চরচা ডেস্ক

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া ভোটার স্থানান্তরের তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে বিএনপি। আজ রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এই অভিযোগ করেন।
দলটির অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিকভাবে ভোটার স্থানান্তর হলেও ইসি যে হিসাব দিচ্ছে, তা বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন নয়।
ইসি দাবি করেছে কোনো আসনেই ২-৩ হাজারের বেশি ভোটার স্থানান্তর হয়নি। বিএনপি এই তথ্যে অসন্তুষ্টি জানিয়ে বলেছে, ইসিকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি হোল্ডিং নম্বরে ২০-২৫ জন ভোটারের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, যা অস্বাভাবিক।
বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “বিএনসিসি ছাত্রদের নির্বাচনে যুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছিল। জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের জড়ানো ঠিক হবে না। সেক্ষেত্রে তাদের প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত হতে পারে। এরপর স্কাউট, গার্লস গাইডদের যুক্ত করার কথা আসতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেই শুধু নির্বাচনের কাজে রাখা উচিত।”
নির্বাচনের সময় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার উদ্যোগ প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “নির্বাচনের দিন বিভিন্ন এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার নামে একটা করে শান্তি কমিটি গঠনের আলোচনা শুনেছি। শান্তি কমিটি শব্দটাই আমাদের জন্য আপত্তিকর। ইসি বলেছে এমন কমিটির ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না। নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কাজ করছে বলে শুনেছি। কিন্তু তারা স্থানীয় কেউ না। নির্বাচনের দুইদিন আগে তারা যেন সেসব এলাকা ছেড়ে চলে যায় সেটির ব্যাপারে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি।”

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া ভোটার স্থানান্তরের তথ্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছে বিএনপি। আজ রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এই অভিযোগ করেন।
দলটির অভিযোগ, বিভিন্ন এলাকায় অস্বাভাবিকভাবে ভোটার স্থানান্তর হলেও ইসি যে হিসাব দিচ্ছে, তা বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন নয়।
ইসি দাবি করেছে কোনো আসনেই ২-৩ হাজারের বেশি ভোটার স্থানান্তর হয়নি। বিএনপি এই তথ্যে অসন্তুষ্টি জানিয়ে বলেছে, ইসিকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি হোল্ডিং নম্বরে ২০-২৫ জন ভোটারের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, যা অস্বাভাবিক।
বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “বিএনসিসি ছাত্রদের নির্বাচনে যুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছিল। জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের জড়ানো ঠিক হবে না। সেক্ষেত্রে তাদের প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত হতে পারে। এরপর স্কাউট, গার্লস গাইডদের যুক্ত করার কথা আসতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেই শুধু নির্বাচনের কাজে রাখা উচিত।”
নির্বাচনের সময় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার উদ্যোগ প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “নির্বাচনের দিন বিভিন্ন এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার নামে একটা করে শান্তি কমিটি গঠনের আলোচনা শুনেছি। শান্তি কমিটি শব্দটাই আমাদের জন্য আপত্তিকর। ইসি বলেছে এমন কমিটির ব্যাপারে তারা কিছু জানেন না। নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে কাজ করছে বলে শুনেছি। কিন্তু তারা স্থানীয় কেউ না। নির্বাচনের দুইদিন আগে তারা যেন সেসব এলাকা ছেড়ে চলে যায় সেটির ব্যাপারে আমরা অনুরোধ জানিয়েছি।”