চরচা ডেস্ক

প্রথমে অস্ট্রেলিয়া, তারপর একে একে ডেনমার্ক, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড আর এবারে ফ্রান্স শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।
১৫ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির লক্ষ্যে গতকাল সোমবার ফরাসি পার্লামেন্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের ওপর ভোটাভুটি হয়েছে। তবে প্যারিসের অধিকাংশ তরুণ মনে করছেন, এই নিষেধাজ্ঞা কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে এটি কার্যকর করা প্রায় অসম্ভব।
মূলত ২০২৪ সালে পূর্ব ফ্রান্সে একটি স্কুলে মর্মান্তিক ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এই পদক্ষেপের ঘোষণা দেন।
প্রেসিডেন্ট মাখোঁ তরুণদের মধ্যে বাড়তে থাকা সহিংসতার পেছনে সোশ্যাল মিডিয়াকে অন্যতম উসকানিদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতেও এই ধরনের কঠোর আইন প্রণয়নের পক্ষে জোর প্রচার চালাচ্ছেন।
তবে প্যারিসের রাস্তায় তরুণদের সাথে কথা বলে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেক কিশোরের মতে, প্রযুক্তিগতভাবে এই বিধিনিষেধ এড়িয়ে যাওয়ার অনেক পথ খোলা আছে, ফলে কেবল আইন করে তরুণদের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে দূরে রাখা যাবে না।
কেবল ফ্রান্স নয়, বিশ্বজুড়েই বর্তমানে শিশুদের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের প্রবণতা কমিয়ে আনতে বিভিন্ন দেশ নানাবিধ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ফরাসি পার্লামেন্টের এই বিলটি মূলত সেই বিশ্বব্যাপী প্রচারণারই একটি অংশ।

প্রথমে অস্ট্রেলিয়া, তারপর একে একে ডেনমার্ক, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড আর এবারে ফ্রান্স শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করার পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।
১৫ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির লক্ষ্যে গতকাল সোমবার ফরাসি পার্লামেন্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের ওপর ভোটাভুটি হয়েছে। তবে প্যারিসের অধিকাংশ তরুণ মনে করছেন, এই নিষেধাজ্ঞা কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে এটি কার্যকর করা প্রায় অসম্ভব।
মূলত ২০২৪ সালে পূর্ব ফ্রান্সে একটি স্কুলে মর্মান্তিক ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এই পদক্ষেপের ঘোষণা দেন।
প্রেসিডেন্ট মাখোঁ তরুণদের মধ্যে বাড়তে থাকা সহিংসতার পেছনে সোশ্যাল মিডিয়াকে অন্যতম উসকানিদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতেও এই ধরনের কঠোর আইন প্রণয়নের পক্ষে জোর প্রচার চালাচ্ছেন।
তবে প্যারিসের রাস্তায় তরুণদের সাথে কথা বলে এক মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেক কিশোরের মতে, প্রযুক্তিগতভাবে এই বিধিনিষেধ এড়িয়ে যাওয়ার অনেক পথ খোলা আছে, ফলে কেবল আইন করে তরুণদের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে দূরে রাখা যাবে না।
কেবল ফ্রান্স নয়, বিশ্বজুড়েই বর্তমানে শিশুদের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের প্রবণতা কমিয়ে আনতে বিভিন্ন দেশ নানাবিধ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ফরাসি পার্লামেন্টের এই বিলটি মূলত সেই বিশ্বব্যাপী প্রচারণারই একটি অংশ।