বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালে ঝটিকা সফরে এসে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দেখে কঠোর ‘অ্যাকশনে’ গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার দুপুরে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান তিনি। পরিদর্শনের শুরুতেই টিকিট কাউন্টারে এক কর্মীকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় তাৎক্ষণিক সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এরপর তিনি চিকিৎসকদের হাজিরাখাতা গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করেন এবং ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্তমান হাম পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, টিকাদানের ধারাবাহিকতায় ঘাটতি থাকায় পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “চার বছর পর পর হামের টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও ২০২০ সালের পর সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। একসময় সরকারের হাতে হামের কোনো ভ্যাকসিন ছিল না। তবে আমরা অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে টিকা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি।”
মন্ত্রী আরও জানান, যাদের ইতোমধ্যেই টিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে অন্তত চার সপ্তাহ সময় লাগবে। এই সময়ের পর পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তবে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা আগের তুলনায় কমতে শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

বরিশালে ঝটিকা সফরে এসে হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দেখে কঠোর ‘অ্যাকশনে’ গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। আজ সোমবার দুপুরে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ বরিশাল সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে যান তিনি। পরিদর্শনের শুরুতেই টিকিট কাউন্টারে এক কর্মীকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়ায় তাৎক্ষণিক সাময়িক বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এরপর তিনি চিকিৎসকদের হাজিরাখাতা গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করেন এবং ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্তমান হাম পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, টিকাদানের ধারাবাহিকতায় ঘাটতি থাকায় পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “চার বছর পর পর হামের টিকা দেওয়ার কথা থাকলেও ২০২০ সালের পর সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। একসময় সরকারের হাতে হামের কোনো ভ্যাকসিন ছিল না। তবে আমরা অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে টিকা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি।”
মন্ত্রী আরও জানান, যাদের ইতোমধ্যেই টিকা দেওয়া হয়েছে, তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে অন্তত চার সপ্তাহ সময় লাগবে। এই সময়ের পর পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তবে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা আগের তুলনায় কমতে শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমনে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় আপনাদের রাজনৈতিক পরিচয় বা রাজনৈতিক প্রভাবের মুখোমুখি হতে হয়। আমি আজ পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, কারও রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করবেন না। যে অপরাধ করবে তাকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করবেন। আইনের প্রয়োগ সবার জন্যই সমান। আপনারা দায়িত্ব পালন করব