Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

‘হ্যালো’ এল কী করে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০: ৫৫
‘হ্যালো’ এল কী করে

ফোনে কথা বলার সময় ‘হ্যালো’ শব্দটি ছাড়া কথোপকথন শুরু করা প্রায় অসম্ভব। আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেছিলেন- এ কথা অজানা নয়। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ‘হ্যালো’ শব্দটি টেলিফোনের জন্য জনপ্রিয় করেছিলেন আরেক মহান উদ্ভাবক থমাস আলভা এডিসন, যিনি বৈদ্যুতিক বাল্বেরও আবিষ্কারক।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

টেলিফোন আবিষ্কারের সময় একটি বড় প্রশ্ন ছিল-ফোনের অপর প্রান্তে থাকা মানুষকে কীভাবে বোঝানো যাবে যে কেউ কথা বলতে চায়। তখন কল করার জন্য কোনো রিং বা বেল ব্যবস্থা ছিল না। তাই ব্যবহারকারীদের এমন একটি শব্দ দরকার ছিল যা দূর থেকেও সহজে শোনা যায় এবং মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে।

এই সমস্যার সমাধান করেন থমাস এডিসন। ১৮৭৭ সালের ১৫ আগস্ট তিনি পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গ শহরের এক টেলিগ্রাফ কোম্পানির প্রেসিডেন্ট টি. বি. এ. ডেভিডকে একটি চিঠি লেখেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “বন্ধু ডেভিড, আমার মনে হয় আমাদের কোনো কল বেলের দরকার হবে না, কারণ ‘হ্যালো’ শব্দটি ১০ থেকে ২০ ফুট দূর থেকেও শোনা যায়।“

এই চিঠিটা অনেক বছর পর পাওয়া যায় নিউইয়র্কের আমেরিকান টেলিফোন অ্যান্ড টেলিগ্রাফ কোম্পানির আর্কাইভে। অ্যালেন কোয়েনিগসবর্গ নামের এক অধ্যাপক পাঁচ বছরের গবেষণার পর এটি খুঁজে পান। তার গবেষণার মাধ্যমেই প্রথম জানা যায় যে, টেলিফোনে প্রথম ‘হ্যালো’ শব্দটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন এডিসন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রথম দিকে ‘হ্যালো’ শব্দটির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল, ‘কী চাই’। অনেকেই মনে করতেন এই প্রশ্ন দিয়েই কথোপকথন শুরু করা উচিত। কিন্তু সময়ের সাথে ‘হ্যালো’ সহজ উচ্চারণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবের কারণে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

১৮৭৮ সালে যখন যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটের নিউ হেভেনে প্রথম পাবলিক টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয়, তখন ‘হ্যালো’ শব্দটি ব্যবহার শুরু হয়। এরপর ১৮৮০ সালের দিকে শব্দটি সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে যায়।

তবে টেলিফোনের আবিষ্কারক গ্রাহাম বেল নিজে কিন্তু ‘হ্যাল ‘ শব্দটি ব্যবহার করতেন না। তিনি পছন্দ করতেন ‘আহয়’ শব্দটি, যা তখন নাবিকরা জাহাজে ব্যবহার করতেন যোগাযোগের সময়। তবে এডিসনের ‘হ্যালো’ এত দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে যায় যে বেলের ‘আহয়’ টিকতেই পারেনি।

বর্তমানে ‘হ্যালো’ শুধু ফোনে নয়, সামনাসামনি কথোপকথনেরও সবচেয়ে প্রচলিত শব্দ। এটি ভদ্রতা, সৌজন্য ও বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এমনকি বিভিন্ন ভাষার মানুষও শব্দটি বোঝে এবং ব্যবহার করে।

প্রযুক্তি যতই আধুনিক হোক না কেন, টেলিফোনে ‘হ্যালো’ বলার প্রথা এখনো অপরিবর্তিত। এটি শুধু একটি শব্দ নয়-মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের ইতিহাসে এক বন্ধুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন। শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও ‘হ্যালো’ রয়ে গেছে সেই আগের মতোই আন্তরিক, সহজ ও বিশ্বজনীন অভিবাদন হিসেবে।

বিষয়: কথোপকথনযুক্তরাষ্ট্রফোনালাপফোনযোগাযোগ
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।