Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

বিশ্বকাপের আলটিমেট প্লেয়ার - কী? কারা? কীভাবে ঠিক হলো?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ২২: ৪২
বিশ্বকাপের আলটিমেট প্লেয়ার - কী? কারা? কীভাবে ঠিক হলো?

বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় নিয়ে বিতর্ক অনেক দেখেছেন। হয়তো করেছেনও। কিন্তু বিশ্বকাপের ‘আলটিমেট প্লেয়ার’ কে?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

জোর সম্ভাবনা, প্রশ্নটার উত্তরে পাল্টা প্রশ্নই আসবে– আলটিমেট প্লেয়ার আবার কী?

ইউটিউব-ফেসবুকে ফুটবল সম্পর্কিত পেজগুলোতে এমন অনেক ভিডিও হয়তো আপনার চোখে পড়েছে, যেখানে একজন খেলোয়াড় তার চোখে আলটিমেট প্লেয়ার বানাচ্ছেন। কীভাবে? বলতে পারেন একটা রান্নার রেসিপি আর কী! এর এই গুণ, ওর ওই গুণ মিলিয়ে একজন খেলোয়াড় বানানো। কার হেডিং ভালো, কার সৃষ্টিশীলতা, বাঁ পায়ের জন্য কাকে বেছে নিচ্ছেন, ডান পায়ের জন্য কে, দৌড়ের গতি, শক্তি, স্ট্যামিনা...ক্রাইটেরিয়ার শেষ নেই। প্রতিটি ক্রাইটেরিয়াতে সেরা খেলোয়াড়ের গুণ মিলিয়ে নিলেই ঝটপট তৈরি হয়ে যাবে আলটিমেট প্লেয়ার!

এই ধারণাটাই পরিসংখ্যানবিষয়ক প্রতিষ্ঠান অপটা কাজে লাগাচ্ছে বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে। তাদের কাছে পুঙ্খানুপুঙ্খ ডেটা আছে ১৯৬৬ বিশ্বকাপ থেকে। সে ডেটার ভিত্তিতেই অপটা তৈরি করেছে আলটিমেট ওয়ার্ল্ডকাপ প্লেয়ার। বলাবাহুল্য, সব গুণ মিলিয়ে যে খেলোয়াড় তৈরি হবে, তাকে চর্মচক্ষুতে দেখা সম্ভব নয়। দেখতে হলে যার যার কল্পনাই ভরসা!

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তা শর্তগুলো কী কী? পূর্ণাঙ্গ ফুটবলার গড়ার পথে ৯টি ক্রাইটেরিয়া বেছে নিয়েছে অপটা– হেডিং, মাথার খেল বা ব্রেইন, ভিশন বা দেখার চোখ, স্ট্যামিনা বা ফুসফুসের দম, পায়ের কারুকাজ মানে ড্রিবলিং, ডান পা, বাম পা, পরিশ্রমের মানসিকতা বা ওয়ার্করেইট আর গতি।

তো দেখে নেওয়া যাক, কোন ক্যাটাগরিতে কে আসছেন!

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্লোসা টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে হেডেও সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন। ছবি: রয়টার্স
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্লোসা টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে হেডেও সবচেয়ে বেশি গোল করেছেন। ছবি: রয়টার্স

মাথার জোর: হেড-মাস্টার মিরোস্লাভ ক্লোসা

১৬ গোল নিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্লোসা, এটা সবাই জানে। এই ১৬ গোলের মধ্যে জার্মান স্ট্রাইকার ৭টি গোলই করেছেন হেডে– ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর থেকে হেডে এর চেয়ে বেশি গোল কারও নেই। বিশ্বকাপে কোনো এক ম্যাচে শুধু হেডে গোল করেই হ্যাটট্রিক করে ফেলার সর্বশেষ কীর্তিটিও তার– ২০০২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে। বিশ্বকাপে হেড করে সবচেয়ে বেশি শট (২৬টি) নেওয়ার কীর্তিও ক্লোসার।

