চরচা প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও দেশে এখনই জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, দেশে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে তেল মজুত করছেন, যা অপ্রয়োজনীয়।
সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বিকল্প উৎস থেকে আমদানির বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
বৈঠকে জ্বালানি পরিস্থিতি ছাড়াও দেশের সার্বিক নিরাপত্তা এবং সম্ভাব্য সরবরাহ শৃঙ্খলা বজায় রাখা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে না পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও দেশে এখনই জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, দেশে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে তেল মজুত করছেন, যা অপ্রয়োজনীয়।
সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বিকল্প উৎস থেকে আমদানির বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
বৈঠকে জ্বালানি পরিস্থিতি ছাড়াও দেশের সার্বিক নিরাপত্তা এবং সম্ভাব্য সরবরাহ শৃঙ্খলা বজায় রাখা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে না পারে।

চিঠিতে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু লিখেছেন, ভারত দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করার জন্য এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য আগ্রহী।