চরচা ডেস্ক

কাতারের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে ইরানি ড্রোন হামলার পর বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার দুটি ড্রোন দেশটির দুটি প্রধান শিল্প নগরীতে আঘাত হানে। এর মধ্যে রাস লাফানে কাতার এনার্জির একটি প্রধান জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। মেসাইদ শিল্প নগরীতে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানির ট্যাংকে ড্রোন আঘাত হানে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে কাতার এনার্জি তাদের উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
কাতার এনার্জি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “রাস লাফান এবং মেসাইদ শিল্প নগরীতে হামলার কারণে কাতার এনার্জি এলএনজি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন বন্ধ রেখেছে।”
কাতারের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলো, যারা কাতারি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল, তারা সরবরাহে ঘাটতির মুখে পড়তে পারে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান এই ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

কাতারের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে ইরানি ড্রোন হামলার পর বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার দুটি ড্রোন দেশটির দুটি প্রধান শিল্প নগরীতে আঘাত হানে। এর মধ্যে রাস লাফানে কাতার এনার্জির একটি প্রধান জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। মেসাইদ শিল্প নগরীতে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানির ট্যাংকে ড্রোন আঘাত হানে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে কাতার এনার্জি তাদের উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
কাতার এনার্জি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “রাস লাফান এবং মেসাইদ শিল্প নগরীতে হামলার কারণে কাতার এনার্জি এলএনজি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন বন্ধ রেখেছে।”
কাতারের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলো, যারা কাতারি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল, তারা সরবরাহে ঘাটতির মুখে পড়তে পারে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ইরানজুড়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান এই ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।