চরচা প্রতিবেদক

টার্গেট যখন প্রায় দুইশ ছুঁইছুঁই, তখন ইনিংসের শুরু থেকেই দরকার ছিল আগ্রাসনের। ওপেনাররা শুরুটাও করেছিলেন সেভাবেই। তবে ম্যাচ যত এগিয়ে গেল, ততই যেন কমে গেল তাদের রানের গতি। শেষের দিকে তাওহীদ হৃদয় ক্যামিও খেললেন বটে, তবে কাজের কাজ আর হলো না। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া।
চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ৭ রানে। ১৯৭ রানের টার্গেটে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে।
বিশাল রান তাড়ায় শুরুটা যেমন দরকার ছিল, ঠিক তেমনটাই করেছিলেন তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান। ৩ ওভারেই বোর্ডে জমা হয় ৩২ রান। তবে ম্যাট রেনশর নিরীহ স্পিনে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে তানজিদ (৩০) আউট হওয়াটাই হয়ে দাঁড়ায় ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট।
অভিজ্ঞ সৌম্য সরকার (১৫) অ্যাডাম জাম্পা আক্রমণে আসতেই তাকে উইকেট উপহার দিয়ে আসেন। তৃতীয় উইকেটে এরপর পারভেজ হোসেন ইমনকে নিয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন সাইফ। তবে তিনি নিজেই দলের বিপদ বাড়ান ডট বল খেলে।
এমনকি ফুল টস ডেলিভারিতেও সাইফ বল সোজা পাঠিয়েছেন ফিল্ডারের হাতে। সিঙ্গেলস না বের করতে পেরে বাড়িয়েছেন চাপ। ৩টি চার ও ২ ছক্কার পরও তাই ৪২ রান করতে বল খেলে ফেলেন ৩৩টি।
আর সেটাই অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে যায় ভালো অবস্থানে। পারভেজ অনেক চেষ্টা করেছিলেন, তবে বল আর রানের ব্যবধান আর কমাতে পারেননি সেভাবে। তার ৩৬ রানের ইনিংস তাও কিছুটা আশার সঞ্চার করে বাংলাদশ শিবিরে।
তবে বল হাতে চার ওভারে ৫৩ রান দেওয়া আবদুল সাকলাইন গাফফার নিজের অলরাউন্ডার তকমার প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ হন। দলের প্রয়োজন যখন মারকুটে ব্যাটিংয়ের, তখন তিনি এলোপাতাড়ি ব্যাট চালিয়েছেন। ১৯তম ওভারে পাঁচ বল খেলে রান করেছেন মাত্র ৫। বাউন্ডারিতেও ছিল না টাইমিং।
শেষ ওভারে ২৩ রানের সমীকরণ মেলানো ছিল ভীষণ কঠিন। সেটা আর পারেনি বাংলাদেশ। অ্যারন হার্ডিকে একটি চার ও ছক্কা মারলেও শেষ রক্ষা আর করতে পারেননি অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। বিফলে যায় তার ৩৫ রানের ইনিংস। আর সাকলাইন অপরাজিত থাকেন ১১ বলে ১৩ রানে।

টার্গেট যখন প্রায় দুইশ ছুঁইছুঁই, তখন ইনিংসের শুরু থেকেই দরকার ছিল আগ্রাসনের। ওপেনাররা শুরুটাও করেছিলেন সেভাবেই। তবে ম্যাচ যত এগিয়ে গেল, ততই যেন কমে গেল তাদের রানের গতি। শেষের দিকে তাওহীদ হৃদয় ক্যামিও খেললেন বটে, তবে কাজের কাজ আর হলো না। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া।
চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ৭ রানে। ১৯৭ রানের টার্গেটে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে।
বিশাল রান তাড়ায় শুরুটা যেমন দরকার ছিল, ঠিক তেমনটাই করেছিলেন তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান। ৩ ওভারেই বোর্ডে জমা হয় ৩২ রান। তবে ম্যাট রেনশর নিরীহ স্পিনে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে তানজিদ (৩০) আউট হওয়াটাই হয়ে দাঁড়ায় ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট।
অভিজ্ঞ সৌম্য সরকার (১৫) অ্যাডাম জাম্পা আক্রমণে আসতেই তাকে উইকেট উপহার দিয়ে আসেন। তৃতীয় উইকেটে এরপর পারভেজ হোসেন ইমনকে নিয়ে ৫৩ রানের জুটি গড়েন সাইফ। তবে তিনি নিজেই দলের বিপদ বাড়ান ডট বল খেলে।
এমনকি ফুল টস ডেলিভারিতেও সাইফ বল সোজা পাঠিয়েছেন ফিল্ডারের হাতে। সিঙ্গেলস না বের করতে পেরে বাড়িয়েছেন চাপ। ৩টি চার ও ২ ছক্কার পরও তাই ৪২ রান করতে বল খেলে ফেলেন ৩৩টি।
আর সেটাই অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে যায় ভালো অবস্থানে। পারভেজ অনেক চেষ্টা করেছিলেন, তবে বল আর রানের ব্যবধান আর কমাতে পারেননি সেভাবে। তার ৩৬ রানের ইনিংস তাও কিছুটা আশার সঞ্চার করে বাংলাদশ শিবিরে।
তবে বল হাতে চার ওভারে ৫৩ রান দেওয়া আবদুল সাকলাইন গাফফার নিজের অলরাউন্ডার তকমার প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ হন। দলের প্রয়োজন যখন মারকুটে ব্যাটিংয়ের, তখন তিনি এলোপাতাড়ি ব্যাট চালিয়েছেন। ১৯তম ওভারে পাঁচ বল খেলে রান করেছেন মাত্র ৫। বাউন্ডারিতেও ছিল না টাইমিং।
শেষ ওভারে ২৩ রানের সমীকরণ মেলানো ছিল ভীষণ কঠিন। সেটা আর পারেনি বাংলাদেশ। অ্যারন হার্ডিকে একটি চার ও ছক্কা মারলেও শেষ রক্ষা আর করতে পারেননি অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। বিফলে যায় তার ৩৫ রানের ইনিংস। আর সাকলাইন অপরাজিত থাকেন ১১ বলে ১৩ রানে।

এসআই আরও জানান, এই ঘটনায় মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহত রিক্তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার শাহিনের মেয়ে। ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।