চরচা প্রতিবেদক

মেয়েদের ফুটবল দল এখন এশিয়ান কাপ অভিষেকের অপেক্ষায়। সিডনিতে মঙ্গলবার চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এক দারুণ মুহূর্তে পা রাখবেন আফঈদা, ঋতুপর্না, মনিকা, মারিয়া, রুপনারা। ১৯৮০ সালে কাজী সালাহউদ্দীন, আশরাফউদ্দিন চুন্নু, শহীদুর রহমান শান্টুরা কুয়েতে এশিয়ান কাপ ফুটবলের চূড়ান্তপর্বে খেলেছিলেন। সেটিই শেষ। গত ৪৬ বছরে এশিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশের। চার দশকের বেশি সময় পরে নারী ফুটবল দল খেলছে এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে। এশিয়ার শীর্ষ ১২ দলের একটি হয়ে এশিয়ান কাপে খেলাটা বাংলাদেশের ফুটবলের একটি বিশাল ঘটনা।
বাংলাদেশের মেয়েরা এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে খেলবে, সেটি বিশ্বাস করার খুব বেশি মানুষ ছিল না বাছাইপর্বের সময়ও। বাংলাদেশের সামনে বড় বাধা ছিল মিয়ানমার, ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৭৩ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটিকে ঋতুপর্না, মারিয়া মান্ডারা হারাতে পারবেন কিনা, সেটি নিয়ে সন্দেহ ছিল যথেষ্টই। সেই দলটিকেই হারিয়ে দিয়ে এশিয়ান কাপ নিশ্চিত করে ফেলল বাংলাদেশ। দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সেটি ছিল অবিশ্বাস্য এক ঘটনা।
বিশ্বাস–অবিশ্বাসের ব্যবধান ঘুচিয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে কোয়ালিফাই করেছে বাংলাদেশ। এদেশের খেলাধুলায় ব্যাপারটি যে কত বড় ঘটনা, সেটি অনুধাবন করা আদৌ গেছে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে বিস্তর। জুলাই মাসে এশিয়ান কাপে কোয়ালিফাই করার পর প্রস্তুতির জন্য ৭ মাস হাতে পেলেও দল অস্ট্রেলিয়া গেছে প্রস্তুতির অতৃপ্তি নিয়েই। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা নিয়েও আছে অতৃপ্তি।
তবে সব অতৃপ্তিকে মেনে নিয়েও মঙ্গলবার খুব সম্ভবত বাংলাদেশ নারী দল নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি খেলতে নামবে মঙ্গলবার, চীনের বিপক্ষে। সিডনির ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে হবে খেলাটি। ম্যাচের আগে আজ সিডনিতে সংবাদ সম্মেলনে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন নারী দলের কোচ পিটার বাটলার। চীনের বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অসম এক লড়াই। সে কারণেই হয়তো বাস্তবতা মেনেই নিজেকে হালকা রাখতে চেয়েছিলেন ইংলিশ কোচ। মজা করেই বলেছেন, “আমরা গুলিস্তানে ক্যাম্প করে এসেছি। এখন করছি অস্ট্রেলিয়াতে।”

তিনি এশিয়ান কাপ খেলার গর্ব গায়ে মেখেই বাস্তববাদীই হতে অনুরোধ করেছেন সবাইকে, “বাস্তবতা বোঝার জন্য বলছি, যাতে কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা না করা হয়। তবে সামর্থ্যের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”
ঢাকা ছাড়ার আগে বাফুফে ভবনের শেষ সংবাদ সম্মেলনে কেন যেন একটু রাগান্বিত ছিলেন কোচ। কিছু কথাবার্তা সংবাদ সম্মেলনে বসে বিতর্কিতও মনে হয়েছিল। মনে হয়েছিল কোচের সঙ্গে বাফুফের নারী উইংয়ের সমন্বয়ের সুতোটা কোথাও যেন কাটা পড়েছে। আজ অবশ্য হাসিমুখে বাটলার সেদিনের একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘‘আমি রাগ করি না। আমি বাস্তববাদী। প্রস্তুতিই সবকিছু। যদি ভালোভাবে প্রস্তুতি না নেওয়া যায়, ফলাফলের আশা না করাই ভালো। তবে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় এসে যা করেছি, তা যথেষ্ট।”
চীনের সঙ্গে ম্যাচটি তাই মান সম্মান ধরে রাখারই লড়াই। তো, কী কৌশল নেবেন বাটলার? বাংলাদেশের কোচ স্পষ্ট করেছেন, রক্ষণের খোলসে আটকে থাকবেন না তিনি, “ফলাফল যা–ই হোক, আমরা বাস পার্ক করার মতো দল নই। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরুক এবং স্বাধীনভাবে ফুটবল খেলুক।”
চীনের বিপক্ষে গোল ব্যবধান কতটা সীমিত রাখা সম্ভব? এসব নিয়ে ভাবছেনই না বাটলার। তিনি চান ম্যাচটাকে, উপলক্ষটা সবাই উপভোগ করুক, ‘খেলার আনন্দ ও কৌশল বজায় রাখব। জয় না হোক, আমরা টুর্নামেন্টকে সম্মান জানাব এবং সততার সঙ্গে খেলব। জীবনে অনেক সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।’

