চরচা ডেস্ক

অগ্নিপরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এশিয়ার শীর্ষ ১২ দলের একটি হয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে নাম লেখানো বাংলাদেশকে খেলতে হবে শক্তিশালী সব প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। নিজেদের গ্রুপে চীন, উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তান আফঈদা, ঋতু, মনিকা, রুপনাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়েই দেখা দেবে। দক্ষিণ এশীয় গণ্ডিতে টানা দুইবার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা বাংলাদেশ নারী দলের জন্য মহাদেশীয় প্রতিপক্ষ মানেই মাঠে টিকে থাকার লড়াই। ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে নারী দলের অভিজ্ঞতা হয়েছিল জাপান ও ভিয়েতনামের মতো প্রতিপক্ষের সঙ্গে মাঠে নামার। সেবারই বোঝা গিয়েছিল, দক্ষিণ এশিয়ার মান আর মহাদেশীয় মানের পার্থক্যটা। জাপানের বিপক্ষে ৮–০ আর ভিয়েতনামের বিপক্ষে ৬–১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে খেলার গৌরব আর রোমাঞ্চের মধ্যেই চীন, উত্তর কোরিয়া আর উজবেকিস্তানের মতো প্রতিপক্ষ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেই হচ্ছে পিটার বাটলারের দলকে। পাঠক, আসুন দেখে নেওয়া যাক, এশিয়ান কাপে তিন প্রতিপক্ষ আসলেই কতটা কঠিন পরীক্ষা ঋতুপর্নাদের জন্য।
চীন
এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই অভিষেক হবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় সিডনিতে অনুষ্ঠিত হবে খেলাটি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৭ নম্বর স্থানে থাকা চীন এশিয়ান কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। এখনো পর্যন্ত মেয়েদের এশিয়ান কাপে সবচেয়ে বেশি ৯ বার শিরোপা জিতেছে তারা। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের শক্তির পার্থক্য কতটা, সেটা সহজেই বোঝা যায়।
মেয়েদের ক্লাব ফুটবলের মহাদেশীয় প্রতিযোগিতা উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বশেষ শিরোপা জিতেছে চীনের ক্লাব উহান জিয়াংদা উইমেন্স এফসি। দলটির দায়িত্বে আছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক কোচ আন্তে মিলিতিচ।

উত্তর কোরিয়া
নারী ফুটবলের ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর স্থানে আছে উত্তর কোরিয়া। মেয়েদের ফুটবলে দুর্দান্ত শক্তিশালী দল উত্তর কোরিয়া। নারী এশিয়ান কাপের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন। সবশেষ শিরোপাটা অবশ্য জিতেছিল ১৮ বছর আগে—২০০৮ সালে। এবার উত্তর কোরিয়া এশিয়ান কাপে এসেছে বাছাইপর্ব খেলে। বাছাইপর্বের ফলে পরিস্কার হয়ে যায় দলটির শক্তিমত্তা। ফিলিপাইন ও তাজিকিস্তানকে ১০–০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা। মালয়েশিয়াকে হারিয়েছিল ৬–০ গোলে। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ মাঠে নামবে ৬ মার্চ, সিডনিতে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে খেলাটি।
উজবেকিস্তান
র্যাঙ্কিংয়ে ৪৯তম স্থানে থাকা উজবেকিস্তানের বিপক্ষেই যা একটু লড়াইয়ের সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশের। এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো খেলছে উত্তর এশিয়ার দেশটি। ২০০৩ সালে খেলেছে সবশেষ। গ্রুপপর্ব পেরোনো হয়নি তাদের কখনোই।
বাছাইপর্বে কঠিন পথই পাড়ি দিতে হয়েছে মধ্য এশিয়ার দেশটিকে। গ্রুপে শীর্ষ স্থানের জন্য নেপালের সঙ্গে রীতিমতো ‘যুদ্ধজয়’ করতে হয়েছে তাদের। দুই দলই সমান ৭ পয়েন্ট, একই গোল ব্যবধান এবং এমনকি গোল করা (২০টি) ও গোল খাওয়ার (৩টি) সংখ্যাতেও সমান অবস্থানে গ্রুপ পর্ব শেষ করে। যে কারণে শেষ পর্যন্ত এশিয়ান কাপের টিকিট নির্ধারিত হয় পেনাল্টি শুটআউটের মাধ্যমে। সেই শুটআউটে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে ৪–২ ব্যবধানে জিতে অস্ট্রেলিয়ার টিকিট কাটে উজবেকিস্তান। বাংলাদেশ আগামী ৯ মার্চ পার্থে উজবেকদের বিপক্ষে মাঠে নামবে। খেলাটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায়।

