Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

ভারতকে ভোগানো যুদ্ধবিমান কিনলে কতটা সুবিধা পাবে বাংলাদেশ?

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭: ৪৫
ভারতকে ভোগানো যুদ্ধবিমান কিনলে কতটা সুবিধা পাবে বাংলাদেশ?

এবার জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধ বিমান কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে গিয়ে তাদের কাছ থেকে জেএফ–১৭ থান্ডার ব্লক–থ্রি যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহ জানিয়েছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিমানবাহিনী প্রধানের পাকিস্তান সফরের এই খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ভারতীয় গণমাধ্যমে। বাংলাদেশ অনেক দিন ধরেই বিমানবাহিনীর জন্য মাল্টি রোল যুদ্ধবিমান সংগ্রহের চেষ্টা ও প্রক্রিয়া চালিয়ে আসছে। ২০০০ সালে বিমানবাহিনীর বহরে রাশিয়া থেকে মিগ–২৯ যুদ্ধবিমান সংযোজিত হওয়ার পর গত ২৬ বছরে বিমানবাহিনীতে কোনো মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান সংযুক্ত হয়নি। এ মুহূর্তে বিমান বাহিনীর ব্যাকবোন হচ্ছে চীনের এফ–৭ বিজি যুদ্ধবিমান। এটি রাশিয়ার মিগ–২১ যুদ্ধবিমানের চীনা সংস্করণ।

পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান পাকিস্তান ও চীনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি জেএফ–১৭ থান্ডার ব্লক থ্রি যুদ্ধবিমান কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দুই দেশের মধ্যে এ নিয়ে কোনো চুক্তি অবশ্য হয়নি।

কিছু দিন আগেই ইতালির তৈরি শক্তিশালী মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান ইউরো ফাইটার টাইফুন কেনার জন্য লিওনার্দো এসপিএর সঙ্গে লেটার অব ইন্টেন্টে সই করেছে। এই লিওনার্দো এসপিএ ইউরোফাইটারের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এর আগে, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছিল বাংলাদেশ চীনের চেংদু কোম্পানির তৈরি ২০টি জে–১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে। এ নিয়ে যথেষ্ট তোলপাড়ই হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিষয়ে আগ্রহীদের মধ্যে উদ্দীপনারও সৃষ্টি হয়েছিল। এখন সবার কৌতূহল, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে আসলে কোন যুদ্ধবিমান আসতে যাচ্ছে? বাংলাদেশ কী জে–১০ সিই আনছে? নাকি ইউরো ফাইটার টাইফুন আনছে? নাকি শেষ পর্যন্ত জেএফ–১৭ থান্ডার ব্লক থ্রি দিয়েই বিমান বাহিনীকে আধুনিক করবে বাংলাদেশ?

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ভারতকে ঝামেলায় ফেলা পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ? ছবি: রয়টার্স
ভারতকে ঝামেলায় ফেলা পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ? ছবি: রয়টার্স

জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান নিয়ে আগ্রহের অন্য একটা কারণও আছে। চীনের সহযোগিতায় পাকিস্তান এই যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে। শুধু তা–ই নয়, এই যুদ্ধবিমান এরই মধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৯ ও ২০২৫ সালে ভারতের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে জেএফ–১৭ থান্ডার ভারতীয় বিমানবাহিনীকে যথেষ্ট সমস্যায় ফেলেছিল। ৪.৫ প্রজন্মের এই যুদ্ধবিমান শক্তিশালী রাডার ও দূরপাল্লার ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে সজ্জিত। ইউরোফাইটার কিংবা জে–১০ সিই বাদ দিন, বাংলাদেশ যদি শুধু জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমানও সংযোজন করে, বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বেড়ে যাবে অনেকটাই। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ–রাজনৈতিক দৃশ্যপটেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দেবে।

