Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

চিকিৎসার জন্য ডেকে এনে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ১৭: ২৫
চিকিৎসার জন্য ডেকে এনে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

চিকিৎসার কথা বলে স্ত্রীকে ডেকে এনে হত্যার অভিযোগে স্বামী নেজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাজউল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

দণ্ডপ্রাপ্ত নেজাম উদ্দিন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পূর্ব জিরি গ্রামের মৃত কবির আহম্মদের ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্ত্রীর হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ জুলাই রাতে চিকিৎসার জন্য স্ত্রী শাহানাজ বেগমকে হাসপাতালে ভর্তির কথা বলে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ওঠেন নেজাম। এর দুই দিন পর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ত্রীর মরদেহ শ্বশুড়বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। সে সময় শাহানাজ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে দাবি করেন নেজাম।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পরবর্তীতে এ ঘটনায় শাহানাজ বেগমের ভাই আজগর আলী বাদী হয়ে নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, শাহানাজকে বহদ্দারহাটের হোটেলে এনে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।

মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় আজ আদালত এই রায় প্রদান করেন।

বিষয়: কারাদণ্ডজেলার খবরচট্টগ্রামযাবজ্জীবনআদালত
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

    পদত্যাগকারী প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. কাউছার হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে আমরা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি।” তবে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন উপাচার্য।

  • ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার ইসি জানিয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে উপনির্বাচন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন তফসিল চূড়ান্ত করার পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ তা ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং ক

  • হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

    জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার কাফরুল থানার হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

  • মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

    শান্তর মামা মিরাজ অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় নদীর পাড়ে এভাবে বাঁধা অবস্থায় থাকলে জোয়ারের পানিতে ডুবে শান্ত মারা যেতে পারতেন। পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে নদীর পাড়ে রশি দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে রেখে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।