Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

মার্কিন উসকানি কতক্ষণ মানবে চীন?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫: ৫০
মার্কিন উসকানি কতক্ষণ মানবে চীন?

তাইওয়ানের কাছে আমেরিকা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই অস্ত্রচুক্তির মূল্য ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যা টাকার অংকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে এটি দ্বিতীয় বড় চুক্তি। এই চুক্তির ফলে আমেরিকা ও চীনের সম্পর্ক আরও চাপে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চীন ইতিমধ্যেই তাইওয়ানের ওপর সামরিক ও কূটনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে। কারণ বেইজিং তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। এই ধরনের পরিস্থিতি তাইপেকে সতর্ক করে তুলেছে।

চীন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাইওয়ানকে ঘিরে ক্রমশ সামরিক শক্তি প্রদর্শন করছে। নিয়মিত সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। তাইওয়ানের জলসীমা ও আকাশসীমায় নিয়মিত ঢুকে পড়ছে। বেইজিং তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে দেখে। চীন বহুদিন ধরেই দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের করতে চায়।

অন্যদিকে তাইওয়ান বলছে, চীনের যেকোনো আগ্রাসন ঠেকাতে তাদের আরও শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা প্রয়োজন। এ কারণে তারা আবারও ওয়াশিংটনের কাছে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে। এই নতুন অস্ত্র প্যাকেজটি তারই অংশ। হোয়াইট হাউস বলছে, এই অস্ত্র বিক্রি আমেরিকার জাতীয় অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত স্বার্থ রক্ষা করবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
আমেরিকায় চিপ রপ্তানিতে নমনীয় হলো চীনchina-america-2

অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এজন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা কোন কোন সামরিক সরঞ্জাম কিনছে, তার বিস্তারিতও জানিয়েছে।

এই চুক্তির আওতায় রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। আছে হাউইটজার কামান। রয়েছে জ্যাভেলিন অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র। রয়েছে লয়টারিং মিউনিশন ড্রোন। এছাড়া অন্যান্য সরঞ্জামের খুচরা যন্ত্রাংশও অন্তর্ভুক্ত আছে।

তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো হাই-মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম, বা হাইমার্স। শুধু এই সিস্টেমেরই মূল্যই প্রায় ৪০০ কোটি ডলার।

এই চুক্তির খবরে চীন স্বাভাবিকভাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বেইজিং বলেছে, তাইওয়ান প্রশ্নে চীনের দৃঢ় সংকল্পকে কেউ যেন হালকাভাবে না নেয়। চীনের অভিযোগ, আমেরিকা উন্নত অস্ত্র সরবরাহের একটি বড় কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এটি ‘এক চীন’ নীতি ও চীন– আমেরিকা যৌথ ঘোষণার লংঘন।

চীনের মতে, এই চুক্তি তাদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করে।

এটি তাইওয়ান প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্যও বড় ধরনের হুমকি। তবে এই অস্ত্রচুক্তি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন পায়নি। তবে আশা করা হচ্ছে, দুই দলের সমর্থনের কারণে এটি সহজেই কংগ্রেসের অনুমোদন পাবে। কারণ তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা বিষয়ে আমেরিকায় একটি রাজনৈতিক ঐকমত্য রয়েছে।

প্রশ্ন হলো, আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ কী। কেন এখনই এই চুক্তি করতে হচ্ছে? যখন বাণিজ্যে অতিরিক্ত শুল্ক বা ট্যারিফ নিয়ে চীন ও আমেরিকা একটা সমঝোতায় পৌঁছেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্রাটেজিতে বারবার তাইওয়ান নিয়ে চীনের সাথে সংঘাত এড়ানোর কথা বলেছেন। তারপরও এই ধরনের উসকানি কেন?

বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্ত্র বিক্রি আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেই কৌশলে বলা হয়েছে, তাইওয়ানকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিরোধ করা এশিয়ায় আমেরিকার একটি অগ্রাধিকার। অতএব, এই অস্ত্রচুক্তির প্রস্তুতি অনেক দিন ধরেই চলছিল।

তাইওয়ানের ক্ষমতাসীন দল আবার চীনকে মোকাবিলায় সম্প্রতি সাত বছরের একটি অস্ত্র প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই প্যাকেজের মূল্য ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এর লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো।

চীন অন্যদের বাণিজ্যকে অসম্ভব করে তুলছেchina-2

এদিকে, আমেরিকা ও তার মিত্ররা অঙ্গীকার রক্ষায় কতটা প্রস্তুত-সে বিষয়ে তাইওয়ান সন্দিহান ছিল। এই অস্ত্রচুক্তি কি তাইপের সেই উদ্বেগ কমাবে?

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি নিঃসন্দেহে তাইওয়ানের জন্য সুখবর। ট্রাম্প প্রশাসন ‘এক চীন’ নীতি মানবে কি না-সে বিষয়ে এই চুক্তি কিছুটা আশঙ্কা কমাবে। একই সঙ্গে তাইওয়ানের প্রতি আমেরিকার প্রতিরক্ষা সহায়তা অব্যাহত থাকবে-এই আস্থাও জোরদার করবে।

এখন পর্যন্ত ট্রাম্প কৌশলগত অস্পষ্টতার নীতি বজায় রেখেছেন। তিনি চীনের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি। তিনি তাইওয়ানের প্রতি আমেরিকার বিদ্যমান অঙ্গীকার দুর্বল করেননি।

কিন্তু মোদ্দা কথা হচ্ছে এই অস্ত্র-প্যাকেজে এমন কিছু আছে কি, যা তাইওয়ানের আত্মরক্ষার সক্ষমতায় বড় পরিবর্তন আনবে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অস্ত্রগুলো তাইওয়ানের ‘টি-ডোম’ তৈরির উদ্যোগে সহায়তা করবে। এটি হবে ইসরায়েলের ‘আয়রন ডোম’–এর মতো।

আমেরিকার বিরুদ্ধে চীন কি সত্যিই জিতবেchina-america

এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের এপ্রিল মাসে আমেরিকা সফরের কথা রয়েছে। কিছু দিন আগে দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে সি বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে। এই বৈঠকের পর ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া দেখে সবাই ভেবেছিল, দুই শক্তিধর দেশের মধ্যেকার বরফ গলতে শুরু করছে। কিন্তু তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রির মার্কিন সিদ্ধান্ত এই সম্পর্ককে জটিল করে তুলতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, তাইওয়ান চীনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে একই সঙ্গে চীন আমেরিকার সাথে বাণিজ্য স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চায়। সে কারণে চীন প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়তো সতর্ক থাকবে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও তাইওয়ান বিষয়ক দপ্তরের নিন্দাসূচক বক্তব্য সবাই দেখেছে।

আগামী দিনে বেইজিং সামরিক চাপ বাড়াতে পারে। এর মধ্যে তাইওয়ানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের ঘটনা বাড়তে পারে।

তাইওয়ানের সাথে অস্ত্র চুক্তি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ নীতির অংশ। চীনের প্রতি এই প্রশাসনের সামগ্রিক কৌশল দুই ভাগে বিভক্ত। এর উদ্দেশ্য হলো: একদিকে, তাইওয়ানকে শক্তিশালী করে তোলা।

অন্যদিকে, চীনকে আশ্বস্ত করা যে আমেরিকা কমিউনিস্ট পার্টির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করবে না। চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ঠেকাতে চাইবে না।

ট্রাম্পের এই দ্বৈত নীতি চীন কতদিন সহ্য করবে সেটা লাখ টাকার প্রশ্ন। কারণ প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং অনেক আগেই ঘোষণা দিয়েছেন, ২০২৭ সালের মধ্যে তাইওয়ান হবে চীনের মূল ভূখন্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বিষয়: দ্বন্দ্বঅস্ত্রআমেরিকাতাইওয়ানবাণিজ্যচীন
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।