এখন আসুন জেনে নেওয়া যাক জেএফ থান্ডার যুদ্ধবিমান আসলে কেমন? কতটা শক্তিশালী? এটি অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান এতে কোনো সন্দেহ নেই। ওজনে খুবই হালকা। পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্স ও চীনের চেংদু এয়ারক্রাফট ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে এটি তৈরি। মূলত এটি চীনের টেকনোলজি দিয়েই তৈরি। এয়ার টু এয়ার ও এয়ার টু সারফেস কমব্যাটে জেএফ–১৭ থান্ডারের খুবই পারদর্শী। দিনে কিংবা রাতে দুই সময়ের যুদ্ধেই এটি সমান সক্ষমতা দেখাতে পারে।

এতে আছে কম্পিউটার কন্ট্রোলড ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট। সর্বশেষ প্রযুক্তির অস্ত্র খুব ভালোভাবেই বহন করতে পারে জেএফ থান্ডার–১৭। এর ম্যানুভার ক্ষমতাও দুর্দান্ত। ২০০৩ সালের আগস্টে এর প্রোটোটাইপ আকাশে উড়েছিল। যার নাম ছিল এফসি–১। এরপর আরও দুটি প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়। ২০০৭ সালে জেএফ–১৭ থান্ডার নামে এটি চূড়ান্ত রূপ নিয়ে আকাশে ওড়ে। পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে ৭ স্কোয়াড্রন জেএফ–১৭ থান্ডার আছে। এখনো পর্যন্ত ১৪৭টি জেএফ–১৭ থান্ডার তৈরি করা হয়।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান সম্প্রতি পাকিস্তান বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ছবি: পাকিস্তান আইএসপিআর
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান সম্প্রতি পাকিস্তান বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ছবি: পাকিস্তান আইএসপিআর

৬ হাজার ৪১১ কেজি ওজনের জেএফ-১৭ থান্ডার টেকঅফের সময় সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৭০০ কেজি বহন করতে পারে। এই যুদ্ধবিমানের সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ২ হাজার ২০৫ কিলোমিটার। এতে ব্রাজিলের মার-১ অ্যান্টি রেডিয়েশন ক্ষেপণাস্ত্র, ফ্রান্সের মাটরা ডুরানডাল অ্যান্টি রানওয়ে বোমা, ফ্রান্সের এম-৩৯ অ্যান্টিশিপ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বিকল্প হিসেবে একই ক্লাসের চীনা আর্মামেন্ট ব্যবহৃত হয়েছে।

পাকিস্তান এরই মধ্যে আজারবাইজান, মিয়ানমার ও নাইজেরিয়ার কাছে জেএফ থান্ডার–১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করেছে। এ ছাড়াও সৌদি আরব, লিবিয়া ও ইরাকের সঙ্গে তাদের আলাপ চলছে।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে তিন ধরনের মাল্টিরোল যুদ্ধ বিমান সংযোজনের কথা উঠেছে। তবে এর মধ্যে শুধু ইউরোটাইফুনের ব্যাপারেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকতার ব্যাপারটি দৃশ্যমান। এখন এসেছে জেএফ–১৭ থান্ডার বিষয়ক খবর। আসলে কোনটা কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী? নাকি বহরে তিন ধরনের যুদ্ধ বিমানই সংযুক্ত হতে যাচ্ছে? পুরো ব্যাপারটি বিমানবাহিনী পরিস্কার না করলে আসলে চূড়ান্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না।

যেটাই কেনা হোক বৈশ্বিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাটাই মূল বিষয়। যেখানে ২৫ বছর ধরে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে কোনো মাল্টিরোল যুদ্ধবিমানের সংযোজন হয়নি, সেখানে এ মুহূর্তে উপযোগী সক্ষমতার যুদ্ধবিমান জরুরিই। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে আমলে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এটা ঠিক যে, জেএফ–১৭ থান্ডার যদি বাংলাদেশের বহরে যুক্ত হয়, সেটি উপমহাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান চিত্র বদলে দেবে অনেকটাই।

বিষয়: যুদ্ধবিমানপাকিস্তানবাংলাদেশ বিমানবাহিনীচীন
সর্বশেষ
  • ১

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

  • ২

    খুলনা বিভাগে হাম-ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

  • ৩

    নির্বাচনের আগে যুদ্ধ থামবে না, তেলের দামও কমবে না: ট্রাম্প

  • ৪

    মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে প্যারোলে মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ

  • ৫

    সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।