Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

রাশিয়া ক্ষুব্ধ, চীন দেখছে, বিশ্ব নার্ভাস

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২১: ২১
রাশিয়া ক্ষুব্ধ, চীন দেখছে, বিশ্ব নার্ভাস

আমরা যেমন জানি–মার্কিন সেনাবাহিনী কারাকাসে এক আকস্মিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনাটা ঠিক এমনই হঠাৎ। আর যেই না সেটা ঘটল, আমেরিকা বলল, “এখন ভেনেজুয়েলার খেলাটা আমাদের নিয়ন্ত্রণে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এরপর ট্রাম্প একটি বড় ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ৩ থেকে ৫ কোটি ব্যারেল তেল তুলে দেবে। কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো পরিষ্কার নয়–এটা কি প্রতিদিন, প্রতি মাসে, নাকি একবারের জন্য? তবে দেখে শুনে মনে হয়, এটা এককালীন হস্তান্তরই।

বর্তমান বাজারদরে, ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৫৬ ডলার ধরলে, এই তেলের দাম দাঁড়ায় আনুমানিক ১৭০ কোটি থেকে ২৮০ কোটি ডলারের মধ্যে। বিষয়টা সহজভাবে দেখলে এমন মনে হয়–এটিই যেন মাদুরোকে গ্রেপ্তার করতে যুক্তরাষ্ট্র যে পুরো অপারেশন চালিয়েছে, তার মোট খরচ। অর্থাৎ, আমেরিকা একজন প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তার করল, বিশ্বকে নিজের শক্তির নাটক দেখাল, আর সেই নাটকের পুরো বিল আদায় করল ভেনেজুয়েলার তেলের মাধ্যমে। সংক্ষেপে–মিশন সম্পন্ন, বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, আর খরচ মেটানো হয়েছে ভেনেজুয়েলার তেল দিয়ে। অথচ এই মিশনে সর্বোচ্চ খরচ হতে পারে ৩০-৫০ লাখ ডলার।

একই সময়ে আমেরিকা বলল, “ভেনেজুয়েলার তেল গোপনে সরানোর চেষ্টা করলে যেকোনো ট্যাংকার আমরা আটকে দেব।” অর্থাৎ, অনুমতি না থাকলে পৃথিবীর কোথাও তেলের ব্যবসা চলবে না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
রাশিয়ার ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র কতটা ভয়ঙ্কর?oreshnik 1

এবারই আসে থ্রিলারের পরের অংশ

এর আগে একটি ট্যাংকার ছিল-নাম ‘বেলা ১’। আমেরিকা সেটিকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছিল। অভিযোগ ছিল এটি ইরান, ভেনেজুয়েলা ও অন্যদের জন্য অবৈধ তেল বহন করছে। এটি একটি ‘শ্যাডো ফ্লিট’-এর অংশ-অর্থাৎ কালোবাজারে তেল পরিবহনের নেটওয়ার্ক।

ডিসেম্বরের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে, আমেরিকার কোস্ট গার্ড ভেনেজুয়েলার কাছে এটিকে থামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু জাহাজটি থামেনি। উল্টো দিকে ঘুরে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের দিকে পালিয়ে যায়। তখনই শুরু হয় ধাওয়া।

ধাওয়ার সময় ঘটে এক নাটকীয় ঘটনা। জাহাজটির ক্রুরা জাহাজের গায়ে রাশিয়ার পতাকা এঁকে দেয়, জাহাজের নাম বদলে রাখে ‘মারিনারা’, আর ঘোষণা করে–“এখন আমরা রাশিয়ান।”

এমন কথাও বলা হয় যে, ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারির দিকে রাশিয়া একটি সাবমেরিন পাঠায় উত্তর আটলান্টিকে, আমেরিকার ধাওয়া এড়িয়ে চলা নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ট্যাংকারটিকে রক্ষা করতে। বিষয়টা তখন আর শুধু তেলে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এটা হয়ে যায় আমেরিকা বনাম রাশিয়া।

আইসল্যান্ডের কাছাকাছি উত্তাল সাগরে কয়েক সপ্তাহ ধরে ধাওয়ার পর, সাবমেরিন ও রুশ যুদ্ধজাহাজ পুরোপুরি পৌঁছানোর আগেই, ৭ জানুয়ারি আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী হেলিকপ্টার থেকে নেমে ট্যাংকারটি দখল করে। তারা সমুদ্রের মাঝখানেই জাহাজে উঠে সেটি জব্দ করে।

