চরচা ডেস্ক

বিশ্বের অন্তত ৩৪০ কোটি মানুষের নিরাপদ ও উপযুক্ত আবাসন সুবিধা নেই। ইউএন হ্যাবিট্যাটের ওয়ার্ল্ড সিটিজ রিপোর্ট ২০২৬ এ এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দশকের পর দশক ধরে আবাসন খাতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট বাস্তুচ্যুতিরই চূড়ান্ত ফল হলো আজকের এই বৈশ্বিক আবাসন সংকট।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৪০ কোটির মধ্যে ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ বাস করছেন বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক বসতি ও বস্তিতে। এসব জায়গায় নেই কোনো স্থায়ী মালিকানা, রয়েছে অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ, পরিবেশগত ঝুঁকি এবং মৌলিক নাগরিক সুবিধার তীব্র অভাব। আবাসনকে আন্তর্জাতিকভাবে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও, এই সংকট নিরসনে অগ্রগতি এখনো অত্যন্ত হতাশাজনক বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।
২০১০ সালে বৈশ্বিক আবাসনের এই ঘাটতি ছিল ২৫ কোটি ১০ লাখ ইউনিট। যা ২০২৩ সালে বেড়ে হয়েছে ২৮ কোটি ৮০ লাখ ইউনিট। একই সঙ্গে যুদ্ধ, সহিংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাধ্য হয়ে মানুষের ভিটা-মাটি ছাড়ার প্রবণতা ক্রমাগত বাড়ছে।
ইউএন হ্যাবিট্যাটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে অন্তত ৬ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে তাদের বাসস্থান থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, যা তাদের জীবনজীবিকা, নিরাপত্তা এবং সামাজিক মর্যাদার ওপর মারাত্মক আঘাত হেনেছে।
ওয়ার্ল্ড সিটিজ রিপোর্ট ২০২৬ এ স্পষ্ট করা হয়েছে, উপযুক্ত আবাসন কেবল মাথার ওপর একটা ছাদ পাওয়ার বিষয় নয়। এটি টেকসই নগর উন্নয়ন এবং মানুষের ভালো থাকার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। একটি ভালো আবাসন মানুষের কর্মসংস্থান, জনসেবা, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আবাসন খাতের উন্নয়ন অপরিহার্য।
দারিদ্র্য বিমোচন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং বস্তি অঞ্চলগুলোর খোলনলচে বদলে দিতে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক স্থানে আবাসন নিশ্চিত করার ওপর এই প্রতিবেদনে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আবাসনকে জলবায়ু মোকাবিলা এবং পরিবেশবান্ধব নগর গড়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর জন্য প্রয়োজন জ্বালানি-সাশ্রয়ী, কম কার্বন নিঃসরণকারী আবাসন ব্যবস্থা এবং টেকসই নগর অবকাঠামো।
বস্তি বা অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোকে শহরের বাইরে না ঠেলে, সেগুলোকে শহরেরই অংশ হিসেবে মেনে নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পরিশেষে, এই প্রতিবেদনটি বিশ্বের সব দেশের সরকার ও অংশীজনদের আবাসনকে মানুষের একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে পুনর্বিবেচনা করার এবং একটি সবুজ, সাম্যবাদী ও দুর্যোগ-সহনশীল ভবিষ্যৎ নগরী গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছে।

বিশ্বের অন্তত ৩৪০ কোটি মানুষের নিরাপদ ও উপযুক্ত আবাসন সুবিধা নেই। ইউএন হ্যাবিট্যাটের ওয়ার্ল্ড সিটিজ রিপোর্ট ২০২৬ এ এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দশকের পর দশক ধরে আবাসন খাতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট বাস্তুচ্যুতিরই চূড়ান্ত ফল হলো আজকের এই বৈশ্বিক আবাসন সংকট।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৪০ কোটির মধ্যে ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ বাস করছেন বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক বসতি ও বস্তিতে। এসব জায়গায় নেই কোনো স্থায়ী মালিকানা, রয়েছে অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ, পরিবেশগত ঝুঁকি এবং মৌলিক নাগরিক সুবিধার তীব্র অভাব। আবাসনকে আন্তর্জাতিকভাবে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও, এই সংকট নিরসনে অগ্রগতি এখনো অত্যন্ত হতাশাজনক বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।
২০১০ সালে বৈশ্বিক আবাসনের এই ঘাটতি ছিল ২৫ কোটি ১০ লাখ ইউনিট। যা ২০২৩ সালে বেড়ে হয়েছে ২৮ কোটি ৮০ লাখ ইউনিট। একই সঙ্গে যুদ্ধ, সহিংসতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাধ্য হয়ে মানুষের ভিটা-মাটি ছাড়ার প্রবণতা ক্রমাগত বাড়ছে।
ইউএন হ্যাবিট্যাটের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে অন্তত ৬ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে তাদের বাসস্থান থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, যা তাদের জীবনজীবিকা, নিরাপত্তা এবং সামাজিক মর্যাদার ওপর মারাত্মক আঘাত হেনেছে।
ওয়ার্ল্ড সিটিজ রিপোর্ট ২০২৬ এ স্পষ্ট করা হয়েছে, উপযুক্ত আবাসন কেবল মাথার ওপর একটা ছাদ পাওয়ার বিষয় নয়। এটি টেকসই নগর উন্নয়ন এবং মানুষের ভালো থাকার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। একটি ভালো আবাসন মানুষের কর্মসংস্থান, জনসেবা, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আবাসন খাতের উন্নয়ন অপরিহার্য।
দারিদ্র্য বিমোচন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং বস্তি অঞ্চলগুলোর খোলনলচে বদলে দিতে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক স্থানে আবাসন নিশ্চিত করার ওপর এই প্রতিবেদনে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আবাসনকে জলবায়ু মোকাবিলা এবং পরিবেশবান্ধব নগর গড়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর জন্য প্রয়োজন জ্বালানি-সাশ্রয়ী, কম কার্বন নিঃসরণকারী আবাসন ব্যবস্থা এবং টেকসই নগর অবকাঠামো।
বস্তি বা অনানুষ্ঠানিক বসতিগুলোকে শহরের বাইরে না ঠেলে, সেগুলোকে শহরেরই অংশ হিসেবে মেনে নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে নিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পরিশেষে, এই প্রতিবেদনটি বিশ্বের সব দেশের সরকার ও অংশীজনদের আবাসনকে মানুষের একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে পুনর্বিবেচনা করার এবং একটি সবুজ, সাম্যবাদী ও দুর্যোগ-সহনশীল ভবিষ্যৎ নগরী গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছে।

বিশ্বের অন্তত ৩৪০ কোটি মানুষের নিরাপদ ও উপযুক্ত আবাসন সুবিধা নেই। ইউএন হ্যাবিট্যাটের ওয়ার্ল্ড সিটিজ রিপোর্ট ২০২৬ এ এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দশকের পর দশক ধরে আবাসন খাতে অপর্যাপ্ত বিনিয়োগ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট বাস্তুচ্যুতি