Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ কী কী সুবিধা পান?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০: ৪৫
‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ কী কী সুবিধা পান?

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সোমবার ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি)’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশে কারা ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি?’ তারা কী ধরনের সুযোগ–সুবিধা ভোগ করেন? খালেদা জিয়াকে এমন মর্যাদা দেওয়ার পর ব্যাপারটি আলোচনায় আসছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রথমেই বোঝা দরকার রাষ্ট্রে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ কারা? বাংলাদেশে সাধারণত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী কিংবা প্রধান উপদেষ্টার পদে যারা থাকেন, তারাই রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী কিংবা প্রধান উপদেষ্টা পদাধিকারীদের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে সংবেদনশীল হিসেবে ধরা হয়। তবে রাষ্ট্রীয়ভাবে এরা এমনিতেই অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তাদের নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ–সুবিধার জন্য আলাদা করে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণার প্রয়োজন পড়ে না। তবে এদের বাইরেও নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিতে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করা হতে পারে। সোমবার যেমন বিএনপি চেয়ারপারসনকে এমনটি ঘোষণা করা হয়েছে।

পাশাপাশি দেশে রাষ্ট্রীয় সফরে আসা বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ মনে করেই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুযোগ–সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। সেক্ষেত্রে আলাদা করে কোনো প্রজ্ঞাপন জারির প্রয়োজন পড়ে না।

‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন-২০২১ এর আওতায় ‘বিশেষ নিরাপত্তা’ পেয়ে থাকেন। এই আইনের ২ ধারায় উল্লেখ আছে, ‘‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি অর্থ সরকার কর্তৃক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান এবং এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণে একই ধরনের ব্যক্তি বলে ঘোষিত অন্য কোনো ব্যক্তিও এর অন্তর্ভুক্ত হবেন।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ব্যক্তি বিশেষকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিশেষ প্রজ্ঞাপন ঘোষণা করেই এটা করা হয়। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও এটিই করা হয়েছে।

অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির শারীরিক নিরাপত্তা দেয় এসএসএফ
অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির শারীরিক নিরাপত্তা দেয় এসএসএফ

‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’র সুযোগ–সুবিধা

এই মর্যাদার ব্যক্তিকে শারীরিক নিরাপত্তা দেয় ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী’ বা এসএসএফ। তাদের সঙ্গে থাকে প্রেসিডেন্টস গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সশস্ত্র সৈনিকেরা। এক্ষেত্রে পিজিআর মূলত স্থাপনার নিরাপত্তা দেয়।

এসএসএফ অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির শারীরিক নিরাপত্তাই শুধু নয়, তাদের চলাফেরা, অবস্থান, বাসভবন ও জনসম্মুখে অবস্থানের সময় সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ করে, তার পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে। অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির চলাফেরার সম্ভাব্য সব বাঁধা দূরে করে তার বাধাহীন চলাফেরাও নিশ্চিত করে এসএসএফ। এ ছাড়া জনসম্মুখে বা অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির চারদিকে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির হাত থেকে তাকে রক্ষা করাও এসএসএফের দায়িত্ব।

অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা ঝুঁকি চিহ্নিত করে এসএসএফ সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে। প্রয়োজনে যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে, তাকে এসএসএফ গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি তাকে গুলিও করতে পারে।

খালেদা জিয়াকে এর আগেও সরকার ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে তাকে ও শেখ হাসিনাকে অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ঘোষণা করে এসএসএফ অধীনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল।

বিষয়: রাষ্ট্রপতিনিরাপত্তাখালেদা জিয়াপ্রধান উপদেষ্টাএসএসএফ
সর্বশেষ
  • ১

    ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট

  • ২

    খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

  • ৩

    ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আগুন, সবশেষ যা জানা গেল

  • ৪

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

  • ৫

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।