চরচা প্রতিবেদক

টেলিভিশন সাংবাদিকদের চাকরি পরিবর্তনে ‘অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাধ্যতামূলক’ করায় অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) নির্দেশনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
ঢাকায় কর্মরত গণমাধ্যম প্রতিবেদকদের সংগঠনটি বলেছে, এ নির্দেশনা সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও শ্রম অধিকারের পরিপন্থী।
গতকাল রোববার ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, সাংবাদিকদের কর্মস্থল বেছে নেওয়া, চাকরি পরিবর্তন করা এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার রয়েছে। কোনো মালিকপক্ষ বা সংগঠন একতরফাভাবে সেই অধিকার সীমিত করতে পারে না।
এর আগে অ্যাটকো এক ‘বিশেষ জরুরি বিজ্ঞপ্তি’ জারি করে জানায়, টেলিভিশন চ্যানেলে কর্মরত বা চাকরি ছাড়তে ইচ্ছুক সাংবাদিক ও কর্মীদের বর্তমান বা সর্বশেষ কর্মস্থল থেকে এনওসি নিতে হবে। অন্যথায় সেটিকে ‘বিধিবহির্ভূত’ হিসেবে বিবেচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশের পর থেকেই সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। অনেক সাংবাদিক প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো বেসরকারি মালিকদের সংগঠন চাকরি পরিবর্তনের মতো ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিষয়ে এ ধরনের শর্ত আরোপ করতে পারে কি না?
ডিআরইউ বলছে, এনওসি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত শ্রম আইন ও সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরিপন্থী। সংগঠনটির মতে, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীন চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং সাংবাদিকদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি চাকরির বাজারে চলাচল, বেতন কাঠামো ও কর্মপরিবেশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ডিআরইউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত টেলিভিশন খাতে কর্মপরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলবে এবং সাংবাদিকদের শ্রম অধিকার প্রশ্নে নতুন সংকট তৈরি করবে।
বিবৃতিতে সংগঠনটি তিনটি দাবি জানিয়েছে। সেগুলো হলো–অবিলম্বে অ্যাটকোর এনওসি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা প্রত্যাহার, সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও শ্রম অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো এবং গণমাধ্যম খাতে স্বচ্ছ ও মানবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।
অ্যাটকোর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, কোনো সাংবাদিক বা কর্মী চাকরি পরিবর্তন করতে চাইলে তাকে অবশ্যই বর্তমান বা সর্বশেষ কর্মস্থল থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংগ্রহ করতে হবে। এই শর্ত পূরণ না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিধিবহির্ভূত হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।

টেলিভিশন সাংবাদিকদের চাকরি পরিবর্তনে ‘অনাপত্তিপত্র (এনওসি) বাধ্যতামূলক’ করায় অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) নির্দেশনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
ঢাকায় কর্মরত গণমাধ্যম প্রতিবেদকদের সংগঠনটি বলেছে, এ নির্দেশনা সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও শ্রম অধিকারের পরিপন্থী।
গতকাল রোববার ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, সাংবাদিকদের কর্মস্থল বেছে নেওয়া, চাকরি পরিবর্তন করা এবং স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকার রয়েছে। কোনো মালিকপক্ষ বা সংগঠন একতরফাভাবে সেই অধিকার সীমিত করতে পারে না।
এর আগে অ্যাটকো এক ‘বিশেষ জরুরি বিজ্ঞপ্তি’ জারি করে জানায়, টেলিভিশন চ্যানেলে কর্মরত বা চাকরি ছাড়তে ইচ্ছুক সাংবাদিক ও কর্মীদের বর্তমান বা সর্বশেষ কর্মস্থল থেকে এনওসি নিতে হবে। অন্যথায় সেটিকে ‘বিধিবহির্ভূত’ হিসেবে বিবেচনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশের পর থেকেই সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। অনেক সাংবাদিক প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো বেসরকারি মালিকদের সংগঠন চাকরি পরিবর্তনের মতো ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিষয়ে এ ধরনের শর্ত আরোপ করতে পারে কি না?
ডিআরইউ বলছে, এনওসি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত শ্রম আইন ও সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরিপন্থী। সংগঠনটির মতে, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীন চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং সাংবাদিকদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি চাকরির বাজারে চলাচল, বেতন কাঠামো ও কর্মপরিবেশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ডিআরইউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত টেলিভিশন খাতে কর্মপরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তুলবে এবং সাংবাদিকদের শ্রম অধিকার প্রশ্নে নতুন সংকট তৈরি করবে।
বিবৃতিতে সংগঠনটি তিনটি দাবি জানিয়েছে। সেগুলো হলো–অবিলম্বে অ্যাটকোর এনওসি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা প্রত্যাহার, সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও শ্রম অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো এবং গণমাধ্যম খাতে স্বচ্ছ ও মানবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।
অ্যাটকোর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, কোনো সাংবাদিক বা কর্মী চাকরি পরিবর্তন করতে চাইলে তাকে অবশ্যই বর্তমান বা সর্বশেষ কর্মস্থল থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংগ্রহ করতে হবে। এই শর্ত পূরণ না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বিধিবহির্ভূত হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।