বিরল খনিজ নিয়ে আমেরিকা-চীন ১ বছরের চুক্তিtrump xinping scatch

এ জন্য একটিও গুলি ছোড়া হয়নি, কোনো যুদ্ধ হয়নি–কিন্তু একটি বিশাল বার্তা দেওয়া হয়েছে। আমেরিকা বলেছে, “আমরা তোমাদের রুশ পতাকা মানি না। এই জাহাজের কোনো রাষ্ট্র নেই।”

একই দিনে, ৭ জানুয়ারি, আমেরিকা আরেকটি ট্যাংকার জব্দ করে–এর নাম ‘সোফিয়া’। এই জাহাজটি ভেনেজুয়েলার তেলে ভর্তি ছিল এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ করে চুপিচুপি চলাচল করছিল। সোফিয়া প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল বহন করছিল, যা হোসে ওয়েল টার্মিনাল থেকে নেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক জলসীমায় ঢোকার আগেই জাহাজটিকে আটকানো হয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এটি ছিল জব্দ হওয়া চতুর্থ ট্যাংকার।

তাহলে আমেরিকা আসলে কী করছে?

আমেরিকা স্পষ্ট করে দিচ্ছে–শুধু সেই তেলই চলবে, যা আমাদের নিয়ম মেনে চলবে। বাকিগুলো সব থামিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আমেরিকা কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিলও করছে এবং ভেনেজুয়েলাকে বলছে–আমাদের সঙ্গে কাজ করলে তোমরা বৈধভাবে তেল বিক্রি করতে পারবে। বলা যায়, এক হাতে গাজর, অন্য হাতে লাঠি (ক্যারট অ্যান্ড স্টিক মেথড)।

বাজার এই বার্তাই শুনেছে–শিগগিরই আরও তেল বাজারে আসতে পারে। তাই তেলের দাম কিছুটা কমেছে। সে কারণেই আপনি দেখছেন তেল-সংক্রান্ত শেয়ারগুলোর দরপতন হচ্ছে, আমেরিকার তেল কোম্পানিগুলোর ছাড়া।

কিন্তু পর্দার আড়ালে বিশ্ব আরও বড় কিছু বুঝতে শুরু করেছে। আমেরিকা আর শুধু নিয়ম প্রয়োগ করছে না। আমেরিকা এখন শক্তি প্রয়োগ করছে। গ্রিনল্যান্ড দখলের কথা বলা, ভেনেজুয়েলার তেল আটকে দেওয়া, সমুদ্রজুড়ে জাহাজ ধাওয়া–সবকিছুর মধ্য দিয়ে আমেরিকা প্রকাশ্যে বলছে, বিশ্ব নিয়মে চলে না। বিশ্ব চলে শক্তির ওপর।

তাহলে বড় ছবি কী?

এটাকে সমাজের এক মারামারির মতো ভাবুন। এলাকার সবচেয়ে শক্তিশালী লোকটা বলছে–এখানে যদি কিছু বেআইনি হয়, সিদ্ধান্ত আমি নেব। তুমি না, নিয়ম না। ঠিক এটাই এখন বৈশ্বিক রাজনীতিতে ঘটছে। আর এটা যদি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে পরিস্থিতি খুবই বিপজ্জনক দিকে যেতে পারে।

রাশিয়া ক্ষুব্ধ, চীন দেখছে, বিশ্ব নার্ভাস। কারণ, যখন যুদ্ধজাহাজ তেলবাহী জাহাজ তাড়া করতে শুরু করে, তখন বুঝতে হয়–বিশ্ব খুব কঠিন, খুব আক্রমণাত্মক এক সময়ে ঢুকে পড়ছে।

এটা আর শুধু ভেনেজুয়েলা নিয়ে নয়। এটা হলো–কে নিয়ন্ত্রণ করবে বিশ্বের তেলের সমুদ্রপথ ও বাণিজ্য পথ। আর এই মুহূর্তে আমেরিকা বলছে–আমরাই করি, আমরাই করব। গোলটা ওখানেই।

বিষয়: রাশিয়াআমেরিকাসমুদ্রপথজ্বালানি তেলবিশ্ব অর্থনীতিবাণিজ্যচীনভেনেজুয়েলাঅন্তর্বর্তী সরকার
সর্বশেষ
  • ১

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ২

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৩

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৪

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

  • ৫

    ‘২৪ ঘণ্টা হল খোলা চাই, এইখানে একটা মিসলিডিং আছে’

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।