Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

কেন অকার্যকর আরবের সামরিক বাহিনী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪: ১৫
কেন অকার্যকর আরবের সামরিক বাহিনী?

মধ্যপ্রাচ্যের অনেক আরব দেশ উচ্চ অর্থনৈতিক ও সামরিক ব্যয় সত্ত্বেও কার্যকর সামরিক সক্ষমতা দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতে জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের বিমান বাহিনী কিছুটা সফল হলেও ইসরায়েলের সঙ্গে বিরোধে তারা প্রায়ই ব্যর্থ হয়েছে। ১৯৯১ সালের পারস্য যুদ্ধে মিশর দুটি সাঁজোয়া ডিভিশন মোতায়েন করেও ইরাকি প্রতিরোধের সঙ্গে একা লড়াই করতে পারছিল না; পরে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। সেই সময় সৌদি আরবের মতো দেশগুলো কেবল সীমিত সেনা পাঠিয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা (জিসিসি) বা ছয়টি দেশের মোট সামরিক ব্যয় ১২০ বিলিয়ন ডলার হলেও, এসব দেশের বাহিনী কার্যকর নয়। এদের কাছে আছে ৯ লাখ ৪৪ হাজার সেনা, ৪,৮০০ ট্যাঙ্ক ও ১,০০০ যুদ্ধবিমান। যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজের গবেষক আন্দ্রেয়াস ক্রেইগের মতে, অনেক চটকদার সামরিক কেনাকাটা মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য। উদাহরণস্বরূপ, কাতার ও সৌদি এফ-১৫, রাফায়েল ও টাইফুন যুদ্ধবিমান কিনেছে। তবে এসব যন্ত্রপাতি বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকরতা দেখাতে ব্যর্থ।

নৌবাহিনীর ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরও প্রকট। বাণিজ্যিক জাহাজের উপর অর্থনীতি নির্ভরশীল হওয়ায় বড় নৌবাহিনী গড়া হয় না। কাতারের নৌবাহিনী ইতালি থেকে জাহাজ কিনলেও পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত নাবিক নেই। এসব দেশে প্রায়ই অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই, যা তীব্র হামলা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

রাজনৈতিক কারণও গুরুত্বপূর্ণ। কর্তৃত্ববাদী আরব শাসকরা সেনাদের স্বাধীনভাবে অভিযান চালাতে দিতে নারাজ। প্রশিক্ষণ পূর্বনির্ধারিত এবং বাস্তব যুদ্ধের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন। ফলে সেনাবাহিনী প্রায় প্রাইটোরিয়ান বাহিনীর মতো কাজ করে—রাজপরিবার ও রাষ্ট্র ক্ষমতা রক্ষার জন্য। সৌদি আরবের ন্যাশনাল গার্ড রাজপরিবারের নিরাপত্তায় নিয়োজিত, মিশরের সেনাবাহিনী বিস্তৃত বাণিজ্যিক সাম্রাজ্য পরিচালনা করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সামরিক সমন্বয়, আস্থা ও অভিজ্ঞতার অভাবও সমস্যা বাড়ায়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে যৌথ জিসিসি সামরিক কাঠামোর প্রস্তাব বাতিল হয়, কারণ ছোট দেশগুলো বড় প্রতিবেশীর প্রতি সেনা নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করতে নারাজ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সামাজিক বিভাজন, অহংকার ও সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ গোপনীয়তা এ অব্যবস্থার মূল কারণ।

ফলশ্রুতিতে, অর্থ ও আধুনিক অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও আরব সেনাবাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর নয়। রাজনৈতিক কাঠামো, সামাজিক সীমাবদ্ধতা এবং প্রশিক্ষণের অভাব না বদলালে এই পরিস্থিতি সহজে পরিবর্তন হবে না।

তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, মিডল ইস্ট রিভিউ অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স ও দ্য ইকোনমিস্ট

বিষয়: আরব বিশ্বসৌদি আরবইরানমধ্যপ্রাচ্যআরব আমিরাতসেনাবাহিনী
সর্বশেষ
  • ১

    ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় জামিনে বের হয়ে মনিরুজ্জামানের ট্রিপল মার্ডার

  • ২

    ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট

  • ৩

    খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

  • ৪

    ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আগুন, সবশেষ যা জানা গেল

  • ৫

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।