চরচা ডেস্ক

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে আমেরিকা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এর ফলে সংস্থাটি তার প্রধান অর্থ জোগানদাতাকে হারালো।
করোনা মহামারির সময় থেকেই সংস্থাটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, যা এখন চূড়ান্ত রূপ নিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসন মনে করছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে। মার্কিন স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ কেনেডি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, সংস্থাটি মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশের প্রতি বেশি অনুগত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি প্রায় ২৬ কোটি ডলার বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই আকস্মিক বিদায়ে বড় ধরনের সংকটে পড়েছে ডব্লিউইএচও। অর্থ সংকটের কারণে ইতিমধ্যেই সংস্থাটিতে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই শুরু হয়েছে। এ ছাড়া পোলিও, এইচআইভি এবং মাতৃমৃত্যু রোধে সংস্থাটির বিশ্বব্যাপী যে কার্যক্রম রয়েছে, তা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা এখন থেকে সরাসরি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার ওপর নির্ভর না করে তারা নিজস্ব এনজিও এবং ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। তবে কোন কোন দেশের সাথে তারা কাজ করবে, তা এখনো স্পষ্ট করেনি।
সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস এই সিদ্ধান্তকে ‘বিশ্বের জন্য একটি বড় ক্ষতি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। মহাপরিচালক আশা করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। কারণ দীর্ঘকাল ধরে যুক্তরাষ্ট্র এবং ডব্লিউএইচও মিলে কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে।
আগামী ২ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি সংস্থাটির বোর্ড সভায় যুক্তরাষ্ট্রের বিদায় এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে আমেরিকা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এর ফলে সংস্থাটি তার প্রধান অর্থ জোগানদাতাকে হারালো।
করোনা মহামারির সময় থেকেই সংস্থাটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, যা এখন চূড়ান্ত রূপ নিল।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসন মনে করছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়েছে। মার্কিন স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ কেনেডি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, সংস্থাটি মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু দেশের প্রতি বেশি অনুগত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করার অভিযোগ তোলা হয়েছে সংস্থাটির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি প্রায় ২৬ কোটি ডলার বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই আকস্মিক বিদায়ে বড় ধরনের সংকটে পড়েছে ডব্লিউইএচও। অর্থ সংকটের কারণে ইতিমধ্যেই সংস্থাটিতে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই শুরু হয়েছে। এ ছাড়া পোলিও, এইচআইভি এবং মাতৃমৃত্যু রোধে সংস্থাটির বিশ্বব্যাপী যে কার্যক্রম রয়েছে, তা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা এখন থেকে সরাসরি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার ওপর নির্ভর না করে তারা নিজস্ব এনজিও এবং ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। তবে কোন কোন দেশের সাথে তারা কাজ করবে, তা এখনো স্পষ্ট করেনি।
সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস এই সিদ্ধান্তকে ‘বিশ্বের জন্য একটি বড় ক্ষতি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। মহাপরিচালক আশা করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। কারণ দীর্ঘকাল ধরে যুক্তরাষ্ট্র এবং ডব্লিউএইচও মিলে কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে।
আগামী ২ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি সংস্থাটির বোর্ড সভায় যুক্তরাষ্ট্রের বিদায় এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।