ছিয়াশি বিশ্বকাপের নায়ক ম্যারাডোনা মাথার খেলায়ও সেরা। ছবি: রয়টার্স
ছিয়াশি বিশ্বকাপের নায়ক ম্যারাডোনা মাথার খেলায়ও সেরা। ছবি: রয়টার্স

মস্তিষ্ক: ‘চাচা চৌধুরী’ ডিয়েগো ম্যারাডোনা

পাঁচ গোল, পাঁচ অ্যাসিস্ট, একা হাতে শিরোপা জেতানো– এক ছিয়াশির বিশ্বকাপ দিয়েই অমর ম্যারাডোনা। অপটার হিসাবে, বিশ্বকাপে সতীর্থদের দিয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করানো; অর্থাৎ, অ্যাসিস্টের রেকর্ডেও যৌথভাবে শীর্ষে ম্যারাডোনা। ৮টি অ্যাসিস্ট ম্যারাডোনার, সমান অ্যাসিস্ট আর্জেন্টিনারই মেসির। কিন্তু অ্যাসিস্টের পেছনে তো স্ট্রাইকারেরও কৃতিত্ব থাকে। স্ট্রাইকার গোল করতে না পারলে তো আর অ্যাসিস্টের রেকর্ড হয় না! তা স্ট্রাইকার গোল করতে পারুক বা না পারুক, তার পাস গোলের সুযোগটা অন্তত তৈরি করে দিয়েছে–হালের ডেটা-সায়েন্সভিত্তিক ফুটবলের যে ফর্মুলা এমন রেকর্ড হিসাব করে, সেই ‘এক্সপেকটেড অ্যাসিস্ট (xA)’-এর রেকর্ডে ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর থেকে সবার সেরা ম্যারাডোনা (৭.৪ xA)।

সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার সাফল্যের অনুঘটক মদরিচই। ছবি: রয়টার্স
সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার সাফল্যের অনুঘটক মদরিচই। ছবি: রয়টার্স

ভিশনারি: লুকা মদরিচ চোখ দিয়ে দেখেন, মন দিয়েও

অপটার এই তালিকায় একমাত্র বিশ্বকাপ না জেতা ফুটবলার। অবশ্য ক্রোয়েশিয়ার মতো দলকে বিশ্বকাপ জেতাতে গেলে ছিয়াশির ম্যারাডোনার চেয়েও বেশি কিছু হতে হতো! তা না হোক, ক্রোয়াটদের ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনাল কিংবা গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার কারিগর তো একজনই– মদরিচ! বিশ্বকাপে ‘লাইন ব্রেকিং’ বা প্রতিপক্ষের রক্ষণরেখা চিরে ফেলা পাসই মদরিচ দিয়েছেন ১৭৫টি– যে কীর্তি মেসি, নেইমার, দি ব্রুইনাদের মতো জিনিয়াসদেরও নেই।

১৯৯৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শিরোপার পথে অধিনায়ক দুঙ্গার অবদান চোখে পড়ুক না পড়ুক, রেকর্ডবইয়ে লেখা আছে। ছবি: রয়টার্স
১৯৯৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শিরোপার পথে অধিনায়ক দুঙ্গার অবদান চোখে পড়ুক না পড়ুক, রেকর্ডবইয়ে লেখা আছে। ছবি: রয়টার্স

স্ট্যামিনা: ‘দমের কারণেই যম’ দুঙ্গা

ব্রাজিলের সাম্বার ছন্দ তার খেলায় খুঁজতে যাওয়া বিলাসিতা। তবে গত ৬০ বছরে বিশ্বকাপ ইতিহাসে বলে সবচেয়ে বেশি টাচ (১৯৫১), সবচেয়ে বেশি পাস (১৩০৬), সবচেয়ে বেশি বার প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নেওয়া ট্যাকল (৭৩) কিংবা প্রতিপক্ষের পাস আটকানোর (৪১টি ইন্টারসেপশন) রেকর্ড গড়া দুঙ্গার কারণেই আক্রমণে রোমারিওরা সাম্বার ছন্দ তুলেছেন অনায়াসে।

