
প্রায় দশ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে তাদের নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছে পাকিস্তান সরকার।

৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সমান পয়েন্টে নেদারল্যান্ডস রান রেটে পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থেকে বিশ্বকাপে পৌঁছেছে।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত অংশ নেবে কি না, তা জানতে এখন অপেক্ষা করতে হবে আগামী কয়েক দিন। তবে এরই মধ্যে তারা দল ঘোষণা করে ফেলেছে।

আইসিসি কিংবা বিসিসিআইয়ের মতো প্রভাবশালী বোর্ডগুলোর একপাক্ষিক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ক্রিকেট যে চাপের মুখে পড়েছে, সেটিকে শুধু ক্ষতির চোখে দেখলে ভুল হবে। ইতিহাস বলে, বড় পরিবর্তনের সূচনা হয় এমনই চাপের মুহূর্তে।

অভিজ্ঞ পেসার হারিস রউফকে ছাড়াই আগামী মাসে ভারত ও শ্রীলংকার মাটিতে যৌথভাবে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আজ ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

এই ইস্যুতে এতদিন বাংলাদেশের পাশে ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা দেওয়ার পর তারা বলছে, সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান সরকার।

ক্রিকবাজের প্রতিবেদন
অবশেষে আশঙ্কাই সত্যি হলো। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল বাংলাদেশ। দীর্ঘ নাটকীয়তা ও টানাপোড়েনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে মূল আসরে অন্তর্ভুক্ত করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

আইসিসি সময় বেঁধে দিলেও বুলবুল জানান, “আমরা আমাদের মতো চেষ্টা করে যাব, এখনো হাল ছেড়ে দিচ্ছি না। আমরা আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করব আরও কিছু বিষয় নিয়ে এবং চেষ্টা করে যাচ্ছি, যাতে আমাদের ছেলেরা বিশ্বকাপ খেলতে পারে।”

ভারতের কোনো ভেন্যুতেই বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী কিংবা সমর্থকদের জন্য কোনো ধরনের নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বড় ধরনের নাটকীয়তার সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রমতে, বাংলাদেশ দলের ভারত খেলা নিয়ে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা শঙ্কার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জাতীয় দলের সব ধরনের প্রস্তুতি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে ভারতেই যেতে হবে বাংলাদেশকে, আইসিসি এমনটা জানিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ কী করবে, সিদ্ধান্তটা নিতে হবে ২১ জানুয়ারির মধ্যে। অর্থাৎ, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া, না নেওয়া নিয়ে বাংলাদেশের হাতে সময় ৪৮ ঘণ্টা! বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নিলে আইসিসি অন্য একটি দেশকে সুযোগ দেবে।

বিশ্বকাপ কি শেষ পর্যন্ত বয়কটই করবে বাংলাদেশ? আইসিসির প্রতিনিধি দল এসেছে, বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সেই বৈঠকের পর অগ্রগতি কতটা? মোস্তাফিজকে নিয়ে যে পরিস্থিতির উদ্ভব, ভারতে খেলতে না যাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের যে অনড় অবস্থান, এই অচলাবস্থা কি আইসিসির প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পর মিটবে?

আয়ারল্যান্ড রাজি না হলে আপাতত গ্রুপ সোয়াপের কোনো সম্ভাবনা বাংলাদেশের সামনে নেই। বাংলাদেশের দাবি পূরণ হওয়ার পুরো বিষয়টিই এখন আইসিসির হাতে। পরিস্থিতি এখন এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে–আইসিসির সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারলে বিশ্বকাপ বয়কট ছাড়া উপায় নেই বাংলাদেশের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলার জন্য রাজি করাতে এবার বাংলাদেশে আসছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুজন কর্মকর্তা। এই সফরে আইসিসির এই শীর্ষ দুই কর্মকর্তা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করবেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলার জন্য রাজি করাতে এবার বাংলাদেশে আসছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুজন কর্মকর্তা। এই সফরে আইসিসির এই শীর্ষ দুই কর্মকর্তা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করবেন।