Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কী বলছে এইচআরডব্লিউ

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৫: ৫৮
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কী বলছে এইচআরডব্লিউ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সংস্থাটির মতে, ট্রাইব্যুনালে আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ড বজায় রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে কর্তৃপক্ষ, যা ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার বঞ্চিত করা, আইনের শাসন দুর্বল করা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি তৈরি করছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেছে এইচআরডব্লিইউ।

মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ১৩ বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা ঘিরে সম্প্রতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করার পর গতকাল মঙ্গলবার এইচআরডব্লিউ এই প্রতিক্রিয়া জানায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এই মামলার আসামিদের মধ্যে রাজনীতিবিদ, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও দুজন সাংবাদিক রয়েছেন।

এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা সরকারের আমলের নিপীড়নের জবাবদিহি জরুরি, তবে বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। নতুন সরকারের উচিত অবিলম্বে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার সংস্কার করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার সুযোগ বন্ধ করা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে ৮০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু ও হাজার হাজার মানুষের আহত হওয়ার ঘটনার পাশাপাশি তৎকালীন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার এখন এই ট্রাইব্যুনালে হচ্ছে। ২০১০ সালে গঠিত এই ট্রাইব্যুনাল পূর্বে ছয়জনের ফাঁসি কার্যকর করলেও তা পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব, রাজনৈতিক পক্ষপাত ও প্রক্রিয়াগত ত্রুটির জন্য সমালোচিত হয়েছিল। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এ পর্যন্ত ৬টি রায়ে ৬২ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন (যার মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ৪২ জনের বিচার হয়েছে অনুপস্থিতিতে) এবং ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের আলোচিত ডেভিড ইমন যশোরে গ্রেপ্তার47489c1be5a34e7a314243ce98679798-6a69bb8e288bd

অন্তর্বর্তী সরকার অপরাধের সংজ্ঞায় কিছু সংশোধনী আনলেও এইচআরডব্লিউর মতে, তা আন্তর্জাতিক সমতুল্য মানদণ্ড নিশ্চিত করতে পারেনি। এমনকি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারও আইনে নতুন কোনো সংশোধনী আনেনি।

এইচআরডব্লিউর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রমাণের ভিত্তি ছাড়াই গ্রেপ্তারের নির্দেশ, কারণ দর্শানো ছাড়া আটকে রাখা এবং অন্তর্বর্তীকালীন আপিলের সুযোগ না থাকার বিধান এখনো বিদ্যমান। প্রমাণ জমা দেওয়ার মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে বিচার শুরু হওয়া এবং অনুপস্থিত আসামিদের আইনজীবী নিয়োগ ও সাক্ষী জেরায় সীমাবদ্ধতা থাকা। শাপলা চত্বর মামলায় তৎকালীন একাত্তর টিভির মোজম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপাকে লিখিত ব্যাখ্যা ছাড়াই গ্রেপ্তার দেখানো এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। চট্টগ্রাম শহরের হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের ২২ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে হাছান মাহমুদ চৌধুরী ও অন্যান্যদের মামলায় ৫৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দির মধ্যে একাধিক জবানবন্দিতে হুবহু একই অনুচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাক্ষ্যের সত্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

আসামি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর জামিনের বিনিময়ে ১ কোটি টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগে এক প্রসিকিউটর পদত্যাগ করলেও সেই তদন্ত শেষ না করেই অভিযোগ গঠন ও বিচারের প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

মীনাক্ষী গাঙ্গুলী জোর দিয়ে বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মতো রাজনৈতিক ‘উইচ-হান্ট’ বা নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি করা উচিত নয়। ভুয়া বা নকল জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে বিচার করলে তা একটি বিশ্বাসযোগ্য বিচার প্রক্রিয়ার অভাবই নির্দেশ করে, যা প্রকারান্তরে দেশের মানুষকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করবে।

বিষয়: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালঅপরাধএইচআরডব্লিউজুলাই সনদরক্তাক্ত জুলাই
সর্বশেষ
  • ১

    লং মার্চ থেকে কী পেল বিরোধীরা?

  • ২

    মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন

  • ৩

    রাজধানীর ধানমন্ডিতে ভবনে আগুন

  • ৪

    হংকংয়ের বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • ৫

    মেঘের শারীরিক অবস্থা এখনো ‘অস্থিতিশীল’, মেডিকেল বোর্ড গঠন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।