ওয়ার্করেট: ‘মেশিন’ টমাস মুলার

টমাস মুলার - বল নিজ দলের পায়ে থাকলে ভয়ংকর, না থাকলে ক্ষিপ্র। ছবি: রয়টার্স
টমাস মুলার - বল নিজ দলের পায়ে থাকলে ভয়ংকর, না থাকলে ক্ষিপ্র। ছবি: রয়টার্স

প্রতিপক্ষ রক্ষণের ত্রাস, নিজ দলের অক্সিজেন জার্মান এই মিডফিল্ডার সর্বশেষ চার বিশ্বকাপে ‘হাই ইন্টেনসিটি প্রেশার’ দিয়েছেন অন্য যে কারও চেয়ে বেশি (৬৯০)। অর্থাৎ, প্রতিপক্ষের পায়ে বল গেলেই গায়ে গায়ে লেগে থাকা, পাসের পথ আটকে দেওয়াতে মুলার অনন্য। আর নিজ দলের কারও পায়ে বল থাকলে? প্রতিপক্ষের ডিফেন্স লাইনকে ফাঁকি দেওয়া দৌড়ের (রান-ইন-বাহাইন্ড) হিসাবে ২০১০ বিশ্বকাপ থেকে মুলারের চেয়ে এগিয়ে কেউ নেই (১৯৩ বার)।

গতি: কিলিয়ান ‘উসাইন বোল্ট’ এমবাপ্পে

সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে দর্শককে বিস্ময়ে আবিষ্ট করেছে এমবাপ্পের গতি। ছবি: রয়টার্স
সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে দর্শককে বিস্ময়ে আবিষ্ট করেছে এমবাপ্পের গতি। ছবি: রয়টার্স

২০২২ বিশ্বকাপে বল পায়ে নিয়ে সবচেয়ে দ্রুতগতির পাঁচটি দৌড়ের তিনটিই ছিল এমবাপ্পের। বলাবাহুল্য, সবচেয়ে দ্রুতগতির দৌড়টিও তার– পোল্যান্ডের বিপক্ষে সে দৌড়ে সর্বোচ্চ গতি উঠেছিল ঘণ্টায় ৩৪.৭৪ কিলোমিটার! তুলনার স্বার্থে জানানো যাক, ১০০ মিটার স্প্রিন্টে রেকর্ড গড়ার সময়ে উসাইন বোল্টের দৌড়ের গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৭.৫৮ কিলোমিটার।

শুধু দৌড়ের গতি দিয়েই তো আর এমবাপ্পে হওয়া যায় না, এমবাপ্পেকে ‘এমবাপ্পে’ বানিয়েছে বল ক্যারি (বল পায়ে নিয়ে ৫ মিটারের বেশি দৌড়) করার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২টি শট– সবচেয়ে বেশি মেসির ২৭টি– আর এরই মধ্যে দুই বিশ্বকাপেই করে ফেলা ১২ গোল।

ড্রিবলিং: লিওনেল মেসির পা তো নয়, যেন জাদুর কাঠি

ড্রিবলিংয়ের কথা আসবে আর মেসির নাম সবার ওপরে থাকবে না, তা হয়? ছবি: রয়টার্স
ড্রিবলিংয়ের কথা আসবে আর মেসির নাম সবার ওপরে থাকবে না, তা হয়? ছবি: রয়টার্স

