চরচা প্রতিবেদক

রজার মিলাকে নিশ্চয়ই ভুলে যাননি ফুটবলপ্রেমীরা। ১৯৯০ বিশ্বকাপের বিস্ময় ছিল ক্যামেরুন দলটি। প্রথম ম্যাচেই ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটনের জন্ম দিয়েছিল। প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে খেলেছিল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।
সেই ক্যামেরুনেরই এক ৩৮ বছর বয়সী ফুটবলার ছিলেন ১৯৯০ বিশ্বকাপের অন্যতম বড় তারকা—রজার মিলা। তিনি পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকতেন না। কিন্তু বদলি হিসেবে নেমেই ইতিহাস গড়েছিলেন মিলা। কলম্বিয়ার বিপক্ষে তার জোড়া গোলেই ক্যামেরুন পৌঁছেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। বিশ্বকাপে বদলি নেমে গোল করেছিলেন ৪টি, অ্যাসিস্ট একটি। বদলি নেমে একটি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলে সম্পৃক্ততার রেকর্ডটি ৩৬ বছর ধরে আছে ক্যামেরুন তারকার দখলেই। কাল আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জোড়া গোলে সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন জার্মানির দানিজ উনদাভ। এবারের বিশ্বকাপে ৩ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট তার।
আরও কয়েকটি রেকর্ড ভাগ বসিয়েছেন উনদাভ। জার্মান এই ফুটবলার বিশ্বকাপের ইতিহাসে চতুর্থ ফুটবলার যিনি বদলি নেমে দলের হয়ে সমতাসূচক ও জয়সূচক গোল করলেন।

এখানেই শেষ নয়। কাল আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ম্যাচের ৯৪তম মিনিটে গোল করে একটি জার্মান রেকর্ডের অংশীদার হয়েছেন তিনি। ২০১৮ বিশ্বকাপে সুইডেনের বিপক্ষে টনি ক্রুস যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে এক ফ্রি কিকে জার্মানিকে এনে দিয়েছিলেন জয়। এই রেকর্ডে অবশ্য উনদাভ ক্রুসের পেছনেই আছেন।
বদলি হিসেবে নেমে একাধিক গোল করা তৃতীয় জার্মান ফুটবলার তিনি। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই ৭–১ ম্যাচে আন্দ্রে শ্রুলে বদলি নেমে ২ গোল করেছিলেন। কাই হাভার্টজ ২০২২ বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে বদলি নেমে করেছিলেন জোড়া গোল। ফুটবলে জার্মানি ছাড়া বদলি নেমে একাধিক গোল করা খেলোয়াড়ের উদাহরণ দল প্রতি একটির বেশি নেই। ফুটবল ইতিহাসে এমন রেকর্ডই আছে ১২জন ফুটবলারের।
২০১০ বিশ্বকাপে দুই জার্মান ফুটবলার পরপর দুই ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন। তারা হলেন টমাস মুলার ও মিরোস্লাভ ক্লোসা। এবার কুরাসাও ও আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জোড়া গোল পেলেন উনদাভ।

রজার মিলাকে নিশ্চয়ই ভুলে যাননি ফুটবলপ্রেমীরা। ১৯৯০ বিশ্বকাপের বিস্ময় ছিল ক্যামেরুন দলটি। প্রথম ম্যাচেই ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটনের জন্ম দিয়েছিল। প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে খেলেছিল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।
সেই ক্যামেরুনেরই এক ৩৮ বছর বয়সী ফুটবলার ছিলেন ১৯৯০ বিশ্বকাপের অন্যতম বড় তারকা—রজার মিলা। তিনি পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকতেন না। কিন্তু বদলি হিসেবে নেমেই ইতিহাস গড়েছিলেন মিলা। কলম্বিয়ার বিপক্ষে তার জোড়া গোলেই ক্যামেরুন পৌঁছেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। বিশ্বকাপে বদলি নেমে গোল করেছিলেন ৪টি, অ্যাসিস্ট একটি। বদলি নেমে একটি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলে সম্পৃক্ততার রেকর্ডটি ৩৬ বছর ধরে আছে ক্যামেরুন তারকার দখলেই। কাল আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জোড়া গোলে সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন জার্মানির দানিজ উনদাভ। এবারের বিশ্বকাপে ৩ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট তার।
আরও কয়েকটি রেকর্ড ভাগ বসিয়েছেন উনদাভ। জার্মান এই ফুটবলার বিশ্বকাপের ইতিহাসে চতুর্থ ফুটবলার যিনি বদলি নেমে দলের হয়ে সমতাসূচক ও জয়সূচক গোল করলেন।

এখানেই শেষ নয়। কাল আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ম্যাচের ৯৪তম মিনিটে গোল করে একটি জার্মান রেকর্ডের অংশীদার হয়েছেন তিনি। ২০১৮ বিশ্বকাপে সুইডেনের বিপক্ষে টনি ক্রুস যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে এক ফ্রি কিকে জার্মানিকে এনে দিয়েছিলেন জয়। এই রেকর্ডে অবশ্য উনদাভ ক্রুসের পেছনেই আছেন।
বদলি হিসেবে নেমে একাধিক গোল করা তৃতীয় জার্মান ফুটবলার তিনি। এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে সেই ৭–১ ম্যাচে আন্দ্রে শ্রুলে বদলি নেমে ২ গোল করেছিলেন। কাই হাভার্টজ ২০২২ বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে বদলি নেমে করেছিলেন জোড়া গোল। ফুটবলে জার্মানি ছাড়া বদলি নেমে একাধিক গোল করা খেলোয়াড়ের উদাহরণ দল প্রতি একটির বেশি নেই। ফুটবল ইতিহাসে এমন রেকর্ডই আছে ১২জন ফুটবলারের।
২০১০ বিশ্বকাপে দুই জার্মান ফুটবলার পরপর দুই ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন। তারা হলেন টমাস মুলার ও মিরোস্লাভ ক্লোসা। এবার কুরাসাও ও আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জোড়া গোল পেলেন উনদাভ।