চরচা ডেস্ক

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীসহ তার মা ও ছোট বোনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত এক বোনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অন্তর মজুমদার নামের এক যুবককে আটক করেন স্থানীয়রা। তাদের সংঘবদ্ধ পিটুনিতে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার ভাড়া বাসায় ঘটনাটি ঘটে। তবে কী কারণে ঘটনা ঘটেছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা বলতে পারেনি কেউ।
সংঘবদ্ধ পিটুনিতে আহত হয়ে অভিযুক্ত ঘাতক অন্তর মজুমদার সদর হাসপাতালে মারা গেছেন। সদর হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. অরুপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশের ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়েছে।
নিহতরা হলেন— মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে ঢাবি শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে রায়পুরের ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।
আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে তিনি ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন। সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা অন্তর মজুমদার নামের ঘাতক যুবককে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও ঘাতককে আটক করে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, নিহত অন্তর কয়েক মাস আগে একই ভবনের আরেকটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। তিনি ফল বিক্রেতা ছিলেন।
লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, এ ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে সংঘবদ্ধ পিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকেও সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল, তবে সেখানে তারও মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি।
ঘটনাটি ঠিক কী কারণে ঘটেছে তা জানা যায়নি। তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীসহ তার মা ও ছোট বোনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত এক বোনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অন্তর মজুমদার নামের এক যুবককে আটক করেন স্থানীয়রা। তাদের সংঘবদ্ধ পিটুনিতে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বার্তা সংস্থা ইউএনবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার ভাড়া বাসায় ঘটনাটি ঘটে। তবে কী কারণে ঘটনা ঘটেছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা বলতে পারেনি কেউ।
সংঘবদ্ধ পিটুনিতে আহত হয়ে অভিযুক্ত ঘাতক অন্তর মজুমদার সদর হাসপাতালে মারা গেছেন। সদর হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. অরুপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে পুলিশের ৬-৭ জন সদস্য আহত হয়েছে।
নিহতরা হলেন— মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে ঢাবি শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে রায়পুরের ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।
আহত ইকরা রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ওই ভাড়া বাসায় থাকতেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে ৩ মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে তিনি ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন। সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা অন্তর মজুমদার নামের ঘাতক যুবককে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও ঘাতককে আটক করে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, নিহত অন্তর কয়েক মাস আগে একই ভবনের আরেকটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। তিনি ফল বিক্রেতা ছিলেন।
লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, এ ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত যুবককে সংঘবদ্ধ পিটুনি দিয়েছে জনতা। তাকেও সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিল, তবে সেখানে তারও মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি।
ঘটনাটি ঠিক কী কারণে ঘটেছে তা জানা যায়নি। তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।