অগ্নিপরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। এশিয়ার শীর্ষ ১২ দলের একটি হয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে নাম লেখানো বাংলাদেশকে খেলতে হবে শক্তিশালী সব প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। নিজেদের গ্রুপে চীন, উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তান আফঈদা, ঋতু, মনিকা, রুপনাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়েই দেখা দেবে। দক্ষিণ এশীয় গণ্ডিতে টানা দুইবার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা বাংলাদেশ নারী দলের জন্য মহাদেশীয় প্রতিপক্ষ মানেই মাঠে টিকে থাকার লড়াই। ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে নারী দলের অভিজ্ঞতা হয়েছিল জাপান ও ভিয়েতনামের মতো প্রতিপক্ষের সঙ্গে মাঠে নামার। সেবারই বোঝা গিয়েছিল, দক্ষিণ এশিয়ার মান আর মহাদেশীয় মানের পার্থক্যটা। জাপানের বিপক্ষে ৮–০ আর ভিয়েতনামের বিপক্ষে ৬–১ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে খেলার গৌরব আর রোমাঞ্চের মধ্যেই চীন, উত্তর কোরিয়া আর উজবেকিস্তানের মতো প্রতিপক্ষ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেই হচ্ছে পিটার বাটলারের দলকে। পাঠক, আসুন দেখে নেওয়া যাক, এশিয়ান কাপে তিন প্রতিপক্ষ আসলেই কতটা কঠিন পরীক্ষা ঋতুপর্নাদের জন্য।
চীন
এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই অভিষেক হবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় সিডনিতে অনুষ্ঠিত হবে খেলাটি। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৭ নম্বর স্থানে থাকা চীন এশিয়ান কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। এখনো পর্যন্ত মেয়েদের এশিয়ান কাপে সবচেয়ে বেশি ৯ বার শিরোপা জিতেছে তারা। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের শক্তির পার্থক্য কতটা, সেটা সহজেই বোঝা যায়।
মেয়েদের ক্লাব ফুটবলের মহাদেশীয় প্রতিযোগিতা উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বশেষ শিরোপা জিতেছে চীনের ক্লাব উহান জিয়াংদা উইমেন্স এফসি। দলটির দায়িত্বে আছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক কোচ আন্তে মিলিতিচ।

উত্তর কোরিয়া
নারী ফুটবলের ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৯ নম্বর স্থানে আছে উত্তর কোরিয়া। মেয়েদের ফুটবলে দুর্দান্ত শক্তিশালী দল উত্তর কোরিয়া। নারী এশিয়ান কাপের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন। সবশেষ শিরোপাটা অবশ্য জিতেছিল ১৮ বছর আগে—২০০৮ সালে। এবার উত্তর কোরিয়া এশিয়ান কাপে এসেছে বাছাইপর্ব খেলে। বাছাইপর্বের ফলে পরিস্কার হয়ে যায় দলটির শক্তিমত্তা। ফিলিপাইন ও তাজিকিস্তানকে ১০–০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল তারা। মালয়েশিয়াকে হারিয়েছিল ৬–০ গোলে। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ মাঠে নামবে ৬ মার্চ, সিডনিতে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে খেলাটি।
উজবেকিস্তান
র্যাঙ্কিংয়ে ৪৯তম স্থানে থাকা উজবেকিস্তানের বিপক্ষেই যা একটু লড়াইয়ের সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশের। এশিয়ান কাপের চূড়ান্তপর্বে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো খেলছে উত্তর এশিয়ার দেশটি। ২০০৩ সালে খেলেছে সবশেষ। গ্রুপপর্ব পেরোনো হয়নি তাদের কখনোই।
বাছাইপর্বে কঠিন পথই পাড়ি দিতে হয়েছে মধ্য এশিয়ার দেশটিকে। গ্রুপে শীর্ষ স্থানের জন্য নেপালের সঙ্গে রীতিমতো ‘যুদ্ধজয়’ করতে হয়েছে তাদের। দুই দলই সমান ৭ পয়েন্ট, একই গোল ব্যবধান এবং এমনকি গোল করা (২০টি) ও গোল খাওয়ার (৩টি) সংখ্যাতেও সমান অবস্থানে গ্রুপ পর্ব শেষ করে। যে কারণে শেষ পর্যন্ত এশিয়ান কাপের টিকিট নির্ধারিত হয় পেনাল্টি শুটআউটের মাধ্যমে। সেই শুটআউটে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে ৪–২ ব্যবধানে জিতে অস্ট্রেলিয়ার টিকিট কাটে উজবেকিস্তান। বাংলাদেশ আগামী ৯ মার্চ পার্থে উজবেকদের বিপক্ষে মাঠে নামবে। খেলাটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায়।

পেন্টাগনের বড় উদ্বেগের একটি বিষয় হলো থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বজায় রাখা। কারণ উত্তর কোরিয়া ও চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সক্ষমতা ধরে রাখতে দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামেও যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করে।