Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

এবারই কি সবচেয়ে বড় জয় পেল বিএনপি

নাইর ইকবাল

নাইর ইকবাল

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬: ০৯
এবারই কি সবচেয়ে বড় জয় পেল বিএনপি

১৯৭৮ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন নিজের রাজনৈতিক দল বিএনপি। প্রতিষ্ঠার কয়েক মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ২০৭ আসনে জয় পেয়েছিল দলটি। ৭৯’র নির্বাচনের ৪৬ বছর পর দলটি তার প্রতিষ্ঠাকালীন সাফল্যকে ছাড়িয়ে গেল। ১৯৯৬ সালের একতরফা ও বিরোধীদলবিহীন ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২৭৮ আসন পেলেও নির্বাচনটি ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সে হিসেবে এবারের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২০৯ আসনই এখন বিএনপির সেরা নির্বাচনী সাফল্য।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়া চট্টগ্রামে নিহত হন। এরপর দলের হাল ধরেছিলেন তার সহধর্মিনী খালেদা জিয়া। তিনি এর পরের এক দশক বিএনপিকে সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেন। ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ১৪০ আসন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও সরকার গড়ার মতো আসন তারা লাভ করতে পারেনি। পরে নিজেদের ১৮ আসন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী বিএনপিকে সমর্থন দিলে তারা সরকার গঠন করে। এর আগে ১৯৮৬ সালে প্রথমে এরশাদের সামরিক শাসনের অধীনে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। বিএনপি ছিল না ১৯৮৮ সালের চতুর্থ সংসদ নির্বাচনেও।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ফাইল ছবি
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ফাইল ছবি

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনটি ছিল বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ। বিরোধী দলের বর্জনের মুখে অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে বিএনপি ছিল একেবারেই প্রতিদ্বন্দ্বিহীন। ২৭৮ আসন তাই দলটির জন্য গর্বের কোনো বিষয় নয় কখনোই। একপেশে সেই নির্বাচনে গঠিত সংসদ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ১৩ দিন। বিএনপি সব সময়ই বলে এসেছে শুধুমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যেই বাধ্য হয়ে তাদের সেই একতরফা নির্বাচনটি করতে হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সেই নির্বাচনের ঠিক চার মাস পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি হেরেছিল। তারপরেও বিএনপি জিতেছিল ১১৬টি আসন। এখনো পর্যন্ত জাতীয় সংসদে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল তারাই। সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবেও বিএনপির চেয়ে আর কোনো দলই বেশি আসন জিততে পারেনি।

জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি

২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি আবারও ক্ষমতায় ফেরে। তবে সেবার তারা একা ছিল না। চারদলীয় জোটের মোড়কে বিএনপির বড় সঙ্গী ছিল জামায়াত। ছিল নাজিউর রহমান মঞ্জুর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও ইসলামী ঐক্যজোট। ২০০১ নির্বাচনে একক দল হিসেবে বিএনপি ১৯৩ আসন পেয়েছিল। জামায়াত, বিজেপি ও ইসলামী ঐক্যজোটের আসন মিলে সেবার সংসদে দুই–তৃতীয়াংশ আসন পেয়েছিল চারদলীয় জোট। ২০০৮ সালে সেই চারদলীয় জোটেরই ভরাডুবি হয়েছিল নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। বিএনপি এককভাবে পেয়েছিল মাত্র ৩০ আসন। জামায়াত পেয়েছিল ২টি, বিজেপি ১টি।

নবম সংসদ নির্বাচনে ২৩০টির বেশি আসনে জিতেছিল আওয়ামী লীগ। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তারা ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে পরপর তিনটি প্রশ্নবিদ্ধ ও কারচুপির নির্বাচন আয়োজন করে ১৫ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকে দলটি। বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে ২০১৪ সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত দুটি সংসদের বাইরে থাকার পর ২০১৪ সালের পরই সংসদে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না। ২০১৮ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও বিতর্কিত সেই নির্বাচনে দলটির ভাগ্যে জোটে মাত্র ৬টি আসন। সংসদে সেটিই ছিল বিএনপির সর্বনিম্ন সংখ্যায় প্রতিনিধিত্ব। ২০২৪ সালে বিএনপি আবারও নির্বাচন বর্জন করে। বিএনপিবিহীন সেই সংসদ অবশ্য ৭ মাসের বেশি টিকতে পারেনি। জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের।

জুলাই–অভ্যুত্থানের ১৮ মাসের মাথায় অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এসে বিএনপি পেল ভূমিধস এক বিজয়। প্রতিষ্ঠার ৪৭ বছরের মাথায় এসে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার হাতে গড়া বিএনপি তাদের ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে তৈরি করল নতুন এক ইতিহাস।

বিষয়: বিএনপিনির্বাচনভোটরাজনীতিসংসদ
সর্বশেষ
  • ১

    এশিয়া কাপ: শিরোপায় চোখ রেখে বাংলাদেশের ‘ভারত পরীক্ষা’

  • ২

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ৩

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৪

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৫

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।