রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহে গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ রাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ রাহিদুল ইসলাম বলেন, “রাজশাহীতে গত কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। গতকাল রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি হলেও আজ বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।”
এর আগে কয়েকবার বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর প্রভাবে সাময়িক স্বস্তি মিললেও বর্তমানে পুরো এলাকায় তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত এই দাবদাহ কমার কোনো লক্ষণ নেই বলেও জানান রাহিদুল।
তীব্র এই গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও রিকশাচালকরা। নগরীর শিরোইল এলাকায় ৫৩ বছর বয়সী রিকশাচালক নওশাদ আলী বলেন, “রোদের তেজে রাস্তায় রিকশা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শরীর পুড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হলেও পেটের দায়ে রাস্তায় নামতে হয়েছে। গরমে মানুষ ঘর থেকে বের না হওয়ায় ভাড়াও মিলছে না।”
শহরের সাহেববাজার এলাকায় প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া গৃহিণী সালমা বেগম বলেন, “ঘরের ভেতরে বা বাইরে কোথাও এখন শান্তি নেই। ফ্যান চালালেও যেন আগুনের বাতাস বের হচ্ছে। গরমে পরিবারের ছোট শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সবাই এখন একটু বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছি।”
এদিকে গরমের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে গরমজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।

রাজশাহীর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহে গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ রাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ রাহিদুল ইসলাম বলেন, “রাজশাহীতে গত কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। গতকাল রাজশাহীতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি হলেও আজ বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।”
এর আগে কয়েকবার বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর প্রভাবে সাময়িক স্বস্তি মিললেও বর্তমানে পুরো এলাকায় তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত এই দাবদাহ কমার কোনো লক্ষণ নেই বলেও জানান রাহিদুল।
তীব্র এই গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও রিকশাচালকরা। নগরীর শিরোইল এলাকায় ৫৩ বছর বয়সী রিকশাচালক নওশাদ আলী বলেন, “রোদের তেজে রাস্তায় রিকশা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। শরীর পুড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হলেও পেটের দায়ে রাস্তায় নামতে হয়েছে। গরমে মানুষ ঘর থেকে বের না হওয়ায় ভাড়াও মিলছে না।”
শহরের সাহেববাজার এলাকায় প্রয়োজনীয় কাজে বের হওয়া গৃহিণী সালমা বেগম বলেন, “ঘরের ভেতরে বা বাইরে কোথাও এখন শান্তি নেই। ফ্যান চালালেও যেন আগুনের বাতাস বের হচ্ছে। গরমে পরিবারের ছোট শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সবাই এখন একটু বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছি।”
এদিকে গরমের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে গরমজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।