বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে মসজিদে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আজ রোববার জোহরের নামাজ চলাকালে উপজেলার আন্দারমানিক ইউনিয়নের আন্দারমানিক গ্রামের গোলেরহাট মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল সরদার (৩৫) মেহেন্দিগঞ্জের আন্ধারমানিক গ্রামের বাসিন্দা। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দুই মাস আগে তিনি সৌদি আরব থেকে বাড়িতে এসেছিলেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পু্লিশ সূত্রে জানা যায়, আগে থেকে নজরুলের সঙ্গে তার বড় ভাই হারুন সরদারের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। নজরুল দেশে আসার পর সেই বিরোধ আরও বেড়ে যায়। ঘটনার সময় নজরুল নামাজ আদায় করছিলেন। তখন সেজদা দিতে যাওয়ার সময় নজরুলকে বড় ভাই হারুন একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে একটি কোপ দেয়। তারপর আরও একাধিক কোপ দিলে নজরুল গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, নজরুল সরদারকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় মীরগঞ্জ ফেরির কাছাকাছি পৌঁছালে তিনি মারা যান। তার লাশ বর্তমানে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ঘটনার সময় মসজিদে উপস্থিত অন্যান্য মুসল্লিদের অধিকাংশ প্রবীণ হওয়ায় কেউ হারুনকে প্রতিরোধ করার সাহস দেখায়নি।
কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ ছিল। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান। অভিযুক্তকে আটকে অভিযান চলছে।”

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে মসজিদে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। আজ রোববার জোহরের নামাজ চলাকালে উপজেলার আন্দারমানিক ইউনিয়নের আন্দারমানিক গ্রামের গোলেরহাট মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল সরদার (৩৫) মেহেন্দিগঞ্জের আন্ধারমানিক গ্রামের বাসিন্দা। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দুই মাস আগে তিনি সৌদি আরব থেকে বাড়িতে এসেছিলেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পু্লিশ সূত্রে জানা যায়, আগে থেকে নজরুলের সঙ্গে তার বড় ভাই হারুন সরদারের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। নজরুল দেশে আসার পর সেই বিরোধ আরও বেড়ে যায়। ঘটনার সময় নজরুল নামাজ আদায় করছিলেন। তখন সেজদা দিতে যাওয়ার সময় নজরুলকে বড় ভাই হারুন একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে একটি কোপ দেয়। তারপর আরও একাধিক কোপ দিলে নজরুল গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, নজরুল সরদারকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় মীরগঞ্জ ফেরির কাছাকাছি পৌঁছালে তিনি মারা যান। তার লাশ বর্তমানে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ঘটনার সময় মসজিদে উপস্থিত অন্যান্য মুসল্লিদের অধিকাংশ প্রবীণ হওয়ায় কেউ হারুনকে প্রতিরোধ করার সাহস দেখায়নি।
কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ ছিল। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান। অভিযুক্তকে আটকে অভিযান চলছে।”