চরচা প্রতিবেদক

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটকে কমিশনিং লাইসেন্স এবং পারসোনেল অথরাইজেশন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)।
আজ বৃহস্পতিবার দেশের প্রথম পারমাণবিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কমিশনিংয়ের খবর জানান প্রকল্প পরিচালক কবীর হোসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ৭ এপ্রিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লিতে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোড করার কথা ছিল। তবে অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু ইস্যু সমাধান না হওয়ায় এবং বায়রার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে এই কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। বর্তমানে লাইসেন্স প্রাপ্তির ফলে এই প্রক্রিয়ার বাধা দূর হলো।
প্রকল্প এলাকাটিতে বর্তমানে এক বছরের জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং কেন্দ্রের পুরো মেয়াদে রাশিয়া এই জ্বালানি সরবরাহ করবে। ইউনিট-১ এর রিঅ্যাক্টরে মোট ১৬৩টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি বা ইউরেনিয়াম রড লোড করা হবে। ইউরেনিয়াম লোড করার পর চুল্লিতে ফিশন বিক্রিয়া শুরু করা হবে, যা থেকে উৎপন্ন তাপ পানিকে বাষ্পে রূপান্তর করবে। সেই বাষ্পের সাহায্যে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।
ইউরেনিয়াম লোড করতে সাধারণত ২১ থেকে ৩০ দিন সময় লাগে। জ্বালানি লোড থেকে শুরু করে গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে প্রায় ১০০ দিন বা তিন থেকে চার মাস সময় লাগতে পারে।
আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের প্রথম ভাগে প্রথম ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাণিজ্যিকভাবে গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) জানিয়েছে, রূপপুরের বিদ্যুৎ নেওয়ার জন্য জাতীয় গ্রিড এবং সঞ্চালন লাইন প্রস্তুত রয়েছে। প্রকল্পটি শুরুতে রাশিয়ার অপারেটরদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হলেও, আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে প্রশিক্ষিত বাংলাদেশি কর্মীবাহিনী এর পূর্ণ দায়িত্ব নেবে।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এই প্রকল্পের প্রতিটি ধাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং তাদের রিপোর্ট এখন পর্যন্ত ইতিবাচক রয়েছে। সব ঠিক থাকলে ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ শেষ হলে এই কেন্দ্র থেকে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটকে কমিশনিং লাইসেন্স এবং পারসোনেল অথরাইজেশন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)।
আজ বৃহস্পতিবার দেশের প্রথম পারমাণবিক এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কমিশনিংয়ের খবর জানান প্রকল্প পরিচালক কবীর হোসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ৭ এপ্রিল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লিতে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোড করার কথা ছিল। তবে অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু ইস্যু সমাধান না হওয়ায় এবং বায়রার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে এই কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। বর্তমানে লাইসেন্স প্রাপ্তির ফলে এই প্রক্রিয়ার বাধা দূর হলো।
প্রকল্প এলাকাটিতে বর্তমানে এক বছরের জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং কেন্দ্রের পুরো মেয়াদে রাশিয়া এই জ্বালানি সরবরাহ করবে। ইউনিট-১ এর রিঅ্যাক্টরে মোট ১৬৩টি ফুয়েল অ্যাসেম্বলি বা ইউরেনিয়াম রড লোড করা হবে। ইউরেনিয়াম লোড করার পর চুল্লিতে ফিশন বিক্রিয়া শুরু করা হবে, যা থেকে উৎপন্ন তাপ পানিকে বাষ্পে রূপান্তর করবে। সেই বাষ্পের সাহায্যে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।
ইউরেনিয়াম লোড করতে সাধারণত ২১ থেকে ৩০ দিন সময় লাগে। জ্বালানি লোড থেকে শুরু করে গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করতে প্রায় ১০০ দিন বা তিন থেকে চার মাস সময় লাগতে পারে।
আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের প্রথম ভাগে প্রথম ইউনিট থেকে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাণিজ্যিকভাবে গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) জানিয়েছে, রূপপুরের বিদ্যুৎ নেওয়ার জন্য জাতীয় গ্রিড এবং সঞ্চালন লাইন প্রস্তুত রয়েছে। প্রকল্পটি শুরুতে রাশিয়ার অপারেটরদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হলেও, আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে প্রশিক্ষিত বাংলাদেশি কর্মীবাহিনী এর পূর্ণ দায়িত্ব নেবে।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এই প্রকল্পের প্রতিটি ধাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং তাদের রিপোর্ট এখন পর্যন্ত ইতিবাচক রয়েছে। সব ঠিক থাকলে ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ শেষ হলে এই কেন্দ্র থেকে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব হবে।