চরচা ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে না থাকলেও তার রাজনীতি রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, “আমরা শুধু শেখ হাসিনার শাসন অবসানের আন্দোলন করেছি। কিন্তু তার রাজনীতির অনেকটা নিজের ভেতর রেখে দিয়েছি।”
আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে এসব বলেন আসিফ নজরুল।
পোস্টে তিনি লেখেন, “শেখ হাসিনা দেশে নেই বহুদিন। কিন্তু সত্যিই কি নেই? আমার মনে হয় তিনি আছেন। শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তার রাজনীতিটা রয়ে গেছে বাংলাদেশে। তার রাজনীতির কিছু মূলমন্ত্র ধারন করে আছে তার পতনের আন্দোলনের মানুষদেরও কেউ কেউ।”
শেখ হাসিনার রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের মালিকানা, ট্যাগ দেওয়া আর ভিকটিমহুডের রাজনীতি করতেন।
আসিফ নজরুল বলেন, “তিনি মুক্তিযুদ্ধের মালিকানার রাজনীতি করতেন। তিনি আর তার অনুগতরাই কেবল যুদ্ধটা করেছেন, বাকী কেউ না। তাই তার পক্ষে থাকা মানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকা, তার বিরোধিতা মানে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করা। যে কাজ পক্ষের মানুষের জন্য জায়েজ, তা অন্যের জন্য শাস্তিযোগ্য।”
জুলাইকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষের মধ্যে এই রাজনীতি আছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা।
ট্যাগ দেওয়া প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, “কথায় কথায় রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী, পাকিস্তানপন্থী ছিল তার রাজনীতির অন্যতম হলমার্ক। এসব ট্যাগ বদলেছে, কিন্তু এর রাজনীতিটা রয়ে গেছে। এখন চলছে যত্রতত্র ফ্যাসিষ্ট এর দোসর, ভারতের দালাল, জুলাই গাদ্দার এসব ট্যাগ দেয়ার রাজনীতি।”
ভিকটিম ছিলেন বলে ‘শিকারী’ হয়ে যাওয়ার অধিকারবোধ শেখ হাসিনার আরেক রাজনীতি ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই রাজনীতিও টিকে আছে বহাল তবিয়তে।”

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে না থাকলেও তার রাজনীতি রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, “আমরা শুধু শেখ হাসিনার শাসন অবসানের আন্দোলন করেছি। কিন্তু তার রাজনীতির অনেকটা নিজের ভেতর রেখে দিয়েছি।”
আজ রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে এসব বলেন আসিফ নজরুল।
পোস্টে তিনি লেখেন, “শেখ হাসিনা দেশে নেই বহুদিন। কিন্তু সত্যিই কি নেই? আমার মনে হয় তিনি আছেন। শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তার রাজনীতিটা রয়ে গেছে বাংলাদেশে। তার রাজনীতির কিছু মূলমন্ত্র ধারন করে আছে তার পতনের আন্দোলনের মানুষদেরও কেউ কেউ।”
শেখ হাসিনার রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের মালিকানা, ট্যাগ দেওয়া আর ভিকটিমহুডের রাজনীতি করতেন।
আসিফ নজরুল বলেন, “তিনি মুক্তিযুদ্ধের মালিকানার রাজনীতি করতেন। তিনি আর তার অনুগতরাই কেবল যুদ্ধটা করেছেন, বাকী কেউ না। তাই তার পক্ষে থাকা মানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকা, তার বিরোধিতা মানে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করা। যে কাজ পক্ষের মানুষের জন্য জায়েজ, তা অন্যের জন্য শাস্তিযোগ্য।”
জুলাইকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষের মধ্যে এই রাজনীতি আছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা।
ট্যাগ দেওয়া প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, “কথায় কথায় রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী, পাকিস্তানপন্থী ছিল তার রাজনীতির অন্যতম হলমার্ক। এসব ট্যাগ বদলেছে, কিন্তু এর রাজনীতিটা রয়ে গেছে। এখন চলছে যত্রতত্র ফ্যাসিষ্ট এর দোসর, ভারতের দালাল, জুলাই গাদ্দার এসব ট্যাগ দেয়ার রাজনীতি।”
ভিকটিম ছিলেন বলে ‘শিকারী’ হয়ে যাওয়ার অধিকারবোধ শেখ হাসিনার আরেক রাজনীতি ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই রাজনীতিও টিকে আছে বহাল তবিয়তে।”

সিলেটের ফিলিং স্টেশনগুলোতে এ অবস্থা গত শুক্রবার থেকেই। ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিকভাবেই বিক্রির চাপ বাড়ে। তবে হরমুজ প্রণালী ইস্যুতে গত শুক্রবার আচমকা গ্রাহকদের তেল কেনার চাপ লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই টেংকি ফুল করে তেল কেনায় সরবরাহকৃত তেলে ঘাটতি দেখা দেয়।

বিপিসি কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনগণকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুদ না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। তবে প্রধান জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সেনাবাহিনীর উপস্থিতির এই সিদ্ধান্ত পরিস্থিতির গুরুত্বকেই প্রতিফলিত করছে বলে মনে করেন জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা।