বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিভাগজুড়ে বাড়ছে সংক্রামক রোগ হাম। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ-এই তিন মাসে বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ২০৬ শিশুর শরীরে হামের ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৭৭ শিশু চিকিৎসাধীন।
আজ সোমবার সরেজমিনে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ৩৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জানিয়েছেন, আক্রান্ত ও মৃত্যুর বেশিরভাগ ঘটনাই সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে। বিশেষ করে মার্চ মাসে আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে।
শেবাচিম হাসপাতালে গত তিন মাসে মোট ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসেই ভর্তি হয়েছে ৮৯ জন।
গত শুক্রবার বানারীপাড়া উপজেলার ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আজ সকালে আরও এক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে, যদিও তার পরিচয় জানা যায়নি।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিভাগের ভোলা জেলায় হামের টিকার সংকট রয়েছে। তবে বরিশালসহ বাকি পাঁচ জেলায় টিকা পর্যাপ্ত আছে।
বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকার বাসিন্দা রহিমা তালুকদার বলেন, “সাত দিন আগে আমার ৯ মাসের কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে জ্বর মনে হলেও পরে চিকিৎসকরা তা হাম বলেন। এরপরই অন্য শিশু রোগীদের কাছ থেকে আমার শিশুকে আলাদা করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।”
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, “শিশুদের হামের টিকা ৯ মাস বয়সে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৭ মাস বয়সের শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখছি। হাসপাতালে হামের টিকা পর্যাপ্ত রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট ছিল, তা সমাধান করা হয়েছে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

বরিশাল বিভাগজুড়ে বাড়ছে সংক্রামক রোগ হাম। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ-এই তিন মাসে বিভাগে হামে আক্রান্ত হয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ২০৬ শিশুর শরীরে হামের ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৭৭ শিশু চিকিৎসাধীন।
আজ সোমবার সরেজমিনে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ৩৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জানিয়েছেন, আক্রান্ত ও মৃত্যুর বেশিরভাগ ঘটনাই সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেছে। বিশেষ করে মার্চ মাসে আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে।
শেবাচিম হাসপাতালে গত তিন মাসে মোট ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসেই ভর্তি হয়েছে ৮৯ জন।
গত শুক্রবার বানারীপাড়া উপজেলার ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আজ সকালে আরও এক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে, যদিও তার পরিচয় জানা যায়নি।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বিভাগের ভোলা জেলায় হামের টিকার সংকট রয়েছে। তবে বরিশালসহ বাকি পাঁচ জেলায় টিকা পর্যাপ্ত আছে।
বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকার বাসিন্দা রহিমা তালুকদার বলেন, “সাত দিন আগে আমার ৯ মাসের কন্যাশিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে জ্বর মনে হলেও পরে চিকিৎসকরা তা হাম বলেন। এরপরই অন্য শিশু রোগীদের কাছ থেকে আমার শিশুকে আলাদা করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।”
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, “শিশুদের হামের টিকা ৯ মাস বয়সে দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৭ মাস বয়সের শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখছি। হাসপাতালে হামের টিকা পর্যাপ্ত রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট ছিল, তা সমাধান করা হয়েছে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন জুলাই আন্দোলনে ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টিতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় সেখানে অবস্থিত আওয়ামীলীগের ৫০০ থেকে ৭০০ সন্ত্রাসী মো. আফজাল নাছেরের নিদের্শে নির্বিচারে এলোপাথারি গুলি চালায়।