ড্রিবলিং বললে যদি লিওনেল মেসির আগে অন্য কারও নাম আপনার মাথায় আসে, তাহলে গত দেড় দশকে আপনি ফুটবল ভালোভাবে দেখেননি, অথবা আপনার মন সমর্থনদুষ্ট। ১৯৬৬ বিশ্বকাপ থেকে অপটার রেকর্ড রাখা শুরু, এরপর থেকে সফল ড্রিবলিংয়ে মেসির (১১২ বার) আশপাশেও কেউ নেই। তবে শুধু মনের খেয়ালে খেলোয়াড়কে কাটানো নয়, কাটিয়ে যাওয়ার পরের কাজটুকুতেও সেরা মেসি। ৩৩৪ বার প্রগ্রেসিভ ক্যারি (বল নিয়ে সামনের দিকে ৫ মিটারেরও বেশি এগিয়ে যাওয়া) মেসির, সেখানেও আশপাশে কেউ নেই।

বাম পা: রিভালদোর ডান পায়ের কাজ কী!

রিভালদোর যত গোল আর অ্যাসিস্ট সব বাম পায়েই! ছবি: রয়টার্স
রিভালদোর যত গোল আর অ্যাসিস্ট সব বাম পায়েই! ছবি: রয়টার্স

সব খেলোয়াড়ই কোনো এক পায়ের ওপর বেশি নির্ভর করেন। রিভালদোর মতো খেলোয়াড়েরা এক পা-কেই অস্ত্র বানিয়ে চলেন। ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে গোল করেছেন ৮টি, সবগুলোই বাম পায়ে। এক পায়েই শতভাগ গোলের রেকর্ডে তার চেয়ে এগিয়ে কেউ নেই। যে তিনটি অ্যাসিস্ট করেছেন, সেগুলোর সবই বাম পায়ে। ডান পা শুধু ‘ব্যালেন্সে’র জন্যই দরকার ছিল আর কী!

‘ফেনোমেনন’ দুই পায়েই স্বচ্ছন্দ্য ছিলেন, ডান পায়ে ভয়ংকর। ছবি: রয়টার্স
‘ফেনোমেনন’ দুই পায়েই স্বচ্ছন্দ্য ছিলেন, ডান পায়ে ভয়ংকর। ছবি: রয়টার্স

ডান পা: রোনালদো নাজারিও, ওয়েল ডান!

রিভালদোর মতো এক পায়েই খেলেন না, তার দুই পা-ই চলে। তবে রোনালদো নাজারিও ডান পায়েই কীর্তি গড়ে ফেলেছেন। অপটা জানাচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৫) ব্রাজিল কিংবদন্তির চেয়ে ডান পায়ে এত গোল (১১) বিশ্বকাপ ইতিহাসে আর কারও নেই। ২০০২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রাজিলকে জেতানোর পথে দলের দুই গোলই করেছিলেন রোনালদো, দুটিই ডান পায়ে।

সত্তর বিশ্বকাপে পেলের হেডে গর্ডন ব্যাঙ্কসের সেইভ ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে গেছে। ছবি: রয়টার্স
সত্তর বিশ্বকাপে পেলের হেডে গর্ডন ব্যাঙ্কসের সেইভ ইতিহাসে চিরস্থায়ী হয়ে গেছে। ছবি: রয়টার্স

গোলকিপার: গর্ডন ব্যাঙ্কস

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বিতর্কিত (আর্জেন্টিনা সমর্থক হলে আপনার জন্য শব্দটা বিখ্যাত) হাতের কাজ ম্যারাডোনার হতে পারে, লুইস সুয়ারেসও দুই নম্বরে থাকতে পারেন, তবে অপটা হাতের কাজ বলতে গোলকিপিং বোঝাচ্ছে। বিশ্বকাপের আলটিমেট গোলকিপার কে? অপটার উত্তর– গর্ডন ব্যাঙ্কস।

