চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা এবং অবৈধ ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ৬ চীনা নাগরিকসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
ডিবির দাবি, চক্রটি বাংলাদেশকে টার্গেট করে অনলাইন জুয়ার ফাঁদ তৈরি করেছিল এবং বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে তা বিদেশে পাচার করছিল।
গ্রেপ্তার চীনা নাগরিকরা হলেন-এম.এ (৩৩), ঝাং জিয়াহাও (২২), লিও জিঞ্জি (৩২), ওয়াং শিবো (২৪), চাং তিয়ানতিয়ান (২৯) ও জেমস ঝু (৪৩)। এছাড়া বাংলাদেশি তিনজন হলেন কাউসার হোসেন, আব্দুল করিম ও রোকন উদ্দিন।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “গত ১ মে থেকে আমরা অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছি। এটি এখন মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম মনিটরিং করতে গিয়ে আমাদের সাইবার টিম রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রকে গ্রেপ্তার করে।”
তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টর এবং তুরাগের রূপায়ণ হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তি সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬৪-পোর্ট ও ২৫৬-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম/জিপিআরএস সিম মডিউল মেশিন, প্রায় ২৮০টি সিম কার্ড, একাধিক ল্যাপটপ, ২০টি স্মার্টফোন, নগদ ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা, বিদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস।
অবৈধভাবে সিম নিবন্ধনের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, কিছু অসাধু বিক্রেতা গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে অতিরিক্ত সিম তুলে এসব চক্রের কাছে বিক্রি করছে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
চীনা নাগরিকদের বিষয়ে টেনে শফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রযুক্তির দিক থেকে চীনারা অনেক এগিয়ে। তারা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের প্রলুব্ধ করছে। এছাড়া আমাদের দেশ থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর তুলনামূলক সহজ হওয়াও একটি কারণ হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আইন প্রণেতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।”

রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া, সাইবার প্রতারণা এবং অবৈধ ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ৬ চীনা নাগরিকসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
ডিবির দাবি, চক্রটি বাংলাদেশকে টার্গেট করে অনলাইন জুয়ার ফাঁদ তৈরি করেছিল এবং বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে তা বিদেশে পাচার করছিল।
গ্রেপ্তার চীনা নাগরিকরা হলেন-এম.এ (৩৩), ঝাং জিয়াহাও (২২), লিও জিঞ্জি (৩২), ওয়াং শিবো (২৪), চাং তিয়ানতিয়ান (২৯) ও জেমস ঝু (৪৩)। এছাড়া বাংলাদেশি তিনজন হলেন কাউসার হোসেন, আব্দুল করিম ও রোকন উদ্দিন।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, “গত ১ মে থেকে আমরা অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছি। এটি এখন মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। অনলাইন জুয়ার কার্যক্রম মনিটরিং করতে গিয়ে আমাদের সাইবার টিম রাজধানীর উত্তরা ও তুরাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রকে গ্রেপ্তার করে।”
তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১৩ নম্বর সেক্টর এবং তুরাগের রূপায়ণ হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
অভিযানে বিপুল পরিমাণ প্রযুক্তি সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬৪-পোর্ট ও ২৫৬-পোর্ট বিশিষ্ট জিএসএম/জিপিআরএস সিম মডিউল মেশিন, প্রায় ২৮০টি সিম কার্ড, একাধিক ল্যাপটপ, ২০টি স্মার্টফোন, নগদ ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা, বিদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস।
অবৈধভাবে সিম নিবন্ধনের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, কিছু অসাধু বিক্রেতা গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে অতিরিক্ত সিম তুলে এসব চক্রের কাছে বিক্রি করছে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
চীনা নাগরিকদের বিষয়ে টেনে শফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রযুক্তির দিক থেকে চীনারা অনেক এগিয়ে। তারা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের প্রলুব্ধ করছে। এছাড়া আমাদের দেশ থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর তুলনামূলক সহজ হওয়াও একটি কারণ হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আইন প্রণেতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।”

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।