মেয়েদের ফুটবল দল এখন এশিয়ান কাপ অভিষেকের অপেক্ষায়। সিডনিতে মঙ্গলবার চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এক দারুণ মুহূর্তে পা রাখবেন আফঈদা, ঋতুপর্না, মনিকা, মারিয়া, রুপনারা। ১৯৮০ সালে কাজী সালাহউদ্দীন, আশরাফউদ্দিন চুন্নু, শহীদুর রহমান শান্টুরা কুয়েতে এশিয়ান কাপ ফুটবলের চূড়ান্তপর্বে খেলেছিলেন। সেটিই শেষ। গত ৪৬ বছরে এশিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশের। চার দশকের বেশি সময় পরে নারী ফুটবল দল খেলছে এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে। এশিয়ার শীর্ষ ১২ দলের একটি হয়ে এশিয়ান কাপে খেলাটা বাংলাদেশের ফুটবলের একটি বিশাল ঘটনা।
বাংলাদেশের মেয়েরা এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে খেলবে, সেটি বিশ্বাস করার খুব বেশি মানুষ ছিল না বাছাইপর্বের সময়ও। বাংলাদেশের সামনে বড় বাধা ছিল মিয়ানমার, ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৭৩ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটিকে ঋতুপর্না, মারিয়া মান্ডারা হারাতে পারবেন কিনা, সেটি নিয়ে সন্দেহ ছিল যথেষ্টই। সেই দলটিকেই হারিয়ে দিয়ে এশিয়ান কাপ নিশ্চিত করে ফেলল বাংলাদেশ। দেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সেটি ছিল অবিশ্বাস্য এক ঘটনা।
বিশ্বাস–অবিশ্বাসের ব্যবধান ঘুচিয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে কোয়ালিফাই করেছে বাংলাদেশ। এদেশের খেলাধুলায় ব্যাপারটি যে কত বড় ঘটনা, সেটি অনুধাবন করা আদৌ গেছে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যাচ্ছে বিস্তর। জুলাই মাসে এশিয়ান কাপে কোয়ালিফাই করার পর প্রস্তুতির জন্য ৭ মাস হাতে পেলেও দল অস্ট্রেলিয়া গেছে প্রস্তুতির অতৃপ্তি নিয়েই। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলা নিয়েও আছে অতৃপ্তি।
তবে সব অতৃপ্তিকে মেনে নিয়েও মঙ্গলবার খুব সম্ভবত বাংলাদেশ নারী দল নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি খেলতে নামবে মঙ্গলবার, চীনের বিপক্ষে। সিডনির ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে হবে খেলাটি। ম্যাচের আগে আজ সিডনিতে সংবাদ সম্মেলনে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই ছিলেন নারী দলের কোচ পিটার বাটলার। চীনের বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অসম এক লড়াই। সে কারণেই হয়তো বাস্তবতা মেনেই নিজেকে হালকা রাখতে চেয়েছিলেন ইংলিশ কোচ। মজা করেই বলেছেন, “আমরা গুলিস্তানে ক্যাম্প করে এসেছি। এখন করছি অস্ট্রেলিয়াতে।”

তিনি এশিয়ান কাপ খেলার গর্ব গায়ে মেখেই বাস্তববাদীই হতে অনুরোধ করেছেন সবাইকে, “বাস্তবতা বোঝার জন্য বলছি, যাতে কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা না করা হয়। তবে সামর্থ্যের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।”
ঢাকা ছাড়ার আগে বাফুফে ভবনের শেষ সংবাদ সম্মেলনে কেন যেন একটু রাগান্বিত ছিলেন কোচ। কিছু কথাবার্তা সংবাদ সম্মেলনে বসে বিতর্কিতও মনে হয়েছিল। মনে হয়েছিল কোচের সঙ্গে বাফুফের নারী উইংয়ের সমন্বয়ের সুতোটা কোথাও যেন কাটা পড়েছে। আজ অবশ্য হাসিমুখে বাটলার সেদিনের একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘‘আমি রাগ করি না। আমি বাস্তববাদী। প্রস্তুতিই সবকিছু। যদি ভালোভাবে প্রস্তুতি না নেওয়া যায়, ফলাফলের আশা না করাই ভালো। তবে আমরা অস্ট্রেলিয়ায় এসে যা করেছি, তা যথেষ্ট।”
চীনের সঙ্গে ম্যাচটি তাই মান সম্মান ধরে রাখারই লড়াই। তো, কী কৌশল নেবেন বাটলার? বাংলাদেশের কোচ স্পষ্ট করেছেন, রক্ষণের খোলসে আটকে থাকবেন না তিনি, “ফলাফল যা–ই হোক, আমরা বাস পার্ক করার মতো দল নই। আমি চাই মেয়েরা মাঠে গিয়ে নিজেদের মেলে ধরুক এবং স্বাধীনভাবে ফুটবল খেলুক।”
চীনের বিপক্ষে গোল ব্যবধান কতটা সীমিত রাখা সম্ভব? এসব নিয়ে ভাবছেনই না বাটলার। তিনি চান ম্যাচটাকে, উপলক্ষটা সবাই উপভোগ করুক, ‘খেলার আনন্দ ও কৌশল বজায় রাখব। জয় না হোক, আমরা টুর্নামেন্টকে সম্মান জানাব এবং সততার সঙ্গে খেলব। জীবনে অনেক সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়।’