব্যস্ত এলাকার নিজ বাসায় এক মা ও তার তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহতরা হলেন—শাহিনুর বেগম (৩৮) এবং তার তিন মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ফাতেমা আক্তার শিফা (১০)।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে চার ভুক্তভোগীর মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবার জানিয়েছে, দাফনের জন্য মরদেহগুলো তাদের পৈতৃক বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীপাড় সড়কের আমির হোসেন মাস্টারের মালিকানাধীন একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এই হামলা চালানো হয়। তাদের চিৎকার শুনে আফরোজা বেগম রানী নামে এক প্রতিবেশী জানালা দিয়ে ফ্ল্যাটের ভেতরে এক ব্যক্তিকে দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভবনের প্রধান ফটকটি বাইরে থেকে লক করে দিয়ে সন্দেহভাজনকে ভেতরে আটকে ফেলেন।
এরপর তিনি আশেপাশের বাসিন্দাদের বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা ফ্ল্যাটে ঢুকে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় ভুক্তভোগীদের পড়ে থাকতে দেখেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাদ বেয়ে পাশের একটি ভবনের মাধ্যমে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, অন্তর প্রায় দেড় বছর ওই ভবনের পঞ্চম তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে ছিলেন এবং প্রায় আট মাস আগে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেন।
তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন যে, এই হামলার পেছনে ডাকাতির কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না। কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তি জানতেন যে, ভবনের অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা শাহিনুরের কাছে ভাড়ার টাকা জমা দিতেন এবং শাহিনুরের কাছে কিছু স্বর্ণালঙ্কার ছিল।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া জানান, নিহতের ছেলের দায়ের করা অভিযোগটিকে আনুষ্ঠানিক মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, “জেলা পুলিশ এবং ডিবি (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ) এর সাদা পোশাকের সদস্যরা মাঠে ব্যাপকভাবে কাজ করছেন। ঘটনাটি তদন্তে একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ড. অরূপ পাল জানান, চার ভুক্তভোগীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, “তাদের প্রত্যেকেরই মাথায়, বুকে, হাতে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।”

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভায় একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আজ শুক্রবার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই হামলার পেছনের মূল উদ্দেশ্য কী এবং এর সাথে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়ে গেছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, নিহত নারীর ছেলে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রায়পুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এদিকে হামলাকারী হিসেবে অভিযুক্ত অন্তর মজুমদার (২৮)-কে পরবর্তীতে ক্ষুব্ধ জনতা গণপিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। অন্তরের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি, তবে পুলিশ জানিয়েছে এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
গত বৃহস্পতিবার পৌরসভার একটি ব্যস্ত এলাকার নিজ বাসায় এক মা ও তার তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
নিহতরা হলেন—শাহিনুর বেগম (৩৮) এবং তার তিন মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ফাতেমা আক্তার শিফা (১০)।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে চার ভুক্তভোগীর মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবার জানিয়েছে, দাফনের জন্য মরদেহগুলো তাদের পৈতৃক বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা নদীপাড় সড়কের আমির হোসেন মাস্টারের মালিকানাধীন একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এই হামলা চালানো হয়। তাদের চিৎকার শুনে আফরোজা বেগম রানী নামে এক প্রতিবেশী জানালা দিয়ে ফ্ল্যাটের ভেতরে এক ব্যক্তিকে দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভবনের প্রধান ফটকটি বাইরে থেকে লক করে দিয়ে সন্দেহভাজনকে ভেতরে আটকে ফেলেন।
এরপর তিনি আশেপাশের বাসিন্দাদের বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা ফ্ল্যাটে ঢুকে মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় ভুক্তভোগীদের পড়ে থাকতে দেখেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাদ বেয়ে পাশের একটি ভবনের মাধ্যমে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও স্থানীয়রা তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, অন্তর প্রায় দেড় বছর ওই ভবনের পঞ্চম তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে ছিলেন এবং প্রায় আট মাস আগে তিনি বাসাটি ছেড়ে দেন।
তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন যে, এই হামলার পেছনে ডাকাতির কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না। কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তি জানতেন যে, ভবনের অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা শাহিনুরের কাছে ভাড়ার টাকা জমা দিতেন এবং শাহিনুরের কাছে কিছু স্বর্ণালঙ্কার ছিল।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া জানান, নিহতের ছেলের দায়ের করা অভিযোগটিকে আনুষ্ঠানিক মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, “জেলা পুলিশ এবং ডিবি (ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ) এর সাদা পোশাকের সদস্যরা মাঠে ব্যাপকভাবে কাজ করছেন। ঘটনাটি তদন্তে একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ড. অরূপ পাল জানান, চার ভুক্তভোগীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি বলেন, “তাদের প্রত্যেকেরই মাথায়, বুকে, হাতে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।”