ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যা বলল যশোর জেলা প্রশাসন

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যা বলল যশোর জেলা প্রশাসন

স্ত্রী ও নয় মাসের শিশু সন্তানের মৃত্যুতে বাগেরহাট সদর উপজেলা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্যারলে মুক্তির আবেদনসংক্রান্ত বিষয়ে মুখ খুলেছে যশোর জেলা প্রশাসন। আজ রোববার জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেলের সহকারী কমিশনার আশীষ কুমার দাসের স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

মিডিয়া সেলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাগেরহাট কারাগার থেকে গত ১৫ ডিসেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা বন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে যশোর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ বরাবর প্যারোলে মুক্তির কোনো আবেদন করা হয়নি। বরং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পরিবারের বক্তব্য থেকে জানা যায়, সময় স্বল্পতার কারণে তাদের পারিবারিক সিদ্ধান্তে প্যারোলে মুক্তির আবেদন না করে জেল গেটে লাশ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে উল্লিখিত বন্দির স্ত্রীকে লিখিত চিঠি, কারাগারে বন্দি অবস্থায় ছবি দেখা যাচ্ছে– যা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। এ ছাড়া ‘আবেদনের পরেও প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়নি’— এ ধরনের তথ্যও মিথ্যা; কারণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যশোর বরাবর প্যারোলে মুক্তি সংক্রান্ত কোনও আবেদনই করা হয়নি। বরং পরিবারের মৌখিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মানবিক দিক বিবেচনায় কারাফটকে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করে।

বিষয়টি সবার অবগতির জন্য জানানো হলো। একই সঙ্গে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য অনুরোধ করা হলো।

প্যারোলে মুক্তির অনুমতি না পাওয়ায় জুয়েল হাসান সাদ্দামকে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে দূর থেকে স্ত্রী সন্তানের মরদেহ শেষবারের মতো দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। এসময় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে সাদ্দামের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছয় সদস্যকে কারা ফটকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। এরপর এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

সম্পর্কিত