চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) এহসার সদস্য আহসান জহীর খানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। আজ সোমবার ডিএমপির মিডিয়া শাখার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল রোববার রাত ৭টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যান লেকের দক্ষিণ–পশ্চিম পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আহসান জহীর খান নব্য জেএমবির সক্রিয় সদস্য।
সিটিটিসি জানায়, আহসান ও তার পলাতক সহযোগীরা নব্য জেএমবির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতে সেখানে একত্রিত হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনায় তারা ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের গ্রুপ চ্যাট, ব্যক্তিগত চ্যাট ও বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করত। নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ভিন্ন ভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করে তারা অনলাইনে যোগাযোগ বজায় রাখত এবং উগ্রবাদী আদর্শ বাস্তবায়নে সক্রিয় ছিল।
ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তার আহসানের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। এছাড়া শেরেবাংলা নগর থানায় দায়েরকৃত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) এহসার সদস্য আহসান জহীর খানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। আজ সোমবার ডিএমপির মিডিয়া শাখার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল রোববার রাত ৭টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যান লেকের দক্ষিণ–পশ্চিম পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আহসান জহীর খান নব্য জেএমবির সক্রিয় সদস্য।
সিটিটিসি জানায়, আহসান ও তার পলাতক সহযোগীরা নব্য জেএমবির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতে সেখানে একত্রিত হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনায় তারা ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের গ্রুপ চ্যাট, ব্যক্তিগত চ্যাট ও বিভিন্ন চ্যানেল ব্যবহার করত। নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ভিন্ন ভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করে তারা অনলাইনে যোগাযোগ বজায় রাখত এবং উগ্রবাদী আদর্শ বাস্তবায়নে সক্রিয় ছিল।
ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তার আহসানের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। এছাড়া শেরেবাংলা নগর থানায় দায়েরকৃত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।