চরচা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনায় ইরান অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক কোনো সাড়া এখনো পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তেহরানের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য পাকিস্তান এখনো ‘অপেক্ষা’ করছে।
বর্তমানে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি চলছে। যার মেয়াদ খুব শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে। তথ্যমন্ত্রী তারার বলেন, “এই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ইরানের সিদ্ধান্ত আসা জরুরি। পাকিস্তান সব সময়ই কূটনীতি এবং আলোচনার পথ অনুসরণ করে আসছে। চলমান উত্তজনা প্রশমনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তথ্যমন্ত্রী তারার আরও বলেন, “এই প্রেক্ষাপট গত কয়েকদিন ধরে পাকিস্তান উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করলেও তেহরানের নীরবতা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিশেষ করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে ইরানের এমন অবস্থানকে ‘ক্রিটিক্যাল’ বা অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখছে পাকিস্তান সরকার।”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনায় ইরান অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক কোনো সাড়া এখনো পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তেহরানের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য পাকিস্তান এখনো ‘অপেক্ষা’ করছে।
বর্তমানে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি চলছে। যার মেয়াদ খুব শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে। তথ্যমন্ত্রী তারার বলেন, “এই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ইরানের সিদ্ধান্ত আসা জরুরি। পাকিস্তান সব সময়ই কূটনীতি এবং আলোচনার পথ অনুসরণ করে আসছে। চলমান উত্তজনা প্রশমনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তথ্যমন্ত্রী তারার আরও বলেন, “এই প্রেক্ষাপট গত কয়েকদিন ধরে পাকিস্তান উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করলেও তেহরানের নীরবতা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিশেষ করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে ইরানের এমন অবস্থানকে ‘ক্রিটিক্যাল’ বা অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখছে পাকিস্তান সরকার।”