চরচা ডেস্ক

লেবাননে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করতে পারবে বলে ঘোষণা করেছে ইরান। এক্সে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির এক পোস্ট থেকে এই তথ্য জানা যায়। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ কিছুটা কমল বলে মনে করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি লেখেন, “লেবাননের যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, এই মেয়াদের বাকি সময়ের জন্য সব বাণিজ্যিক নৌযানের জন্য পথটি উন্মুক্ত থাকবে।”
তবে তিনি শর্ত দিয়েছেন, জাহাজগুলোকে ইরানের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত একটি “সমন্বিত রুট” অনুসরণ করতে হবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। বিবিসি বলছে, মার্কিন অবরোধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ইরানের এই আকস্মিক ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে কমতে শুরু করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অপরিশোধিত তেলের দাম ১১ শতাংশেরও বেশি কমেছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনিও এই তথ্য সত্য বলে নিশ্চিত করেন। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ইরানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে, এই অঞ্চলে মার্কিন অবরোধ থাকবে বলে মনে করিয়ে দেন তিনি।
এর আগে গত ৭ এপ্রিল ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিলেন, যার অন্যতম শর্ত ছিল এই প্রণালিটি উন্মুক্ত করা। তবে ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ অভিযোগ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র লেবাননে ইসরায়েলি অভিযান অব্যাহত রেখে চুক্তি লঙ্ঘন করছে। এই উত্তেজনার কারণে গত কয়েকদিন ধরে ওই পথে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ ছিল।
ইসরায়েল এবং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার থেকে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকার ঘালিবাফের মধ্যে আলোচনা কোনো স্থায়ী সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলেও, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এই সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে আবারও দ্বিতীয় দফার আলোচনা হতে পারে।

লেবাননে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করতে পারবে বলে ঘোষণা করেছে ইরান। এক্সে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির এক পোস্ট থেকে এই তথ্য জানা যায়। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ কিছুটা কমল বলে মনে করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি লেখেন, “লেবাননের যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, এই মেয়াদের বাকি সময়ের জন্য সব বাণিজ্যিক নৌযানের জন্য পথটি উন্মুক্ত থাকবে।”
তবে তিনি শর্ত দিয়েছেন, জাহাজগুলোকে ইরানের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত একটি “সমন্বিত রুট” অনুসরণ করতে হবে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। বিবিসি বলছে, মার্কিন অবরোধ থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
ইরানের এই আকস্মিক ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে কমতে শুরু করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অপরিশোধিত তেলের দাম ১১ শতাংশেরও বেশি কমেছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনিও এই তথ্য সত্য বলে নিশ্চিত করেন। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ইরানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে, এই অঞ্চলে মার্কিন অবরোধ থাকবে বলে মনে করিয়ে দেন তিনি।
এর আগে গত ৭ এপ্রিল ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিলেন, যার অন্যতম শর্ত ছিল এই প্রণালিটি উন্মুক্ত করা। তবে ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ অভিযোগ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র লেবাননে ইসরায়েলি অভিযান অব্যাহত রেখে চুক্তি লঙ্ঘন করছে। এই উত্তেজনার কারণে গত কয়েকদিন ধরে ওই পথে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ ছিল।
ইসরায়েল এবং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার থেকে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকার ঘালিবাফের মধ্যে আলোচনা কোনো স্থায়ী সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলেও, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এই সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে আবারও দ্বিতীয় দফার আলোচনা হতে পারে।