চরচা ডেস্ক

জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার আমেরিকার বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের আচরণ বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব যেন এমন এক ‘লুটের আস্তানায়’ পরিণত না হয়, যেখানে ক্ষমতাবানরা নিজের ইচ্ছেমতো সবকিছু দখল করে নেয়।
জার্মান সময় বুধবার বার্লিনে একটি সিম্পোজিয়ামে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আমেরিকার প্রশাসনের নীতির দিকে ইঙ্গিত করে স্টাইনমায়ার বলেন, “বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র আজ চাপে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর মতো ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম ও সার্বভৌমত্বের অবহেলার নজির সৃষ্টি করছে।”
জার্মান প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল ও ইউক্রেনে আগ্রাসন ছিল বিশ্ব রাজনীতিতে একটি বড় বাঁক। কিন্তু এখন আমেরিকার আচরণ সেই বিশ্বব্যবস্থার জন্য আরেকটি ভাঙন তৈরি করছে, যে ব্যবস্থাটি গড়ে তুলতে একসময় ওয়াশিংটনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
স্টাইনমায়ার আরও বলেন, বিশ্বকে এমন অবস্থায় যেতে দেওয়া যাবে না, যেখানে অঞ্চল বা পুরো দেশ কয়েকটি বড় শক্তির সম্পত্তিতে পরিণত হবে। এ ধরনের পরিস্থিতি ঠেকাতে সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
পরে তিনি ব্রাজিল ও ভারতের মতো উদীয়মান শক্তিগুলোকে আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা রক্ষায় এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান।

জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার আমেরিকার বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের আচরণ বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব যেন এমন এক ‘লুটের আস্তানায়’ পরিণত না হয়, যেখানে ক্ষমতাবানরা নিজের ইচ্ছেমতো সবকিছু দখল করে নেয়।
জার্মান সময় বুধবার বার্লিনে একটি সিম্পোজিয়ামে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আমেরিকার প্রশাসনের নীতির দিকে ইঙ্গিত করে স্টাইনমায়ার বলেন, “বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র আজ চাপে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর মতো ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম ও সার্বভৌমত্বের অবহেলার নজির সৃষ্টি করছে।”
জার্মান প্রেসিডেন্ট বলেন, রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল ও ইউক্রেনে আগ্রাসন ছিল বিশ্ব রাজনীতিতে একটি বড় বাঁক। কিন্তু এখন আমেরিকার আচরণ সেই বিশ্বব্যবস্থার জন্য আরেকটি ভাঙন তৈরি করছে, যে ব্যবস্থাটি গড়ে তুলতে একসময় ওয়াশিংটনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
স্টাইনমায়ার আরও বলেন, বিশ্বকে এমন অবস্থায় যেতে দেওয়া যাবে না, যেখানে অঞ্চল বা পুরো দেশ কয়েকটি বড় শক্তির সম্পত্তিতে পরিণত হবে। এ ধরনের পরিস্থিতি ঠেকাতে সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
পরে তিনি ব্রাজিল ও ভারতের মতো উদীয়মান শক্তিগুলোকে আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা রক্ষায় এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান।