Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ফ্লোর ক্রসিং কী, বিভ্রান্তি কেন

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৫: ৫৪
ফ্লোর ক্রসিং কী, বিভ্রান্তি কেন

গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ‘ফ্লোর ক্রসিং’ শব্দটা আবার আলোচনায় এসেছে। ওই ঘটনায় কোনো কোনো গণমাধ্যম তাদের ফেসবুক পেজে ফটোকার্ড প্রকাশ করে লিখেছে, ‘ফ্লোর ক্রসিং না করে পেছনে বসলেন প্রধানমন্ত্রী’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আসলে কী ঘটেছিল সংসদে

গতকাল বুধবার সংসদে আইনমন্ত্রী মো.আসাদুজ্জামান বক্তব্য দিচ্ছিলেন। বক্তব্যের এক পর্যায়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ কক্ষে ঢুকে আইনমন্ত্রীর পেছনের সারিতে ফাঁকা চেয়ারে বসে পড়েন। পরে বক্তব্য শেষ হলে তিনি নিজ আসনে যান। এই ঘটনাকে কেউ কেউ বলছেন, ‘ফ্লোর ক্রস’ এড়ানো। বুধবারও সংসদে এ কথা বলা হয়। প্রশ্ন হলো-কেন সংসদ নেতা আইনমন্ত্রীর সামনে দিয়ে গিয়ে নিজের আসনে বসলেন না?

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ২৬৭ বিধিতে, সংসদে সদস্য কর্তৃক পালনীয় বিধি সম্পর্কে বলা আছে। সেখানে একটি উপধারায় বলা আছে, “সভাপতি এবং বক্তৃতারত কোনো সদস্যের মধ্যবর্তী স্থান দিয়া চলাচল করিবেন না।” অর্থাৎ কোনো সংসদ সদস্য যখন বক্তব্য দেন তখন অন্য কেউ বক্তৃতারত সদস্য এবং স্পিকারের মাঝখান দিয়ে চলাচল করবেন না। এই নিয়মটাই মেনেছেন সংসদ নেতা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

নবম জাতীয় সংসদেও তৎকালীন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক দিন এরকম করেছিলেন। তখনো কোনো কোনো গণমাধ্যমে একইভাবে সংবাদে শিরোনাম করেছিল, “ফ্লোর ক্রসিং এড়ালেন প্রধানমন্ত্রী।”

ফ্লোর ক্রসিং কী?

সংসদ কক্ষের মেঝেকেই আসলে ফ্লোর বলা হয়। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের রীতি অনুযায়ী সরকারি দল স্পিকারের ডানে আর বিরোধী দল বসে বামে। অর্থাৎ সংসদের মেঝের দুই দিকে দুই দলের এমপিরা বসেন। কেউ যদি নিজ দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেন তাহলে ‘ফ্লোর ক্রস’ হয়। অর্থাৎ দল থেকে পদত্যাগ করলে বা দল পরিবর্তন করলে ফ্লোর ক্রস হয়।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ওয়েবসাইটে বলা আছে, “রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্য পরিবর্তন করার অর্থ আক্ষরিক অর্থেই কক্ষের একপাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়ার জন্য সংসদের মেঝে অতিক্রম করা বা ‘ফ্লোর ক্রসিং’ করা।”

বাংলাদেশে ফ্লোর ক্রস হলে কী হয়

বাংলাদেশে কেউ যদি ফ্লোর ক্রস করেন তাহলে তার সংসদ সদস্য পদ থাকে না। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে এ বিষয়ে বলা আছে। এই অনুচ্ছেদটি নিয়ে অনেক আলোচনা-বিতর্ক রয়েছে। অনেকেই এই অনুচ্ছেদের সংশোধন চান। তারা বলেন, এই অনুচ্ছেদের কারণে দলীয় প্রধানের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। এর বিপক্ষে যারা আছেন তাদের যুক্তি, দলীয় শৃঙ্খলার জন্য এই নিয়ম জরুরি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা আছে, “কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি- (ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।”

তবে বাংলাদেশে কোনো এমপিকে যদি দল থেকে বহিষ্কার করা হয় তবে কিন্তু তার সদস্য পদ যায় না। এরকম নজির অষ্টম ও নবম সংসদে একাধিক আছে।

যুক্তরাজ্যে ফ্লোর ক্রসিং-এর উদাহরণ আছে। বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব উইনস্টন চার্চিল ১৯০৪ সালের ৩১ মে হাউজ অফ কমন্সের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের বেঞ্চ ছেড়ে বিরোধী লিবারেল পার্টির বেঞ্চে গিয়ে বসেন। পরে ১৯২৪ সালে চার্চিল লিবারেল পার্টি ছেড়ে আবার কনজারভেটিভ পার্টিতে ফিরে আসেন এবং পরে দলের নেতৃত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হন।

২০০৭ সালে কুয়েন্টিন ডেভিস কনজারভেটিভ দল ত্যাগ করে লেবার পার্টিতে যোগ দেন।

ফ্লোর ক্রসিং নিয়ে সম্প্রতি যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে তা কিন্তু সহজেই মেটানো যায়। সংসদের যে ২৬৭ বিধির কথা আগেই বলা হয়েছে, সেটার ইংরেজি ভার্সনে বলা আছে, “Whilst the House in sitting a member... shall not pass between the Chair and any member who is speaking…।” ফ্লোর ক্রসিং শব্দটা নেই এখানে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদেও নেই।

আর সংসদীয় ব্যবস্খা নিয়ে যারা একটু খোঁজ-খবর রাখেন তারা বিষয়টি জানেন। সুতরাং আক্ষরিক অনুবাদ করে ফ্লোর ক্রসিং শব্দ ব্যবহার করা সঠিক নয়।

বিষয়: প্রধানমন্ত্রীপার্লামেন্টএমপিফেসবুকসংসদ
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।