Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ নিয়ে কতটা এগোলো বিশেষ কমিটি

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ২০: ১৪
অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ নিয়ে কতটা এগোলো বিশেষ কমিটি

মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শুরু করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আজ মঙ্গলবার সংসদ ভবনে কমিটির প্রথম বৈঠকে মোট অধ্যাদেশের অর্ধেকেরও কম সংখ্যক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে জারি করা ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ-২০২৬’–এর বিষয়ে কমিটি একমত হয়েছে। এটি সংসদে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করবে বিশেষ কমিটি।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন সাংবাদিকদের বলেন, “বৈঠকে অর্ধেকের কম হবে এমন সংখ্যার অধ্যাদেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি। এর মধ্যে কিছু বিষয়ের ওপর দু-একজন সদস্যের কিছু কিছু মতামত আছে। আমরা বলেছি সেগুলো পরবর্তী সভায় আলোচনা করার জন্য। পরবর্তী সভায় সমাপ্ত না হলে লিখিতভাবে দেওয়ার জন্য বলেছি।”

কমিটির সভাপতি জানান, আগামীকাল বুধবার বেলা দুইটায় আবার বৈঠক শুরু হবে। সব কটি যাচাই–বাছাই শেষ না হলে আরও বৈঠক হবে। কমিটি আশা করছে, ২ এপ্রিলের মধ্যে তারা প্রতিবেদন দিতে পারবেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। ওই দিনই অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনায় একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। পরে অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনা করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনায় আগামীকাল বুধবার আবার বৈঠকে বসবে কমিটি।

মঙ্গলবার বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাতটি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের মাঝপথে বের হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিশেষ কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে এক বৈঠকে ফয়সালা করা সম্ভব হবে না। আরও কয়েক দফা বৈঠকে বসতে হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অনেক বিষয়ে একমত হওয়া গেছে। জুলাই ইনডেমনিটি’র বিষয়ে সবাই পুরোপুরি একমত হয়েছে। যদি সংশোধনী আনতে হয়, সেটা পরে।”

বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “কতটি বিষয়ে কমিটি একমত হয়েছে, তা এখন বলা যাবে না। যখন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, তখন বলা যাবে।”

সংবিধান ও গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা-এ দুটির মধ্যে কোনটিকে প্রাধান্য দেওয়া হবে, জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, দুটাকে সমন্বয় করে তারা এগিয়ে যেতে চান। সংবিধান অবশ্যই সবার থেকে এগিয়ে থাকে।

বৈঠক শেষে বিশেষ কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষার বিষয়ে অধ্যাদেশে যেসব বিষয় এসেছে, তাতে তারা একমত। বৈঠকে আলোচনা হওয়া বেশির ভাগ অধ্যাদেশ সুপারিশ আকারে সংসদে উত্থাপনের বিষয়ে কমিটি একমত হয়েছে।”

সংবিধান ও জুলাই আকাঙ্ক্ষার মধ্যে কোনটি প্রাধান্য পাবে-জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, তারা জুলাই আকাঙ্ক্ষাকে অবশ্যই প্রাধান্য দেবেন। সংবিধান মানুষের জন্য, সংবিধানের জন্য মানুষ নয়। জুলাই চেতনাকে সমুন্নত রেখে সংবিধানের পরিবর্তনের দরকার হলে পরিবর্তন হবে। দেশের প্রয়োজনে, জনগণের প্রয়োজনে পরিবর্তন হতেই পারে।

যেসব অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা

সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশেষ কমিটির বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, জুলাই গণ–অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশ অধ্যাদেশ, বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিস (অ্যামেন্ডমেন্ট) প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিস (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স-২০২৬, জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৬, বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ এবং স্থানিক পরিকল্পনা অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিনের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং জি এম নজরুল ইসলাম অংশ নেন।

বিষয়: ত্রয়োদশ সংসদঅভ্যুত্থানজাতীয় সংসদসংসদীয় কমিটি
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।