বিশ্বকাপে ৩০টির বেশি সেভ করেছেন– এমন গোলকিপারদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো সেভের হার (৮৯%) ব্যাঙ্কসের, তার পোস্টের দিকে ধেয়ে আসা (শট অন টার্গেট) ৩৭টি শটের ৩৩টিই ঠেকিয়েছেন। গোলপোস্টমুখী শটের মানের ভিত্তিতে গোল হওয়ার সম্ভাবনা বিচার করে অপটার ‘এক্সপেকটেড গোলস অন টার্গেট’ মডেল, আর সেই মডেল বলছে, ব্যাঙ্কস ৭.১টি গোল ঠেকিয়েছেন– বিশ্বকাপ জেতা অন্য যেকোনো গোলকিপারের চেয়ে বেশি।

অবশ্য ব্যাঙ্কস কেমন নিশ্চিত গোল ঠেকাতেন, তা জানার জন্য রেকর্ড লাগে নাকি! ১৯৭০ বিশ্বকাপে পেলের জোরাল হেডে ব্যাঙ্কসের গ্র্যাভিটিকে কাঁচকলা দেখানো সেভ দেখলেই চলে!

অনারেবল মেনশন

মডেলে নাম এসেছে, কিন্তু রেকর্ডে অল্পের জন্য পিছিয়ে থাকায় এই তালিকায় নাম আসেনি– এমন খেলোয়াড়দের অনেকের নামও জানিয়ে দিয়েছে অপটা। তাদের মধ্যে কে কে আছেন? ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, তেওফিলো কুবিইয়াস, ইয়োহান ক্রুইফ, রজার মিলা, দিনো জফ এবং আরও অনেকে।

অনেকের চোখে আলটিমেট প্লেয়ার মানে পেলেই। ছবি: রয়টার্স
অনেকের চোখে আলটিমেট প্লেয়ার মানে পেলেই। ছবি: রয়টার্স

পেলের নাম কীভাবে না থাকে!

অনেকের চোখেই ইতিহাসের সেরা ফুটবলার। ডান পা, বাঁ পা, হেড, ড্রিবলিং, গোল করা ও করানো– সব বিবেচনায় নিখুঁত ফুটবলারের মানদণ্ডও তাকে ধরেই ঠিক করেন অনেকে। তাহলে ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলের নাম কীভাবে এই তালিকার কোথাও না আসে!

অপটা এর ব্যাখ্যা দিয়েছে, যার ইঙ্গিত অবশ্য লেখার শুরুতেও আছে–এখানে সব তথ্য ১৯৬৬ বিশ্বকাপ ও এর পরের। এর আগের বিশ্বকাপগুলোর তথ্য বা ভালো ভিডিও ফুটেজও তেমন পাওয়া যায় না। ওদিকে ১৯৬৬ পেলের বিশ্বকাপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বাজে– ব্রাজিল গ্রুপ পর্বে বিদায় নিয়েছে, পেলে ২ ম্যাচে করেছেন ১ গোল। ১৯৭০-এ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলে পেলে ছিলেন দারুণ একটা দলের অংশ।

পেলের বিশ্বকাপগাথা বর্ণনায় তো ১৯৫৮-ই থাকবে সবচেয়ে বেশি আলোটুকু নিয়ে! সেটিরই ভিডিও-তথ্য অপ্টার এই রেকর্ডে নেই। যেমন নেই ত্রিশ দশকে ইতালির জিসেপ্পে মেয়াৎসাকে, পঞ্চাশে উরুগুয়ের অস্কাস মিগেস কিংবা ৫৮-তেই ফ্রান্সের জুস্ত ফন্তাইন কিংবা রেমন্ড কোপার কীর্তির সংখ্যাতত্ত্ব।

বিষয়: এমবাপ্পেব্রাজিল ফুটবলফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬দিয়েগো ম্যারাডোনাক্রিস্টিয়ানো রোনালদোফ্রান্স ফুটবললিওনেল মেসিআর্জেন্টিনা ফুটবলইংল্যান্ড ফুটবলপেলে
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।