চরচা প্রতিবেদক

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলো পুনর্দখলে নিতে এবার মংডু শহরতলি ও বুথেডং এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে মিয়ানমার সামরিক জান্তা। ওপার থেকে ভেসে আসা একের পর এক বোমা ও মর্টার শেলের বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।
গতকাল বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত থেমে থেমে এ বিমান হামলা চলে। বিশেষ করে রাত ৯টার দিকে মংডু শহরে আকস্মিক বিমান হামলায় পুরো সীমান্ত এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
নাফ নদীর তীরবর্তী শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, বুধবার রাতের বিমান হামলার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ওপার থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দে ঘরবাড়িতে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছিল। অনেকেই আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। বিশেষ করে ছোট শিশুরা ভয়ে কান্নাকাটি করেছে।
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষের পর টেকনাফ-উখিয়া সীমান্ত বেশ কিছুদিন শান্ত ছিল। তবে দীর্ঘ বিরতির পর জান্তা সরকার আবারও রাখাইন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া হয়ে ওঠায় সীমান্তজুড়ে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান এই সংঘাতের জেরে বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী পরিস্থিতির সত্যতা নিশ্চিত করে চরচাকে বলেন, ‘‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরে বুধবার সকাল ও রাতে থেমে থেমে বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রভাবে সীমান্ত এলাকায় তীব্র শব্দ শোনা যাচ্ছে।’’
এই পরিস্থিতিতে টেকনাফ সীমান্তে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন এবং দিন-রাত সীমান্ত টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান অনীক চৌধুরী।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলো পুনর্দখলে নিতে এবার মংডু শহরতলি ও বুথেডং এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে মিয়ানমার সামরিক জান্তা। ওপার থেকে ভেসে আসা একের পর এক বোমা ও মর্টার শেলের বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।
গতকাল বুধবার সকাল থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত থেমে থেমে এ বিমান হামলা চলে। বিশেষ করে রাত ৯টার দিকে মংডু শহরে আকস্মিক বিমান হামলায় পুরো সীমান্ত এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
নাফ নদীর তীরবর্তী শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, বুধবার রাতের বিমান হামলার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ওপার থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দে ঘরবাড়িতে টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছিল। অনেকেই আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। বিশেষ করে ছোট শিশুরা ভয়ে কান্নাকাটি করেছে।
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষের পর টেকনাফ-উখিয়া সীমান্ত বেশ কিছুদিন শান্ত ছিল। তবে দীর্ঘ বিরতির পর জান্তা সরকার আবারও রাখাইন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া হয়ে ওঠায় সীমান্তজুড়ে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান এই সংঘাতের জেরে বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস. এম. অনীক চৌধুরী পরিস্থিতির সত্যতা নিশ্চিত করে চরচাকে বলেন, ‘‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরে বুধবার সকাল ও রাতে থেমে থেমে বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রভাবে সীমান্ত এলাকায় তীব্র শব্দ শোনা যাচ্ছে।’’
এই পরিস্থিতিতে টেকনাফ সীমান্তে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন এবং দিন-রাত সীমান্ত টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান অনীক চৌধুরী।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলো পুনর্দখলে নিতে এবার মংডু শহরতলি ও বুথেডং এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে মিয়ানমার সামরিক জান্তা। ওপার থেকে ভেসে আসা একের পর এক ব