চরচা ডেস্ক

প্রায় দশ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে তাদের নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।
আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর মধ্যে এক আলোচনার পর গতকাল সোমবার রাতে এই ঘোষণা আসে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের। তবে বাংলাদেশকে সমর্থন করে সেই ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা। তবে পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্ত বদলানোর কারণে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্টের অন্যতম প্রতীক্ষিত এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত ভারত-পাকিস্তান মহারণ কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, শ্রীলঙ্কা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি আইসিসি সদস্য দেশ পিসিবিকে তাদের ম্যাচ বয়কট না করার জন্য অনুরোধ করেছিল। এই দেশগুলো ম্যাচ বয়কটের ফলে অন্যান্য দেশের আর্থিক ক্ষতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই বিষয়ে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট কুমারা দিসানায়েকের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অর্জিত ফলাফল এবং বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর ‘অনুরোধের প্রেক্ষিতে’ ভারতকে মোকাবিলার জন্য পাকিস্তান দলকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা সফল হয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে সদস্য দেশগুলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণসংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি সম্মান করতে সম্মত হয়েছে।
এর আগে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পরশু পিসিবি কার্যালয়ে আইসিসির সঙ্গে পিসিবির দর–কষাকষির সেই বৈঠকের পর কাল পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি দেখা করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে।
সেখানে পিসিবি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীকে জানান, বাংলাদেশসহ শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আরও বেশ কয়েকটি দেশ বিশ্ব ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে পাকিস্তানকে ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছে।
বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশকে কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। ২০৩১ বিশ্বকাপের আগে দেশটিকে একটি বৈশ্বিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজক করার প্রস্তাব দিয়েছে আইসিসি। এসব বিষয় সরকারপ্রধানকে জানিয়েছেন নাকভি।
গত সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকায় এক বিবৃতিতে বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম তার দেশের প্রতি সমর্থন দেওয়ায় পাকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে অংশ নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রতি অনুরোধ জানান।

প্রায় দশ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে তাদের নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।
আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর মধ্যে এক আলোচনার পর গতকাল সোমবার রাতে এই ঘোষণা আসে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের। তবে বাংলাদেশকে সমর্থন করে সেই ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা। তবে পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্ত বদলানোর কারণে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্টের অন্যতম প্রতীক্ষিত এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত ভারত-পাকিস্তান মহারণ কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, শ্রীলঙ্কা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি আইসিসি সদস্য দেশ পিসিবিকে তাদের ম্যাচ বয়কট না করার জন্য অনুরোধ করেছিল। এই দেশগুলো ম্যাচ বয়কটের ফলে অন্যান্য দেশের আর্থিক ক্ষতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই বিষয়ে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট কুমারা দিসানায়েকের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
পাকিস্তান সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “অর্জিত ফলাফল এবং বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর ‘অনুরোধের প্রেক্ষিতে’ ভারতকে মোকাবিলার জন্য পাকিস্তান দলকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা সফল হয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে সদস্য দেশগুলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণসংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি সম্মান করতে সম্মত হয়েছে।
এর আগে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পরশু পিসিবি কার্যালয়ে আইসিসির সঙ্গে পিসিবির দর–কষাকষির সেই বৈঠকের পর কাল পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি দেখা করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে।
সেখানে পিসিবি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীকে জানান, বাংলাদেশসহ শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আরও বেশ কয়েকটি দেশ বিশ্ব ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে পাকিস্তানকে ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অনুরোধ করেছে।
বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশকে কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। ২০৩১ বিশ্বকাপের আগে দেশটিকে একটি বৈশ্বিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজক করার প্রস্তাব দিয়েছে আইসিসি। এসব বিষয় সরকারপ্রধানকে জানিয়েছেন নাকভি।
গত সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকায় এক বিবৃতিতে বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম তার দেশের প্রতি সমর্থন দেওয়ায় পাকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে অংশ নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রতি অনুরোধ জানান।