চরচা প্রতিবেদক

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি (ফুয়েল) লোডিং কার্যক্রম। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার প্রাথমিক ধাপ বা ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ পর্যায়ে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সময় স্বল্পতার কারণে এই ঐতিহাসিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তবে ফুয়েল লোডিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন ‘রোসাটমের’ মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন একই মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এছাড়া আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি অনুষ্ঠানে একটি ধারণকৃত বক্তব্য প্রদান করবেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এই মাইলফলক সম্পর্কে চরচাকে বলেন, “জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে রূপপুর প্রকল্প উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করবে”। তিনি আরও জানান, ফুয়েল লোডিংয়ের সময়েও কিছু টেস্টিং (পরীক্ষা) চলমান থাকবে। সব পরীক্ষা শেষ করে আগামী জুলাইয়ের শেষ দিকে অথবা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে এ প্রকল্প থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে প্রথম ইউনিট থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে এবং পরবর্তীতে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ করে উৎপাদন বাড়ানো হবে।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহিদুল হাসান জানান, রিয়্যাক্টরে পারমাণবিক জ্বালানি লোড করতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগবে। এই প্রক্রিয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “জ্বালানি লোড করার পর আমরা চূড়ান্ত নিরাপত্তা বিশ্লেষণ রিপোর্ট তৈরির জন্য বিভিন্ন ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাব। এটি একটি অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং পর্যায়।”
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বা আগামী বছরের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় (১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। তবে পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে ৮ থেকে ১০ মাস সময় লাগতে পারে। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) প্রথম ইউনিটের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করার পরই এই জ্বালানি লোডিংয়ের পথ প্রশস্ত হয়।
২০১৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে শুরু হওয়া এই বিশাল প্রকল্পের কাজ করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ডলার সংকটের কারণে একাধিকবার পিছিয়েছে।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে প্রকল্পের মোট ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকায়। সংশোধিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ শেষ করে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরের শেষের দিকে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটেও ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি (ফুয়েল) লোডিং কার্যক্রম। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার প্রাথমিক ধাপ বা ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ পর্যায়ে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সময় স্বল্পতার কারণে এই ঐতিহাসিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তবে ফুয়েল লোডিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন ‘রোসাটমের’ মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন একই মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এছাড়া আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি অনুষ্ঠানে একটি ধারণকৃত বক্তব্য প্রদান করবেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এই মাইলফলক সম্পর্কে চরচাকে বলেন, “জ্বালানি লোডিংয়ের মাধ্যমে রূপপুর প্রকল্প উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করবে”। তিনি আরও জানান, ফুয়েল লোডিংয়ের সময়েও কিছু টেস্টিং (পরীক্ষা) চলমান থাকবে। সব পরীক্ষা শেষ করে আগামী জুলাইয়ের শেষ দিকে অথবা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে এ প্রকল্প থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে প্রথম ইউনিট থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে এবং পরবর্তীতে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ করে উৎপাদন বাড়ানো হবে।
নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহিদুল হাসান জানান, রিয়্যাক্টরে পারমাণবিক জ্বালানি লোড করতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগবে। এই প্রক্রিয়ার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “জ্বালানি লোড করার পর আমরা চূড়ান্ত নিরাপত্তা বিশ্লেষণ রিপোর্ট তৈরির জন্য বিভিন্ন ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাব। এটি একটি অত্যন্ত জটিল ও চ্যালেঞ্জিং পর্যায়।”
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বা আগামী বছরের শুরুতে প্রথম ইউনিট থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় (১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। তবে পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে ৮ থেকে ১০ মাস সময় লাগতে পারে। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) প্রথম ইউনিটের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করার পরই এই জ্বালানি লোডিংয়ের পথ প্রশস্ত হয়।
২০১৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে শুরু হওয়া এই বিশাল প্রকল্পের কাজ করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ডলার সংকটের কারণে একাধিকবার পিছিয়েছে।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে প্রকল্পের মোট ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকায়। সংশোধিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ শেষ করে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরের শেষের দিকে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটেও ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের কবলে পড়ে নির্মম হত্যার শিকার হয়েছেন ভ্যাট কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী— সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এরই মধ্যে এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে প্রথম ইউনিটের জ্বালানি (ফুয়েল) লোডিং কার্যক্রম। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার প্রাথমিক ধাপ বা ‘ফিজিক্যাল স্টার্টআপ’ পর্যায়ে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ।