চরচা প্রতিবেদক

নিউজিল্যান্ড দল এর আগে যখন বাংলাদেশ সফরে এসেছিল, তখনও তামিম ইকবাল ছিলেন খেলোয়াড়। তবে এবার দলটির বাংলাদেশ সফরের প্রাক্কালে রাতারাতি পরিচয় বদলে গেছে তার। এখন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধানের দায়িত্বে। তামিমের নতুন অধ্যায়ে নিজেদের প্রথম সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল অবশ্য শুভসূচনা করতে পারেনি। মাঝারি রান তাড়ায় ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় পেতে হয়েছে পরাজয়ের স্বাদ।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ম্যাচ হলেও মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে ছিল না দর্শকদের ভিড়। তবে দিনের শুরুতেই তামিমসহ স্টেডিয়ামে হাজির হন অ্যাডহক কমিটির কয়েকজন সদস্য। এরপর একে একে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকরা।
তাদের উপস্থিতিতে বল হাতে ইনিংসের অধিকাংশ সময়েই প্রাধান্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। মুস্তাফিজুর রহমানের বদলি হিসেবে নামা শরীফুল ইসলাম দুর্দান্ত এক স্পেলে মাত্র ২৭ রানে নেন দুই উইকেট। অন্যদিকে নাহিদ রানা বাদে অন্য বোলাররাও ছিলেন হিসেবি। এরপরও নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৮ উইকেটে ২৪৭ রানে পৌঁছায় হেনরি নিকোলস (৬৮ রান) ও ডিন ফক্সক্রফটের দুই ফিফটিতে (৫৯ রান)।
উইকেটে বল আসছিল খুব ভালোভাবে, আর টার্গেট খুব বড় না হলেও শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ৯ রানে স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান সাইফ হাসান। বিপদ অবশ্য থেমে থাকেনি। পরপর দুই বলে নাথান স্মিথ বোল্ড করে দেন তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেনকে। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জেগেছিল, কোনোমতে তা সামাল দেন লিটন দাস।
২১ রানে দুই উইকেট হারানো বাংলাদেশকে সেই সময়ে বেশ চেপে ধরে নিউজিল্যান্ড। রানের চাকা সচল রাখার চেয়ে ওই সময়ে সাইফ ও লিটন মনোযোগ দেন উইকেট ধরে রাখার দিকেই। এর মাঝেও বাজে বল পেলে বড় শট খেলেছেন দুজনই।
তাদের মধ্যে সাইফ তুলনামূলক ইতিবাচক ব্যাটিং করেন। সেই ধারায় ১৯তম ওভারে তিন বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৬০ বলে পঞ্চাশে পা রাখেন। জুটিতে শতক হওয়ার ঠিক আগে ভাঙে জুটি। ম্যাচের ধারার বিপরীতে উইলিয়াম ও’রউর্ককে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিড-অন এলাকায় তুলে দেন ক্যাচ। এর আগে উপহার দেন ৫৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।
লিটনও জাগিয়েছিলেন ফিফটির আশা। তবে ক্যারিয়ারের অসংখ্য ইনিংসের মতো আরও একবার সেট হয়ে উইকেট বিলিয়ে দেন তিনি। ফক্সক্রফটের অফ স্পিনে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন ৪৬ রানে।
তাওহীদ হৃদয় ও আফিফ হোসেনের ওপর দায়িত্ব ছিল জয়ের পথ সুগম করে দেওয়া। তবে দুজনেই অতিরিক্ত ডট বল খেলে ক্রমশ চাপ বাড়িয়ে ফেলেন। সেই চাপ সরাতে গিয়েই জেডেন লেনক্সকে ছক্কা মারতে গিয়ে ফিরতে হয় আফিফকে। মেহেদী হাসানও পারেননি দলের ভরসা হতে।
পরপর দুই ওভারে রিশাদ হোসেন, শরীফুল ও তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের জয়ের আশা কমিয়ে আনেন ব্লেয়ার টিকনার। আশা হয়ে টিকে থাকা তাওহীদ অর্ধশতক করেন বটে, তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর দলের কাজে দেয়নি। বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ২২১ রানেই। ৫৫ রানে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তাওহীদ।

