Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

আমেরিকার জিসোমিয়া চুক্তি: কারা করেছে, কী লাভ, কী ক্ষতি?

ইয়াসিন আরাফাত

ইয়াসিন আরাফাত

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ১৫: ০৯
আমেরিকার জিসোমিয়া চুক্তি: কারা করেছে, কী লাভ, কী ক্ষতি?

আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে। দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও আমেরিকা কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কাজ করছে। বলা হচ্ছে, এমন চুক্তিতে বাংলাদেশের বন্দর ও বিমানঘাঁটি অবকাঠামোতে মার্কিন বাহিনীর প্রবেশের সুযোগ থাকতে পারে। যদিও ঢাকা ও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। তাই বলে গুঞ্জন থামছে না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আমেরিকা ও বাংলাদেশের মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে দুটি চুক্তি নিয়ে কথা হচ্ছে বেশ। একটি হলো-জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন এগ্রিমেন্ট ( GSOMIA), যা বাংলাদেশে জিসোমিয়া হিসেবে পরিচিত। আরেকটি হলো- অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস-সার্ভিসিং এগ্রিমেন্ট (ACSA)। এটি পরিচিত আকসা নামে।

চলুন জেনে নিই, এই জিসোমিয়া চুক্তি আসলে কী? কোন কোন দেশ আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তি করেছে? আর এই চুক্তির আওতায় আমেরিকা কি সুবিধা পায়?

জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন এগ্রিমেন্ট বা জিসোমিয়া হলো একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের স্বাক্ষরিত একটি আইনি ও কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গোয়েন্দা তথ্য সুরক্ষিতভাবে আদান-প্রদানের একটি আইনি কাঠামো তৈরি করা। এটি মূলত দুই বা ততোধিক দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে এবং যৌথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে। প্রায়শই এটি লজিস্টিকস সহযোগিতার চুক্তি এসিএসএ (আকসা)-এর পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কোন কোন দেশের সঙ্গে আমেরিকার জিসোমিয়া আছে?

যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি মিত্র দেশের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ভারত ২০০২ সালে আমেরিকার সঙ্গে জিসোমিয়া চুক্তি করে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে সবশেষ ফিলিপাইনের সঙ্গে এ চুক্তি করে।

জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া উভয় দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় জিসোমিয়া চুক্তি আছে। আবার জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে আলাদা একইধরনের চুক্তি রয়েছে। ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া জিসোমিয়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এটি দুই দেশের মধ্যে প্রথম সামরিক তথ্য আদান-প্রদান চুক্তি । এর উদ্দেশ্য ছিল উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান নিউক্লিয়ার ও মিসাইল হুমকি মোকাবিলায় ক্লাসিফাইড সামরিক তথ্য সরাসরি আদানপ্রদান করা।

অন্যান্য মিত্র দেশ যেমন অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য,কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, তুরস্ক, পোল্যান্ড, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে এবং কয়েকটি ইন্দো-প্যাসিফিক দেশের সঙ্গেও আমেরিকার জিসোমিয়া চুক্তি রয়েছে।

আমেরিকার সঙ্গে জিসোমিয়া চুক্তি হলে কী সুবিধা পাওয়া যায়?

জিসোমিয়া চুক্তিতে আমেরিকার স্যাটেলাইট, রাডার ও গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়, যা আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলায় সাহায্য করে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া উন্নত অস্ত্র যেমন: মিসাইল, ড্রোন, রাডার ইত্যাদি কেনা সহজ হয় এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের পথ খোলে। আমেরিকার সঙ্গে জিসোমিয়া চুক্তি হলে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের চুক্তি সক্ষমতা বৃদ্ধি করে তবে অন্যদিকে কোনো সুর্নিদিষ্ট দেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক নিরাপত্তাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।

জিসোমিয়া চুক্তিতে আমেরিকা কী সুবিধা পায়?

মার্কিন সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা সহজে অংশীদার দেশের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য, স্যাটেলাইট ডেটা, মিসাইল ট্র্যাকিং এবং আঞ্চলিক হুমকি সম্পর্কিত তথ্য পায়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ক্ষমতা বাড়ে।

চুক্তি ছাড়া আমেরিকার উন্নত অস্ত্র (যেমন মিসাইল সিস্টেম, ড্রোন, এনক্রিপ্টেড কমিউনিকেশন) বিক্রি করা কঠিন। জিসোমিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে অংশীদার দেশগুলোর উন্নত প্রযুক্তি নাগাল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। এবং স্বাভাবিকভাবে মার্কিন প্রভাব ও বাণিজ্য বাড়ে।

জিসোমিয়া চুক্তি আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিকে চীনের প্রভাব মোকাবিলায় এ চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত হাতিয়ার। যুক্তরাষ্ট্র অংশীদার দেশের অবকাঠামো ও তথ্যের মাধ্যমে নিজের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করে। এছাড়া জিসোমিয়া চুক্তি হলে যৌথ মহড়া, অপারেশন এবং সংকটকালীন সমন্বয় সহজ হয়।

তথ্যসূত্র: দ্য ডিপ্লোম্যাট, সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ, স্টিমসন, স্প্রিঙ্গার ন্যাচার লিঙ্ক

বিষয়: আমেরিকাবাংলাদেশচুক্তিঅস্ত্রযুক্তরাষ্ট্র
সর্বশেষ
  • ১

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ২

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৩

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৪

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

  • ৫

    মহাখালীতে এসকেএস টাওয়ারের পেছনের ভবনে আগুন

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।