নিউজিল্যান্ড দল এর আগে যখন বাংলাদেশ সফরে এসেছিল, তখনও তামিম ইকবাল ছিলেন খেলোয়াড়। তবে এবার দলটির বাংলাদেশ সফরের প্রাক্কালে রাতারাতি পরিচয় বদলে গেছে তার। এখন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধানের দায়িত্বে। তামিমের নতুন অধ্যায়ে নিজেদের প্রথম সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল অবশ্য শুভসূচনা করতে পারেনি। মাঝারি রান তাড়ায় ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় পেতে হয়েছে পরাজয়ের স্বাদ।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ম্যাচ হলেও মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সকালে ছিল না দর্শকদের ভিড়। তবে দিনের শুরুতেই তামিমসহ স্টেডিয়ামে হাজির হন অ্যাডহক কমিটির কয়েকজন সদস্য। এরপর একে একে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকরা।
তাদের উপস্থিতিতে বল হাতে ইনিংসের অধিকাংশ সময়েই প্রাধান্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। মুস্তাফিজুর রহমানের বদলি হিসেবে নামা শরীফুল ইসলাম দুর্দান্ত এক স্পেলে মাত্র ২৭ রানে নেন দুই উইকেট। অন্যদিকে নাহিদ রানা বাদে অন্য বোলাররাও ছিলেন হিসেবি। এরপরও নিউজিল্যান্ডের স্কোর ৮ উইকেটে ২৪৭ রানে পৌঁছায় হেনরি নিকোলস (৬৮ রান) ও ডিন ফক্সক্রফটের দুই ফিফটিতে (৫৯ রান)।
উইকেটে বল আসছিল খুব ভালোভাবে, আর টার্গেট খুব বড় না হলেও শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ৯ রানে স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান সাইফ হাসান। বিপদ অবশ্য থেমে থাকেনি। পরপর দুই বলে নাথান স্মিথ বোল্ড করে দেন তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেনকে। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জেগেছিল, কোনোমতে তা সামাল দেন লিটন দাস।
২১ রানে দুই উইকেট হারানো বাংলাদেশকে সেই সময়ে বেশ চেপে ধরে নিউজিল্যান্ড। রানের চাকা সচল রাখার চেয়ে ওই সময়ে সাইফ ও লিটন মনোযোগ দেন উইকেট ধরে রাখার দিকেই। এর মাঝেও বাজে বল পেলে বড় শট খেলেছেন দুজনই।
তাদের মধ্যে সাইফ তুলনামূলক ইতিবাচক ব্যাটিং করেন। সেই ধারায় ১৯তম ওভারে তিন বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৬০ বলে পঞ্চাশে পা রাখেন। জুটিতে শতক হওয়ার ঠিক আগে ভাঙে জুটি। ম্যাচের ধারার বিপরীতে উইলিয়াম ও’রউর্ককে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিড-অন এলাকায় তুলে দেন ক্যাচ। এর আগে উপহার দেন ৫৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।
লিটনও জাগিয়েছিলেন ফিফটির আশা। তবে ক্যারিয়ারের অসংখ্য ইনিংসের মতো আরও একবার সেট হয়ে উইকেট বিলিয়ে দেন তিনি। ফক্সক্রফটের অফ স্পিনে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন ৪৬ রানে।
তাওহীদ হৃদয় ও আফিফ হোসেনের ওপর দায়িত্ব ছিল জয়ের পথ সুগম করে দেওয়া। তবে দুজনেই অতিরিক্ত ডট বল খেলে ক্রমশ চাপ বাড়িয়ে ফেলেন। সেই চাপ সরাতে গিয়েই জেডেন লেনক্সকে ছক্কা মারতে গিয়ে ফিরতে হয় আফিফকে। মেহেদী হাসানও পারেননি দলের ভরসা হতে।
পরপর দুই ওভারে রিশাদ হোসেন, শরীফুল ও তাসকিন আহমেদকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের জয়ের আশা কমিয়ে আনেন ব্লেয়ার টিকনার। আশা হয়ে টিকে থাকা তাওহীদ অর্ধশতক করেন বটে, তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর দলের কাজে দেয়নি। বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ২২১ রানেই। ৫৫ রানে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তাওহীদ।